নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাংলাদেশ, প্যালেস্টাইন, ভেনেজুয়েলা নিয়ে তারা একসঙ্গে পথে নেমেছিলেন। কিন্তু প্রশ্ন যখন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেই সময় তাদের মতামত ভিন্ন। কথা হচ্ছে, সিপিএম ও সিপিআই (এমএল) লিবারেশনের। ইডির তল্লাশি ও সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা, এই দু’টি বিষয়েই সমালোচনা করেছিল সিপিএম। কিন্তু লিবারেশনের বিবৃতিতে এল না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গ। সিপিএমের কর্মী-সমর্থকদের একাংশ বিষয়টিকে মোটেই ভালো চোখে দেখেননি।
সিপিএমের কর্মী-সমর্থকদের একাংশের দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়েছে লিবারেশন। যদিও লিবারেশন রাজ্য সম্পাদক অভিজিত্ মজুমদারের বক্তব্য, ‘আমরা একেবারেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আড়াল করিনি। আমরা তো রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিকবার পথে নেমেছি। আমি নিজে অভয়া আন্দোলনের সময় গ্রেপ্তার হয়েছি। ভোটের আগে শহরে ইডি আসা আসলে একটা বৃহত্তর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। আমরা সেই বিষয়টা বলার চেষ্টা করেছি। অবিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিকেই টার্গেট করা হচ্ছে।’ এর পাশাপাশি অভিজিতের মত, ‘এর জন্য বাম ঐক্যে ফাটল ধরবে না।’ এই বিষয়ে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘কোন বেড়াল কোন মাছ খেল, কার মাছ নিয়ে গেল, আমাকে জিজ্ঞেস করবেন না।’ এদিন সাংবাদিক সম্মেলন থেকে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সেলিম অভিযোগ তুলে বলেন, ‘অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষ মহিলা, পরিযায়ী শ্রমিনক, মহিলা, মুসলমানদের টার্গেট করা হচ্ছে। এটা এসআইআরের উদ্দেশ্য নয়। এটা কমিশন করতে পারে না। আমরা লিখিতভাবে সিইওর কাছে জমা দিচ্ছি।’