Bartaman Logo
১৬ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বছরের পর বছর রাস্তা বেহাল, ভাঙছে বিয়ে

মানিকচকের জেসারতটোলা গ্রামের রাস্তার বেহাল অবস্থা ঘিরে দুশ্চিন্তায় কয়েক হাজার পরিবার। পড়ুয়া থেকে কৃষকদের হয়রানি তো রয়েছেই, সঙ্গে রাস্তার কারণে এই গ্রামে বারবার বিয়ে ভাঙছে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।

বছরের পর বছর রাস্তা বেহাল, ভাঙছে বিয়ে
  • ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানিকচক: মানিকচকের জেসারতটোলা গ্রামের রাস্তার বেহাল অবস্থা ঘিরে দুশ্চিন্তায় কয়েক হাজার পরিবার। পড়ুয়া থেকে কৃষকদের হয়রানি তো রয়েছেই, সঙ্গে রাস্তার কারণে এই গ্রামে বারবার বিয়ে ভাঙছে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। রাস্তা সংস্কারের জন্য প্রধান ও অন্য জনপ্রতিনিধিদের জানালেও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। নির্বাচন বিধি উঠলে দ্রুত মেরামতের আবেদন করছেন স্থানীয়রা।

Advertisement

মানিকচক ব্লকের ধরমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জেসারতটোলা গ্রাম একেবারে গঙ্গা নদীর ধারে। সেখানে প্রায় ১০০ মিটার রাস্তার বেহাল দশার জন্য দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। 
কয়েক বছর ধরে শুখা মরসুমে গর্ত পেরিয়ে কোনোভাবে চলাচল করলেও বর্ষায় এক হাঁটু কাদা হয় রাস্তায়। দু’দিন আগে অল্প বৃষ্টিতে চলার অযোগ্য হয়ে পড়েছে রাস্তাটি। এক হাঁটু কাদা ভেঙে যাতায়াত করতে হচ্ছে। বাইক নিয়ে যেতে গিয়ে ঘটছে দুর্ঘটনা। ট্রাক্টর পেরলেও অন্য যানবাহন বা অ্যাম্বুলেন্স যেতে পারে না ওই পথ দিয়ে।
তবে, এই বেহাল রাস্তার জন্য বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় স্থানীয়রা। এই গ্রাম থেকে ধরমপুর স্ট্যান্ডের দূরত্ব মেরেকেটে দুই কিলোমিটার। 
তবে, মাঝের ১০০ মিটার রাস্তা বেহাল থাকার কারণে ঘুরপথে যাতায়াত করতে হয় স্থানীয়দের। ফলে জেসারতটোলা গ্রামের অনেকের বিয়ে ভেঙেছে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দা শেখ সামায়ুনের। তিনি বলেন, এই এলাকার বেশিরভাগ রাস্তার একই অবস্থা। নিরুপায় হয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু এই খারাপ রাস্তার জন্য অনেকের বিয়ে ভেঙে যাচ্ছে। কেন রাস্তার কাজ করা হচ্ছে না, জানিনা আমরা। অন্যদিকে, এই রাস্তার উপরেই নির্ভরশীল স্থানীয় চাষি থেকে জেসারতটোলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা।
বর্ষায় কাদা পেরিয়ে স্কুলে আসতে বাধ্য হয় শিশুরা। এলাকার বহু ছাত্রছাত্রী উচ্চশিক্ষার জন্য এই এলাকা ছেড়ে বাইরে গিয়েছে শুধুমাত্র খারাপ যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য।
স্থানীয় শিক্ষক সাদিকুল ইসলাম বলেন, অনেক ছাত্র শুখা মরসুমে ঘুরপথে বিদ্যালয়ে এলেও বর্ষায় আসতে পারে না। বিষয়টি পঞ্চায়েত প্রধান ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের জানালেও লাভ হয়নি। জানি না রাস্তার কাজ কবে হবে!
ধরমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান লতিকা মণ্ডল বলেন, ভোটপর্ব মিটলেই আলোচনা করে ওই রাস্তার কাজ করা হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ