Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

মাহি একমেবাদ্বিতীয়ম...মত প্রণব রায় ও ঋদ্ধিমান সাহার

কথায় বলে চল্লিশ পেরোলেই চালশে। মহেন্দ্র সিং ধোনির ক্ষেত্রে এই যুক্তি একেবারেই খাটে না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও দস্তানা হাতে উইকেটের পিছনে আজও সমান ক্ষীপ্র তিনি।

মাহি একমেবাদ্বিতীয়ম...মত প্রণব রায় ও ঋদ্ধিমান সাহার
  • ৭ জুলাই, ২০২৫ ১৬:০৭
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কথায় বলে চল্লিশ পেরোলেই চালশে। মহেন্দ্র সিং ধোনির ক্ষেত্রে এই যুক্তি একেবারেই খাটে না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও দস্তানা হাতে উইকেটের পিছনে আজও সমান ক্ষীপ্র তিনি। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ব্যাট হাতে নামলে উদ্বেলিত হয়ে ওঠে গ্যালারি। তৈরি হয়, ‘মাহি মার রাহা হ্যায়’ শব্দব্রহ্ম। হেলিকপ্টার শটে বল মাঠের বাইরে পাঠানোর মতোই এমএসডি বলে দিতে পারেন, বয়স শুধুই সংখ্যামাত্র। সোমবার ৪৪ বছরে পা রাখছেন ধোনি।

Advertisement

২০০৪ সালে দেশের জার্সি গায়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাত্রা শুরু। জোড়া বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, পাঁচটা আইপিএল ট্রফি জেতার পরেও খিদে একটুও কমেনি। তিনি এক বহমান ক্রিকেট সভ্যতা। তাঁর নেতৃত্বে সাফল্যের শিখর স্পর্শ করেছে টিম ইন্ডিয়া। অধিনায়ক হিসেবে সর্বকালের সেরাদের তালিকায় প্রথম সারিতেই থাকবেন তিনি। অথচ ভারতীয় দলে ধোনির সুযোগ পাওয়া কম নাটকীয় নয়! স্মৃতির পাতা উল্টে প্রাক্তন জাতীয় নির্বাচক প্রণব রায় বলছিলেন, ‘সালটা ২০০৩-০৪। তখন আমি জাতীয় নির্বাচক। আমরা একজন তরুণ উইকেটরক্ষকের খোঁজ করছিলাম, যে চালিয়েও খেলতে পারে। নির্বাচক কমিটির বৈঠকে ধোনির কথা বলি। কিন্তু সেভাবে কেউ আগ্রহ দেখায়নি। তার একটা কারণ বিহার তখন প্লেট গ্রুপের দল। আর পূর্বাঞ্চলে ধোনি প্রথম কিপারও নন। অনেক লড়াইয়ের পর শেষ পর্যন্ত ওকে দলীপ ফাইনালে মোহালিতে দীপ দাশগুপ্তর জায়গায় খেলানো হয়। ওপেন করতে নেমে আশিস নেহরার প্রথম ওভারেই ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে জাতীয় নির্বাচকদের নজর কাড়ে। এরপর ভারতীয় ‘এ’ দলের হয়ে ওকে পাঠানো হয় কেনিয়ায়। সেখানেও সেঞ্চুরি করে প্রতিভার পরিচয় রাখে। ২০০৩ বিশ্বকাপের পর বাংলাদেশ সফরে দ্রাবিড়, শচীনরা যায়নি। সুযোগ এল ধোনির সামনে। তবে তেমন কিছু করতে পারেনি। তারপর ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজ, ২০০৫। বিখাশাপত্তনমে তিনে নেমে ঝোড়ো ১৪৮ রানের ইনিংসে বুঝিয়ে দিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শাসন করতে এসেছে ধোনি। বাকিটা ইতিহাস...। আমার চোখে ধোনি একমেবদ্বিতীয়ম।
একই সুর শোনা গেল ঋদ্ধিমান সাহার গলাতেও। ভারতের এক সময়রে নির্ভরযোগ্য উইকেটকিপার বললেন, ‘সাফল্যই বলে দেয় ধোনি কত বড় মাপের ক্রিকেটার ও ক্যাপ্টেন। ওর ঝুলিতে যা রয়েছে, তা আর কারও নেই। তবুও ওকে অনেকেই সর্বকালের সেরা মানতে চায় না। তাহলে তো পরিসংখ্যানগুলোই ভুল ধরে নিতে হয়!’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ