Bartaman Logo
২৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কসবা অঞ্চলে এটিএমে টাকা রাখতে এসে ৬ লাখ নিয়ে উধাও, ধৃত

এটিএমে টাকা ভরতে এসে সাড়ে ছ’লক্ষের বেশি নিয়ে উধাও হয়ে যায় বেসরকারি সংস্থার কর্মী। সোমবার সকালে ঘটনাটি ঘটে কসবায়।

কসবা অঞ্চলে এটিএমে টাকা রাখতে এসে ৬ লাখ নিয়ে উধাও, ধৃত
  • ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এটিএমে টাকা ভরতে এসে সাড়ে ছ’লক্ষের বেশি নিয়ে উধাও হয়ে যায় বেসরকারি সংস্থার কর্মী। সোমবার সকালে ঘটনাটি ঘটে কসবায়। এটিএমে টাকার পরিমাণ কম দেখানোয় ব্যাংকের সন্দেহ হয়। এটিএমের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে ধরা পড়ে কোম্পানির নিরাপত্তা রক্ষী টাকা সরাচ্ছে। তদন্তে নেমে মাত্র আট ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত বিশ্বজিৎ ঘোষালকে সোমবার রাতেই গ্রেপ্তার করেছে কসবা থানা। 

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কসবার এলাকায় বেসরকারি ব্যাংকের ওই এটিএমে প্রতিদিন সন্ধ্যা বা সকালের দিকে টাকা ভরা হয়। দায়িত্ব রয়েছে একটি বেসরকারি কোম্পানির উপর। নির্দিষ্ট গাড়িতে টাকা আনা হয়। এরজন্য আলাদা কর্মী ও নিরাপত্তা রক্ষী রয়েছেন। টাকা মেশিনে ভরার সময় এটিএমে কারও প্রবেশাধিকার থাকে না। কেবলমাত্র নিরাপত্তা রক্ষী ও কোম্পানির কর্মীরা ভিতরে থাকেন। কসবার ওই এটিএমে সোমবার সকালে টাকা ভরা হয়। কত টাকা ভরা হল তার রেকর্ড অনলাইনে পেয়ে যান ব্যাংকের কর্তারা। তাঁরা নগদ চেক করতে গিয়ে দেখেন, হিসাবে গরমিল হচ্ছে। যে টাকা দেখানোর কথা, তা অ্যাকাউন্টে নেই। এখানেই সন্দেহের সূত্রপাত। দেখা যায় ৬ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা কম ভরা হয়েছে এটিএমে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ টাকা ভরার দায়িত্বে থাকা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে। কারা এসেছিলেন সেই তালিকা নেওয়া হয়। ব্যাংকের আধিকারিক ও বেসরকারি সংস্থার অফিসাররা ওই এটিএম পরীক্ষা করতে যান। দেখা যায়, মেশিন ঠিকই রয়েছে। এটিএমের ভিতর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ঘাঁটতেই ধরা পড়ে, টাকা মেশিনে ঢোকার আগে ভিতরে রাখা হয়েছে। সেখান থেকে টাকা সরাচ্ছে এক কর্মী। সিসি ক্যামেরা দেখে অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়। জানা যায়, তার নাম বিশ্বজিৎ ঘোষাল। তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করে কসবা থানায় ওই বেসরকারি কোম্পানির তরফে বিকেলের দিকে বিশ্বজিতের নামে অভিযোগ করা হয়। তদন্তে নেমে রাত দশটার মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে থানা। মঙ্গলবার অভিযুক্তকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়। সরকারি আইনজীবী সাজ্জাদ আলি খান বলেন, অভিযুক্তকে জেরা করে টাকা উদ্ধার করতে হবে। তাই পুলিশ হেপাজতের প্রয়োজন। সওয়াল শেষে তাকে হেপাজতে পাঠায় আদালত। এর আগেও সে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ