Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মূক ও বধির তরুণীকে ধর্ষণে ১৪ বছর কারাদণ্ড

২০১৭ সালে মহেশতলা থানা এলাকায় এক মূক ও বধির তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবককে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ শোনাল আদালত।

মূক ও বধির তরুণীকে ধর্ষণে ১৪ বছর কারাদণ্ড
  • ২৬ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০১৭ সালে মহেশতলা থানা এলাকায় এক মূক ও বধির তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবককে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ শোনাল আদালত। অপরাধীর নাম গোরা শেখ ওরফে রাজা। সোমবার আলিপুরের সপ্তম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক অঞ্জনকুমার সেনগুপ্ত এই আদেশ দিয়েছেন। বিচারক ওই সাজার সঙ্গে দশ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক বছর হাজতবাসের নির্দেশ দেন। এদিন রায় ঘোষণার আগে দোষী সাব্যস্ত যুবক বিচারকের কাছে কম সাজার পক্ষে সওয়াল করে। মামলার বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি সংগীতা বাপুলি আদালতে কড়া সাজার দাবি জানিয়ে বলেন, ‘অপরাধী যে কাজ করেছে, তা ক্ষমার অযোগ্য। তাই আমরা সরকার পক্ষ থেকে কড়া সাজার দাবি জানাচ্ছি।’ উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারক রায় ঘোষণা করেন।  আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালের ৫ মে দুপুরে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা থানা এলাকায়। রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন তরুণীর দুই বউদি। সেই সুযোগে স্থানীয় যুবক গোরা শেখ বাড়িতে ঢুকে মূক‑বধির তরুণীকে ধর্ষণ করে চম্পট দেয়। অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকেন ২২ বছরের তরুণীটি। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবারের তরফে ধর্ষণের অভিযোগ এনে পুলিসে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তার ভিত্তিতে পুলিস তদন্তে নামে। একাধিক তথ্য‑প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিস যুবকটিকে পাকড়াও করা হয়। পরে বিচারকের উপস্থিতিতে তরুণীটি টিআই প্যারেডে একাধিক ব্য঩ক্তির মধ্যে থেকে অভিযুক্ত যুবককে ‘শনাক্ত’ করেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মুখ্য সরকারি কৌঁসুলি শিবনাথ অধিকারী এদিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘অপরাধের গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে ধৃতের জামিনের আর্জি বারবার নাকচ হয়ে যায়। ফলে জেল হেপাজতে রেখেই চলে অপরাধীর বিচার।’   

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ