হায়দরাবাদ: দাম্পত্য কলহ। তার জেরে স্ত্রী, এক মেয়ে ও শ্যালিকাকে খুন করে আত্মঘাতী হলেন এক ব্যক্তি। শনিবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে তেলেঙ্গানার ভিকারাবাদ জেলায়। অভিযুক্তের আর এক মেয়েও গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। প্রশাসন সূত্রে খবর, রাত আড়াইটে-তিনটে নাগাদ ১০০—নম্বরে ফোন করে ঘটনার কথা জানানো হয়। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বচসার কারণেই এই হত্যাকাণ্ড। ইতিমধ্যেই একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করের তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, স্ত্রী, শ্যালিকা, ছোট মেয়ের মতো বড় মেয়েকেও হত্যা করতে চেয়েছিল অভিযুক্ত। কিন্তু, কোনও ক্রমেই সে প্রাণে বেঁচে যায়। তবে মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। হাসপাতালে গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। ওই কিশোরী জানিয়েছে, গত শনিবার বাবা-মায়ের মধ্যে তুমুল ঝামেলা হয়। তারপর মা বাড়ি ছেড়ে চলে যান। পরে মাসিকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন। রাতে সকলে যখন ঘুমাচ্ছিলেন, সেই সময় কাস্তে নিয়ে হামলা চালায় বাবা। প্রথমে মাসিকে খুন করেন তিনি। বাধা দিতে গেলে মায়ের উপরও হামলা চালানো হয়। মা-মাসিকে হত্যার পর বোনকে মারতে যায় বাবা। সেই সময় বলছিল, ওরা মরে গিয়েছে। তোকে আর কে দেখবে? কাস্তের আঘাতে বোনেরও মৃত্যু হয়। ওই কিশোরী আরও জানিয়েছে, প্রাণভয়ে আমি পালিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু, মাথায় আঘাত পাই। পরে প্রতিবেশীদের থেকে জানতে পারি, বাবাও গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।



