নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম ও সংবাদদাতা, বেলদা: আজ, শনিবার ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে জনসভা করবেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, প্রথমে তিনি কেশিয়াড়ির কুসুমপুরের মাঠে সভা করবেন। তারপর তিনি ঝাড়গ্রামের উদ্দেশে রওনা দেবেন। তৃণমূলনেত্রীর সভা ঘিরে কর্মী সর্মথকদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। তিনি কী বার্তা দেন, তা শোনার অপেক্ষায় রয়েছেন দলের কর্মী সমর্থকরা।
দলীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে কেশিয়াড়ির সভার সময় কিছুটা এগিয়ে আনা হয়েছে। সকাল ১০টা থেকেই সভা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। শুক্রবার বিকালে কুসুমপুরের সভাস্থলে হেলিকপ্টারের ট্রায়াল রান সম্পন্ন হয়। জঙ্গলমহল লাগোয়া এই আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় মুখ্যমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে এখন সাজোসাজো রব। কুসুমপুরের মতো একটি প্রান্তিক জায়গায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রথম আসছেন, তাই তাঁকে একঝলক দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছে সাধারণ মানুষ। সভাস্থলে লোক আনার জন্য ২০০টি বাস ও কয়েকশো ছোটো গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় প্রার্থী রামজীবন মাণ্ডি। শনিবার ভোরে দাঁতনের ঐতিহাসিক মোগলমারি এলাকা থেকে তিনি দৌড় শুরু করবেন। সেখান থেকে অন্ত্রী বড়া, ভসরাঘাট ও কেশিয়াড়ি হয়ে প্রায় ৪০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে তিনি কুসুমপুরের জনসভাস্থলে পৌঁছাবেন। প্রার্থীর এই উদ্যোগ দলীয় কর্মীদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ তৈরি করেছে।
পরে মমতা ঝাড়গ্রামে সভা করবেন। জেলাবাসীর চোখ অরণ্য শহরের জামদা সার্কাস ময়দানে থাকবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তার অপেক্ষায় রয়েছে জঙ্গলমহলের মানুষ। ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূলের সভাপতি দুলাল মুর্মু বলেন, দলনেত্রী জনসভার জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলের সকলস্তরের নেতা-কর্মী জন সভায় যোগ দেবেন। ঝাড়গ্রামে মুখ্যমন্ত্রীর সভার প্রস্তুতি।-নিজস্ব চিত্র