সংবাদদাতা, বনগাঁ: বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ককে ঘিরে পরিবারে অশান্তির জেরে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন গৃহবধূ। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিযুক্ত প্রেমিককে খুঁটিতে বেঁধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে গৃহবধূর পরিবারের বিরুদ্ধে। পরে ওই যুবককে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বনগাঁ থানার ঘাটবাওড় এলাকার বাসিন্দা ওই গৃহবধূর সঙ্গে বাগদার মামাভাগ্নের যুবক তাপস অধিকারীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। পরিবারের দাবি, গৃহবধূকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর কাছ থেকে টাকা, সোনা হাতিয়ে নেয় তাপস। এই সম্পর্কের জেরে গৃহবধূর পরিবারে অশান্তি শুরু হলে মাস দেড়েক আগে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন গৃহবধূ। এখনও তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় তাপসের বিরুদ্ধে বনগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করে গৃহবধূর পরিবার।
এদিকে দীর্ঘদিন প্রেমিকাকে দেখতে না পেয়ে তাপসের মন ব্যাকুল হয়ে ওঠে। শনিবার সকালে প্রেমিকাকে খুঁজতে এলাকায় আসে তাপস। প্রেমিকার বাড়িতে গিয়ে খোঁজ করতেই পরিবারের সদস্যরা তাপসকে চিনতে পারেন। তাঁকে আটকে রাখা হয়। খবর ছড়িয়ে পড়তেই ছুটে আসে এলাকাবাসী। যুবককে রাস্তার ধারে একটি খুঁটিতে বেধে চলে মারধর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বনগাঁ থানার পুলিস। তারাই ওই যুবককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। যদিও গৃহবধূর পরিবারের পক্ষ থেকে যুবককে মারধরের কথা অস্বীকার করা হয়েছে। গৃহবধূর স্বামী বলেন, স্ত্রীর সঙ্গে ওই যুবকের অবৈধ সম্পর্ক ছিল। ওর জন্য স্ত্রী অ্যাসিড খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল। এখনও হাসপাতালে ভর্তি। এদিন ওই যুবক বাড়িতে এলে আমরা আটকে রেখে পুলিসের হাতে তুলে দিয়েছি। এ বিষয়ে স্থানীয় ঘাটবাওড় পঞ্চায়েতের প্রধান আনিসুর জামান মণ্ডল বলেন, গৃহবধূর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। তবে ওই যুবককে মারধর করা ঠিক হয়নি।