নিশিকান্তর বিরুদ্ধে আপত্তিকর পোস্ট মুছতে রাজি মহুয়া
  • ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেকে ফেক ডিগ্রি কিসম কি আদমি বলেছিলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। মঙ্গলবার আদালতে সাংসদের আইনজীবী জানান,  তাঁর মক্কেল দুবে সম্পর্কিত আপত্তিকর পোস্টগুলি এক্স হ্যান্ডল থেকে সরিয়ে দিতে রাজি আছেন। মহুয়ার পাশাপাশি একটি পডকাস্টে দুবেকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন প্রাক্তন অর্থসচিব সুভাষ গর্গ। মঙ্গলবার ওই বিতর্কিত শব্দটি মিউট বা ব্লক করতে গর্গকে নির্দেশ দিল দিল্লি হাইকোর্ট। গর্গের আইনজীবীও তাতে সম্মত হয়েছেন। 

Advertisement

মহুয়ার সঙ্গে নিশিকান্তর বিবাদ বহু পুরনো। বিজেপি সাংসদের অভিযোগের ভিত্তিতেই ২০২৩ সালে মহুয়ার সাংসদ পদ বাতিল হয়েছিল। নিশিকান্তর অভিযোগ ছিল ব্যবসায়ী বন্ধু দর্শন হীরানন্দানির কাছ থেকে নগদ অর্থ এবং দামি উপহার নিয়ে তাঁকে সংসদের ওয়েবসাইটের পাসওয়ার্ড দেন মহুয়া। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁর সাংসদ পদ খারিজ করে এথিক্স কমিটি। 
নিশিকান্ত দুবের দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে সুভাষ গর্গ ও মহুয়া মৈত্রকে সমন পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারপতি তুষার রাও গেদেলা। নিশিকান্ত তাঁর বিরুদ্ধে মানহানিকর মন্তব্য করা থেকে তাঁদের স্থায়ী ও বাধ্যতামূলকভাবে বিরত রাখার আবেদন জানান। পাশাপাশি, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া এবং দু’কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও তোলেন তিনি।
এরপরই সুভাষ গর্গ ও মহুয়া মৈত্রকে তাঁদের জবাব জমা দিতে বলেছে দিল্লি হাইকোর্ট। মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা সংশ্লিষ্ট বিষয়বস্তু আর ছড়াবেন না কি না, তাও জানতে চান বিচারপতি। শুনানির সময় বিচারপতি বলেন, নিশিকান্ত এবং সুভাষ দুজনেই সম্মানিত ব্যক্তি। তাই পডকাস্টে সুভাষ গর্গের এমন ‘অসংযত শব্দ’ ব্যবহার করা উচিত হয়নি। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ‘ব্ল্যাকমেলিং’ শব্দটি অবমাননাকর এবং কারও সম্পর্কে এই শব্দটি ব্যবহার করা যায় না। তাই স্রেফ ওই শব্দটি ব্লক করে দিন। এরপরই সুভাষ গর্গের আইনজীবী আদালতকে আশ্বাস দেন, পডকাস্টের সঞ্চালককে ওই মানহানিকর শব্দ ও বাক্যাংশগুলি মিউট করার ব্যবস্থা করবেন। অন্যদিকে, মহুয়া মৈত্রের আইনজীবীও জানান, নিশিকান্তকে  ‘ভুয়ো ডিগ্রির মানুষ’ বলে যে পোস্ট করা হয়েছিল, তা সরিয়ে নেওয়া হবে।