নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: ভাইয়ের বাইক থেকে ফ্লাইওভার নেমে, সোজা প্ল্যাটফর্মে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন দাদা। মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যমগ্রাম স্টেশনে। গুরুতর জখম অপূর্বকুমার দে কলকাতার পিজি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। দাম্পত্য অশান্তির কারণেই অপূর্ব আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে।
অপূর্বর বাড়ি ঘোলা থানার কদমতলা এলাকায়। বয়স আনুমানিক ৩৫। প্রতিদিন অপূর্ব ও তাঁর ভাই দেবকুমার দে বাইকে চেপে কাজে আসেন মধ্যমগ্রামে। সেখানে একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন তাঁরা। অন্যান্য দিনের মতো এদিনও দুই ভাই বাইকে চেপে আসছিলেন। বাইক চালাচ্ছিলেন দেবকুমার। মধ্যমগ্রাম রেল ওভারব্রিজে ওঠার পরই অপূর্ব বাইক স্লো করতে বলেন ভাইকে। এরপরই বাইক থেকে নেমে পড়েন অপূর্ব। দেব কিছু বুঝে ওঠার আগেই অপূর্ব ফ্লাইওভার থেকে সটান প্ল্যাটফর্মে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
সকালে মধ্যমগ্রাম স্টেশনে অফিস যাত্রী থেকে নিত্যযাত্রীদের ভিড় ছিল। আপ হাসনাবাদ লোকাল মধ্যমগ্রাম স্টেশন ছাড়ার পরই আচমকা রেলব্রিজের উপর থেকে এক যুবক ঝাঁপ দেওয়ায় হকার, ব্যবসায়ী ও ট্রেন ধরতে আসা যাত্রীরা হতচকিত হয়ে পড়েন। তিননম্বর প্ল্যাটফর্মের শুরুতেই একটি চায়ের দোকানের সামনে এসে পড়ে ওই যুবক। পরে মধ্যমগ্রাম স্টেশনের জিআরপিকে খবর দেন। জিআরপি ঘটনাস্থলে আসে। ততক্ষণে অবশ্য ফ্লাইওভারের উপর বাইক রেখে প্ল্যাটফর্মে নেমে আসেন দেবকুমার। তড়িঘড়ি গুরুতর জখম অবস্থায় অপূর্বকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় মধ্যমগ্রামের গ্রামীণ হাসপাতালে। পরে অপূর্বকে রেফার করা হয় কলকাতার পিজি হাসপাতালে। এনিয়ে দেবকুমার বলেন, প্রতিদিন আমি আর দাদা বাইকে করেই কাজে আসি। কিন্তু এদিন কেন এমন করল বুঝলাম না। দাদার দাম্পত্য অশান্তি ছিল। সেই কারণেই হয়তো আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। এদিকে বারাসত জিআরপি জানিয়েছে, বাইকটি উদ্ধার করেছে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ। কী কারণে যুবক ফ্লাইওভার থেকে ঝাঁপ দিয়েছেন, পরিবারের সঙ্গে কথা বলে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।মার্চের মধ্যে কাজ