নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: আমের শহর মালদহ। পাশাপাশি জেলার পরিচিতি বাড়ছে বিখ্যাত কিছু মিষ্টির জন্য। কানসাট এবং রসকদম্বের খ্যাতি রয়েছে। বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য পূরণে প্রশাসন এবং মালদহ মার্চেন্টস চেম্বার অব কমার্সের উদ্যোগে জিআই (জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন) এর জন্য পাঠানো হয়েছে কানসাট, রসকদম্বের নাম।
মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শে এখানে এখন তৈরি হচ্ছে আমের রসগোল্লা, সন্দেশ থেকে শুরু করে দই, আইসক্রিমও। এবার স্বল্প সময়ে অধিক পরিমাণ এবং বেশিদিন তাজা থাকবে এমন মিষ্টি তৈরির কথা ভাবছে মালদহ মার্চেন্টস চেম্বার অফ কমার্স। সেই লক্ষ্যে সোমবার জেলা প্রশাসন ও জেলা শিল্পকেন্দ্রের উদ্যোগে বিশেষ কর্মশালা ও মিষ্টি মেলা হল। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি) দেবহুতি ইন্দ্র। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রীর তরফ থেকে আমরা যে কোনও প্রকল্পের জন্য সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
মালদহ মার্চেন্টস চেম্বার অব কমার্সের সাধারণ সম্পাদক উত্তম বসাক বলেন, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মালদহ সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীদের নিয়ে আধুনিক মেশিনের সাহায্যে মিষ্টি তৈরির প্রশিক্ষণ শিবির ও মিষ্টি মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ছানা থেকে শুরু করে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এবং সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে কীভাবে মিষ্টি তৈরি হচ্ছে, তা এখানে দেখানো হয়।
এদিন সকাল এগারোটা নাগাদ মালদহ মার্চেন্টস চেম্বার অব কমার্সের সভাকক্ষে মিষ্টি মেলা ও কর্মশালা শুরু হয়। যেখানে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে এবং মালদহ জেলার মিষ্টান্ন ব্যাবসায়ীদের নিয়ে ভালো মানের মিষ্টি. তৈরি, মেয়াদ কীভাবে বাড়ানো যায় এবং মেশিনের সাহায্যে অধিক উৎপাদন করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলে। কলকাতা, বর্ধমান, দুই মেদিনীপুর, নদীয়া, কোচবিহার থেকেও বহু মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী এবং কারিগর এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন।
উত্তম বসাক আরও বলেন, অতিরিক্ত জেলাশাসকের কাছে অনুরোধ, যেন বিনামূল্যে মেশিন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। সেই সঙ্গে ক্লাস্টার করে আধুনিক পদ্ধতিতে মিষ্টি তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়ার অনুরোধও করছি। - নিজস্ব চিত্র