সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: অনাস্থা ভোটে প্রধান ও উপপ্রধান অপসারিত হওয়ার পর নতুন নেতৃত্ব পেল হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের বরুই গ্রাম পঞ্চায়েত। শুক্রবার পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে নতুন প্রধান ও উপপ্রধান নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। নতুন প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন তৃণমূলের মমতা পারভীন। উপপ্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন সিপিএমের মহম্মদ সোহেল।
পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৬ আসনের বরুই গ্রাম পঞ্চায়েতে অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ছিলেন সিপিএমের ২, কংগ্রেসের ৬, তৃণমূলের ৫ এবং নির্দলের ১ জন সদস্য। অর্থাৎ ১৪ জন সদস্য অনাস্থার পক্ষে ছিলেন। গত ২ সেপ্টেম্বর কংগ্রেসের প্রধান রাজীব খান এবং ৩ সেপ্টেম্বর সিপিএমের উপপ্রধান প্রণয় দত্তের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়। ভোটাভুটিতে দু’জনকেই তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করা হয়। এর দু’সপ্তাহ পর শুক্রবার নতুন প্রধান ও উপপ্রধান নির্বাচনের জন্য সভা বসে। পঞ্চায়েত সূত্রের দাবি, এদিন সদস্যদের অবস্থানে কিছুটা পরিবর্তন দেখা যায়। সিপিএমের এক সদস্য নতুন বোর্ডের পক্ষে না থেকে প্রাক্তন প্রধান রাজীব খানের পক্ষে অবস্থান নেন। ফলে নতুন বোর্ডের পক্ষে ১৩ জন এবং রাজীব খানের পক্ষে ১১ জন সদস্যের সমর্থন ছিল বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের দুই পঞ্চায়েত সদস্য কোনো পক্ষেই অবস্থান নেননি। তাঁরা এদিনের বোর্ড গঠনের সভাতেও উপস্থিত ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত ১৩ জন সদস্যের সমর্থনে মমতা পারভীন প্রধান এবং মহম্মদ সোহেল উপ প্রধান নির্বাচিত হন। নতুন বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেজন্য পঞ্চায়েত চত্বরে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নেওয়ার পর পঞ্চায়েতের উন্নয়নমূলক কাজ কীভাবে এগিয়ে যায়, এখন সেদিকেই নজর স্থানীয়দের।