Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আমি মুখে বলি না, করে দেখাই: মমতা

আমি মুখে বলি না, করে দেখাই: মমতা
  • ২২ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

রাজদীপ গোস্বামী, মেদিনীপুর: ‘আমি মুখে বলিনা, করে দেখাই। ইতিমধ্যেই জিন্দাল গোষ্ঠীর কাছে একটি স্কিল ট্রেনিং সেন্টার গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছি। রাজ্য সরকার অনুমতি দেবে। সমস্তরকম সহযোগিতা করা হবে। জিন্দাল গোষ্ঠীর কর্মীরা ছাড়াও স্থানীয় যুবক-যুবতীরা এর মাধ্যমে উপকৃত হবেন।’ সোমবার শালবনীতে পাওয়ার প্লান্টের শিলান্যাস করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্য সচিব মনোজ পন্থ, জেএসডব্লিউ গ্রুপ অফ কোম্পানির চেয়ারম্যান সজ্জন জিন্দাল, ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, ঘাটাল লোকসভার সাংসদ দীপক (দেব) অধিকারী, মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়া সহ একাধিক মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। এদিন মুখ্যমন্ত্রী একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কেরও শিলান্যাস করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা পাঁচশোর বেশি পলিটেকনিক কলেজ চালু করেছি। স্টিল সেক্টরে আমরা দেশের মধ্যে প্রথম। আমরা দশ লক্ষ ছেলেমেয়ের চাকরির ব্যবস্থা করেছি। আমাদের একটি ওয়েবসাইট রয়েছে। সেখানে চাকরিপ্রার্থী ও বিভিন্ন কারখানা নাম-ঠিকানা রয়েছে। আমি মনে করি, আজকে যে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হল, এটি আমাদের বড় সাফল্য।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে বাংলার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিও বদলে যাবে। ইতিমধ্যেই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পক্ষেত্রে দু’ লক্ষ মানুষ কাজ করেন। এই শালবনীতে সিমেন্ট কারখানা হয়েছে। বাংলা এখন দেশের সিমেন্ট হাব। নামিদামি ৩২ টি ইউনিট এখানে কাজ শুরু করেছে। এছাড়া রাজ্যে ৬টি করিডর হচ্ছে। তার মধ্যে অন্যতম ডানকুনি থেকে ঝাড়গ্রাম ও খড়গপুর থেকে মোড়গ্রাম। এর মাধ্যমে রাজ্যের অর্থনীতির বদল হবে। আরও পাঁচটি বড় কোম্পানি আসছে। তারা খুব তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করবে। যাঁরা বলে ,বাংলায় তো কিছুই হয় না। তাঁরা দেখুন।’

Advertisement

এদিন স্কিল ট্রেনিং সেন্টার গড়ে তোলার ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছেন সজ্জন জিন্দাল। প্রায় দশ বছর পর তিনি শালবনীতে আসেন। পরিকাঠামোর উন্নয়ন দেখে মুগ্ধ দেশের বিশিষ্ট শিল্পপতি। তিনি বলেন, ‘বাংলায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট আরও দ্রুত গতিতে বাড়বে। এখানে একটি স্কিল ট্রেনিং সেন্টার বানানো হবে। যেখানে এলাকার যুবক-যুবতীদের ট্রেনিং দেওয়া হবে। কাজ শিখে এই এলাকার মানুষ বিশ্বের নানা দেশে গিয়ে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবেন। একইসঙ্গে মা বাবা ও পরিবারের জন্য টাকাও পাঠাতে পারবেন তাঁরা। আমরা খুব তাড়াতাড়ি এই বিষয়ে কাজ করব। এই রাজ্যের যে এলাকায় আপনি যাবেন, সেখানেই উন্নয়ন দেখতে পাবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘পাওয়ার প্লান্টের কাজ কৃষকদের জমিতে তৈরি হয়েছে। লাভবান আপনারা হবেন। এই এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান হবে।’
এদিন দুপুরে দুটো নাগাদ শালবনীতে শিলান্যাস অনুষ্ঠানে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই অনুষ্ঠানে এলাকার সাধারণ মানুষ ও জমি হারা কমিটির সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। জানা গিয়েছে, শালবনীতে ৮০০ মেগাওয়াট করে দুটি পাওয়ার প্লান্ট হবে। এই প্রকল্পের জন্য জিন্দালরা খরচ করছেন ১৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এছাড়া হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক।
শালবনীর বাসিন্দা ও জমি হারা কমিটির সদস্য আদিত্য মাহাত বলেন, ‘আমরা চাই স্থানীয়দের চাকরি হোক। এখানকার বহু বেকার যুবক-যুবতী কাজ পাওয়ার আশায় রয়েছেন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ