Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এসআইআর নিয়ে উদ্বিগ্ন বহু আদিবাসী মহিলা

ঝাড়খণ্ডে বাপের বাড়ি। সেখানে ছিল ভোটার তালিকায় নাম। পরে বিয়ে করে এসেছেন পশ্চিমবঙ্গে। ভোটার তালিকায় এই ঝাড়াই-বাছাই প্রক্রিয়া চলাকালীন আতঙ্কিত আদিবাসী সম্প্রদায়ের মহিলারা।

এসআইআর নিয়ে উদ্বিগ্ন বহু আদিবাসী মহিলা
  • ৬ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ঝাড়খণ্ডে বাপের বাড়ি। সেখানে ছিল ভোটার তালিকায় নাম। পরে বিয়ে করে এসেছেন পশ্চিমবঙ্গে। ভোটার তালিকায় এই ঝাড়াই-বাছাই প্রক্রিয়া চলাকালীন আতঙ্কিত আদিবাসী সম্প্রদায়ের মহিলারা। তাঁরা জানতে চান, এখানে ২০২৫ ভোটার তালিকায় নাম তুলতে কোন নথি জমা দেবেন। 

Advertisement

মঙ্গলবার থেকে এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাড়ি বাড়ি ফর্ম বিলি শুরু করেছেন নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত বিএলওরা। ভোটার তালিকায় নাম থাকা নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের মধ্যে ভয়-উদ্বেগ দেখা গিয়েছে। তাতে আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। ঝাড়খণ্ড সীমানা লাগোয়া যে জেলাগুলি রয়েছে, সেখানে দেখা গিয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে আদিবাসী মহিলারা কিছুটা আতঙ্কিত। ঝাড়খণ্ডে যাঁদের আদি বাড়ি, তাঁদের অনেকেই বিবাহসূত্রে এখন পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। আদিবাসী সম্প্রদায়ভুক্ত ওই মহিলাদের কারও বাড়ি বাঁকুড়ার রানিবাঁধ এলাকায়, আবার কারও বাড়ি ঝাড়গ্রাম, বীরভূম, পুরুলিয়া কিংবা আসানসোলের কোনও স্থানে। আগে যেসব মহিলার নাম ছিল ঝাড়খণ্ডের ভোটার তালিকায়, এখন তাঁরা কী করবেন। 
পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ড দুটি আলাদা রাজ্য। ২০০২ সালে শেষবার পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর হলেও সেইসময় ঝাড়খণ্ডে হয়নি। আবার ২০০২ সালে ঝাড়খণ্ডের ভোটার তালিকায় অনেকের নাম ছিল না। পরে তাঁরা ওই রাজ্যের ভোটার তালিকায় নাম তোলেন। তার কয়েকবছর পর বিয়ে করে পশ্চিমবঙ্গে চলে আসেন অনেকে। এখন কী করবেন তাঁরা, প্রশ্ন তাঁদের। বিষয়টি অবগত তৃণমূল নেতৃত্বও। এক্ষেত্রে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মহিলাদের আশ্বস্ত করে বলা হয়েছে, ইনিউমারেশন ফর্ম যথাযথভাবে পূরণ করেই জমা দিন। তারপরও কোনও অভিযোগ পেলে পরিস্থিতি অনুযায়ীই পদক্ষেপ করা হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ