Bartaman Logo
২৬ জুন, ২০২৬

বাংলায় ফের ক্ষমতায় ফিরছেন মমতাই, ভবিষ্যদ্বাণী কংগ্রেসের, ‘বিজেপি নেতাদের বাড়ির মহিলারাও তৃণমূলে ভোট দিয়েছেন’

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনি প্রচারে গিয়ে রাহুল গান্ধী যতই তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করে আসুন না কেন, বাংলায় ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই সরকারে ফিরছেন বলে বৃহস্পতিবার ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ করল কংগ্রেস।

বাংলায় ফের ক্ষমতায় ফিরছেন মমতাই, ভবিষ্যদ্বাণী কংগ্রেসের, ‘বিজেপি নেতাদের বাড়ির মহিলারাও তৃণমূলে ভোট দিয়েছেন’
  • ১ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব সংবাদাতা, নয়াদিল্লি:  পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনি প্রচারে গিয়ে রাহুল গান্ধী যতই তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করে আসুন না কেন, বাংলায় ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই সরকারে ফিরছেন বলে বৃহস্পতিবার ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ করল কংগ্রেস। কোনো রাখঢাক না রেখেই পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত এআইসিসি ইনচার্জ গুলাম মির বললেন, ‘নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী সহ বিজেপি পুরো পশ্চিমবঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ঠিকই। তবে ওসব হাওয়াবাজিতে ভোট হয় না। সোমবার ৪ মে ভোটের ফলাফলে তৃণমূল একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবেই জিতবে।’ 

Advertisement

মির আরো বলেন, ‘তৃণমূল সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে মহিলারা উপকৃত। বাংলার ভোটারদের ৫০ শতাংশ মহিলা। তার ৬০ শতাংশ ভোটার চোখ বুজে সোজা তৃণমূলে ভোট দিয়েছেন। হয়ত দেখা যাবে, বিজেপি নেতাদের বাড়ির মহিলারাও তৃণমূলে ভোট দিয়েছেন। শহর হোক বা গ্রাম, মহিলাদের ভোট পেয়েছে তৃণমূলই। বিজেপি পুরো শক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে, ভোটারদের অনেক লোভ দেখিয়েছে বটে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এবার অত্যন্ত সচেতন হয়ে ভোট দিয়েছেন।’ 
নিজে কংগ্রেসের ইনচার্জ। তবুও পশ্চিমবঙ্গে যে কংগ্রেস অত্যন্ত দুর্বল, তাও স্বীকার করে নিয়েছেন গুলাম মির। বলেছেন, ‘বাংলায় বামেরা খতম। কংগ্রেসও জিরো। সংগঠন বলে কিছুই নেই। তবুও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। সেই কারণেই এবার ভোটে তৃতীয় শক্তি হিসেবে নিজেদের তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। সেদিক নিয়ে তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তি সবার আগে।’ 
মিরের এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন, তবে কি বিজেপি বিরোধী জোট অটুট রাখতে ভোট মিটতেই ‘সহযোদ্ধা’র বার্তা দিতে চাইছে কংগ্রেস? দলীয় সূত্রে খবর, ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরেই দিল্লিতে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ বৈঠক ডাকতে চলেছে কংগ্রেস। সংসদ থেকে সড়ক, আগামীতে জোট অটুট রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচির পরিকল্পনা চলছে। সম্প্রতি সংসদে সংবিধান সংশোধন বিল আটকে দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে চাঙা বিজেপি বিরোধীরা। 
অন্যদিকে, অসমে সরকারে আসার ক্ষেত্রে ‘সন্দেহ’ থাকলেও কেরলে এবার কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ ক্ষমতায় আসছে বলেই একপ্রকার নিশ্চিত মল্লিকার্জুন খাড়্গের দল। তাই কে হতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী? দলের অন্দরে শুরু হয়ে গিয়েছে দৌড়। দলের পুরনো নেতা তথা প্রয়াত রাজীব গান্ধীর ঘনিষ্ঠ রমেশ চেন্নিথালাকে অনেকেরই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পছন্দ। আবার বর্তমান বিরোধী দলনেতা ভি ডি সতীশনেরও পাল্লা ভারী হচ্ছে।  
এরমধ্যে রাহুল গান্ধীর মন মজিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হতে চাইছেন কেরলের সাংসদ তথা এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কে সি বেণুগোপাল। সংসদীয় দলে তাঁর কোনো পদ নেই। তবুও লোকসভার রাহুল নিজের ঠিক বাঁ পাশের আসনটি দিয়েছেন বেণুগোপালকে। তাঁর প্রতি রাহুল কৃতজ্ঞ। কারণ, কেরলে প্রথমে তাঁকে, এখন বোন প্রিয়াঙ্কাকে লোকসভায় জিতে আসার ক্ষেত্রে বেণুগোপাল সাহায্য করেছেন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ