রাজদীপ গোস্বামী, মেদিনীপুর: ‘আমি মুখে বলিনা, করে দেখাই। ইতিমধ্যেই জিন্দাল গোষ্ঠীর কাছে একটি স্কিল ট্রেনিং সেন্টার গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছি। রাজ্য সরকার অনুমতি দেবে। সমস্তরকম সহযোগিতা করা হবে। জিন্দাল গোষ্ঠীর কর্মীরা ছাড়াও স্থানীয় যুবক-যুবতীরা এর মাধ্যমে উপকৃত হবেন।’ সোমবার শালবনীতে পাওয়ার প্লান্টের শিলান্যাস করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্য সচিব মনোজ পন্থ, জেএসডব্লিউ গ্রুপ অফ কোম্পানির চেয়ারম্যান সজ্জন জিন্দাল, ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, ঘাটাল লোকসভার সাংসদ দীপক (দেব) অধিকারী, মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়া সহ একাধিক মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। এদিন মুখ্যমন্ত্রী একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কেরও শিলান্যাস করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা পাঁচশোর বেশি পলিটেকনিক কলেজ চালু করেছি। স্টিল সেক্টরে আমরা দেশের মধ্যে প্রথম। আমরা দশ লক্ষ ছেলেমেয়ের চাকরির ব্যবস্থা করেছি। আমাদের একটি ওয়েবসাইট রয়েছে। সেখানে চাকরিপ্রার্থী ও বিভিন্ন কারখানা নাম-ঠিকানা রয়েছে। আমি মনে করি, আজকে যে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হল, এটি আমাদের বড় সাফল্য।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে বাংলার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিও বদলে যাবে। ইতিমধ্যেই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পক্ষেত্রে দু’ লক্ষ মানুষ কাজ করেন। এই শালবনীতে সিমেন্ট কারখানা হয়েছে। বাংলা এখন দেশের সিমেন্ট হাব। নামিদামি ৩২ টি ইউনিট এখানে কাজ শুরু করেছে। এছাড়া রাজ্যে ৬টি করিডর হচ্ছে। তার মধ্যে অন্যতম ডানকুনি থেকে ঝাড়গ্রাম ও খড়গপুর থেকে মোড়গ্রাম। এর মাধ্যমে রাজ্যের অর্থনীতির বদল হবে। আরও পাঁচটি বড় কোম্পানি আসছে। তারা খুব তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করবে। যাঁরা বলে ,বাংলায় তো কিছুই হয় না। তাঁরা দেখুন।’



