


সংবাদদাতা, খড়্গপুর: ১৯৮২ সাল একটানা বিধায়ক। বাম আমলেও সবংয়ের ‘দুর্জয় ঘাঁটি’ আলগা হতে দেননি মানসরঞ্জন ভুঁইয়া। আবারও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী। উচ্ছ্বাস আর উন্মাদনা সবংয়ের তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে। মঙ্গলবার বিকেলে কলকাতা থেকে সবংয়ের তেমাথানিতে পৌঁছান তিনি। আগে থেকেই মিষ্টি আর সবুজ আবির নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। মানসবাবুর গাড়ি পৌঁছাতেই আকাশে সবুজ আবির উড়িয়ে, আতসবাজি ফাটিয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন তাঁরা। মানসবাবু গাড়ি থেকে নামতেই তাঁকে মিষ্টি খাইয়ে বরণ করেন সবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মৌসুমী দত্তদাস, ব্লক তৃণমূলের সভাপতি আবু কালাম বক্স প্রমুখ। এরপরই দেভোগ, দশগ্রাম, দাঁদরা এলাকার তিনটি পথসভায় যোগ দেন মানসবাবু।তিনি বলেন, এমন উন্মাদনা আগে কখনো দেখেনি। আমি ধন্যবাদ জানাই আমাদের নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সবংয়ে এবার তাঁর লড়াই একদা তাঁরই ছায়াসঙ্গী অমল পণ্ডার বিরুদ্ধে। সদ্য বিজেপিতে যোগ দিয়েই প্রার্থী হয়েছেন ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অমল পণ্ডা। বিজেপির প্রার্থী হওয়ার পরই মানসবাবুর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন তিনি। বলেছেন, সবংয়ে ব্যক্তির উন্নয়ন হয়েছে। সামগ্রিক উন্নয়ন হয়নি। সবংয়ে বাম আমলের থেকেও বেশি সন্ত্রাস চলছে। সবংয়ের মানুষ এবার মুক্তি চাইছে বলেও দাবি অমলবাবুর। অতীত-সম্পর্ক এই ভোটে প্রভাব ফেলবে না বলেও তাঁর দাবি। পাল্টা মানসবাবু বলেন, সবংয়ের কী উন্নয়ন হয়েছে, আমি নিজে মুখে বলব না। সবংবাসী জানেন। এ এক বদলে যাওয়া সবং। আরো উন্নয়ন হবে। তৃণমূলের ব্লক সভাপতি আবু কালাম বক্স বলেন, সবংয়ের ঘরের ছেলে, কাছের ছেলে আবারও প্রার্থী হয়েছেন। মা-বোনেরা উচ্ছ্বসিত। শুধুমাত্র উন্নয়নের উপর নির্ভর করেই মানসবাবু রেকর্ড ভোটে জিতবেন।