নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পরও অনেক উপভোক্তা এখনও বাড়ি তৈরির কাজ শুরুই করেননি। তাই তাঁদের এবার নোটিস পাঠানো শুরু করল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন ব্লক প্রশাসন।
নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পরও অনেক উপভোক্তা এখনও বাড়ি তৈরির কাজ শুরুই করেননি। তাই তাঁদের এবার নোটিস পাঠানো শুরু করল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন ব্লক প্রশাসন।
উপভোক্তাদের জানানো হয়েছে, দ্রুত কাজ শুরু না করলে পদক্ষেপ করা হবে। টাকা ফেলে রাখা যাবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে পঞ্চায়েত দপ্তর। কাজের অগ্রগতির খোঁজ নিতে জেলা প্রশাসনগুলির উপর চাপ ক্রমশ বাড়ানো হচ্ছে। এই অবস্থায় যাঁরা টাকা পেয়েও বসে আছেন, তাঁদের প্রথমে নোটিস ইস্যু করে সতর্ক করা হচ্ছে। চিঠি প্রাপ্তির পর সাতদিন সময় দেওয়া হচ্ছে ওই উপভোক্তাদের। তারপরও যদি কেউ কাজ শুরু না করেন, তখন দপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কোনও ব্লকে ৪০০, কোথাও ৫০০ জন উপভোক্তা এখনও বাড়ির কাজে হাত দেননি বলে খবর। এদিকে, বিভিন্ন ব্লকে অন্তত ২০০ জন এমন উপভোক্তা রয়েছেন, যাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা না ঢুকলেও পোর্টালে দেখাচ্ছে যে টাকা ঢুকে গিয়েছে। অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত সমস্যার কারণেই এমন হয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের দাবি। নামখানা ব্লকের দেবনগর উত্তরপাড়ার বাসিন্দা নিখিল দলপতি বাড়ি শুরু না করার জন্য নোটিস পেয়ে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। কারণ, তাঁর অ্যাকাউন্টে কোনও টাকাই ঢোকেনি। কেন তিনি এমন নোটিস পেলেন, প্রশ্ন তুলেছেন নিখিলবাবু। তাঁর মতো আরও অনেকের সঙ্গে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এতে চিন্তার কোনও কারণ নেই বলেই আশ্বস্ত করছেন প্রশাসনিক কর্তারা। ব্লক অফিসে গেলে অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত সমস্যা মিটিয়ে দেওয়া হবে। তারপর টাকা ঢুকবে।