নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বাংলার বাড়ি প্রকল্পে মুর্শিদাবাদ জেলায় ৭৭ হাজার ৫৯৭ জন উপভোক্তা প্রথম ধাপে ৬০ হাজার টাকা পেয়েছেন। কিন্তু বহু উপভোক্তা এখনও বাড়ির কাজে হাত দেয়নি। কাঠফাটা রোদে প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাজের অগ্রগতি কতটা হয়েছে, সে বিষয়ে তদারকি শুরু করেছেন। মুর্শিদাবাদ জেলার ২৬টি ব্লক এবং আটটি পুরসভা এলাকায় বেশ কিছু উপভোক্তা এখনও বাড়ির কাজ শুরুই করেননি বলে অভিযোগ। প্রথম কিস্তির টাকা ঢোকার পর নির্দিষ্ট উচ্চতা পর্যন্ত বাড়ির কাজ না হলে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ঢুকবে না।
মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি বিমলকুমার শর্মা বলেন, আমাদের কাজ চলছে। ফিল্ডে গিয়ে ইন্সপেকশন করা হচ্ছে। তারপর সেই অনুযায়ী পোর্টালে নিয়মিত আপলোড করা হয়। সর্বোপরি ১ শতাংশের কম বাড়ির কাজ শুরু হয়নি।
জানা গিয়েছে, বাড়ি তৈরির প্রথম কিস্তির টাকায় লিন্টন পর্যন্ত কাজ করার কথা বলা হয়েছিল পঞ্চায়েত দপ্তরের পক্ষ থেকে। তবে কেউ যদি গোটা বাড়ি করে ফেলতে চান, সেটাও করতে পারেন উপভোক্তারা। পরবর্তীতে কিস্তির টাকা পেতে কোনও সমস্যা হবে না। তবে প্রথমবারের কাজের টাকা খরচ করতে না পারলে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ঢুকবে না। তাই বাড়ি তৈরির কাজ কতটা এগিয়েছে, সেটা ঘুরে দেখছেন।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, প্রথমবার ৬০ হাজার টাকা পেয়েছেন উপভোক্তারা। সেই টাকায় বাড়ি তৈরির কতটা অগ্রগতি হয়েছে সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অনেক জায়গায় ইচ্ছা করে কেউ কেউ বাড়ির কাজে হাত দেননি। এর পরের বার উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ৪০ হাজার টাকা ঢুকবে এবং তৃতীয় ধাপে আরও ২০ হাজার টাকা পাবেন উপভোক্তারা। প্রথম ধাপের কাজ না এগলে পরের টাকা পাওয়া যাবে না।