পুনে: গুরুতর আহত হলেও বেঁচে আছে কেতন। উদ্ধারকারীর কাছে এমন কথা শুনে স্বস্তি পায়নি সিয়া। বরং ঘাবড়ে গিয়েছিল সে। পুনের কেতন আগরওয়াল হত্যাকাণ্ডে এমনটাই জানিয়েছেন লোহাগড় দূর্গের এক কর্মচারী। অন্যদিকে এক নিরাপত্তারক্ষী জানিয়েছেন, চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে যান তিনি। কিন্তু ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে নির্বিকার ছিলেন সিয়া।
রাহুল নামে এক কর্মচারী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘রক্তাক্ত অবস্থায় ওই যুবককে আমরা উদ্ধার করি। আমি নিশ্চিত ছিলাম ওঁর মৃত্যু হয়েছে। যুবকের সঙ্গী তরুণীকে ভরসা দিতেই বেঁচে থাকার কথা বলেছিলাম।’ রাহুল জানিয়েছেন, কেতনের বেঁচে থাকার খবর শুনে সিয়ার প্রতিক্রিয়ায় হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। আতঙ্কে কেঁপে উঠেছিল ওই তরুণী। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল সে টেনশনে রয়েছে। অন্যদিকে ওই দূর্গের এক নিরাপত্তাকর্মী জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলের কাছেই ছিলেন তিনি। যুবকের চিৎকার শুনে ছুটে আসেন তিনি। তখন সিয়া তাঁকে বলে, ‘এখান থেকে কেউ একটা পড়ে গিয়েছে।’ নিরাপত্তারক্ষীর দাবি, কেতনের সঙ্গে সম্পর্কের কথা লুকিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কোনো তথ্য দিয়েও সহযোগিতা করেনি সে। পুলিশ সূত্রে খবর, ব্যবসায়ী-পুত্র কেতন আগরওয়াল খুনের মাস্টারমাইন্ড কে তা জানতে দুই অভিযুক্তকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। সিয়া ও চেতন দু’জনই একে অপরকে দায়ী করছে। চেতনের বক্তব্য, পালিয়ে গিয়ে নতুন জীবন শুরু করতে চেয়েছিল সে। কিন্তু সিয়া খুনের সিদ্ধান্তে অবিচল ছিল। পালটা অভিযুক্ত তরুণীর দাবি, খুনের পরিকল্পনা করেছিল চেতনই। ঘটনায় নীরজ নামে চেতনের এক বন্ধুকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্যদিকে, কেতনের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হওয়ার আগে থেকেই চেতনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল সিয়ার। যুবতীর পরিবারও সেকথা জানত। পরিবারের অনুমতি নিয়ে বিয়ে করতে চেয়েছিল তারা। তা মেনে নিতে চায়নি সিয়ার বাবা-মা।