Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মেদিনীপুরে লোকনাথ ব্রহ্মচারীর বাৎসরিক পুজো ঘিরে উন্মাদনা

মেদিনীপুরে লোকনাথ ব্রহ্মচারীর বাৎসরিক পুজো ঘিরে উন্মাদনা
  • ৪ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: মেদিনীপুর শহরের লালদিঘি পশ্চিমপাড় এলাকায় লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার বাৎসরিক পুজো ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে। এদিনের পুজোয় ভক্তদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সোমবার পুজোর উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন মেদিনীপুর পুরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সৌরভ বসু।

Advertisement

পুজো উপলক্ষ্যে সোমবার সকালে মন্দির কমিটির তরফে বসে আঁকো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সেই প্রতিযোগিতায় বহু স্কুল পড়ুয়া অংশ নেয়। বিকেলে উদ্বোধনের পর পুরস্কার বিতরণ করা হয়। মঙ্গলবার রাত-ভোর নিষ্ঠা সহকারে পুজো হয়। আজ, বুধবার মন্দির কমিটির তরফে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষের ভিড় হবে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা। বৃহস্পতিবার মন্দির কমিটির তরফে ভোগ বিতরণ করা হবে। প্রায় আড়াই হাজার মানুষের জন্য ভোগের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এই পুজোর জন্য সারা বছর অপেক্ষায় থাকেন এলাকার বাসিন্দারা। এই পুজোর শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল নামে চোখে পড়ার মতো।
জনপ্রতিনিধি তথা মন্দির কমিটির সভাপতি সৌরভ বসু বলেন, সকলের সহযোগিতা ছাড়া এত বড় মাপের অনুষ্ঠান করা সম্ভব ছিল না। লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবা খুবই জাগ্রত। সকলেই ভক্তি সহকারে পুজোয় অংশ নেন। আগামী দিনে পুজোর পরিধি আরও বাড়বে বলে আশাবাদী। সকলকে পুজোয় আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ২০বছর আগে লালদিঘি এলাকায় লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ছোট একটি মন্দির তৈরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দা মোহিত দাস, জগন্নাথ দাস, ঝাড়েশ্বর চালক, রবিন সাঁতরা, কাশীনাথ দোলই সহ বিশিষ্টজনেরা মন্দিরটি তৈরি করেন। তবে, বর্তমানে মন্দিরের আকার ও আকৃতি বৃদ্ধি পেয়েছে। একইসঙ্গে  বেড়েছে মন্দিরের জনপ্রিয়তাও। মন্দির কমিটির সম্পাদক অমিত সাউ বলেন, মন্দিরের জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখানে নিষ্ঠা সহকারে পুজোর আয়োজন করা হয়। পুজোর সময়ও দু’হাজার ভক্তের সমাগম হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও প্রচুর মানুষ আসে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মন্দির কমিটির সদস্যরা সারা বছর ধরেই বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত থাকেন। তাঁদের উদ্যোগে রক্তদান, বস্ত্রদান শিবিরের আয়োজন করা হয়ে থাকে। এরফলে উপকৃত হন বহু দুঃস্থ মানুষ। করোনা পরিস্থিতির সময়ও সাধারণ মানুষকে মন্দির কমিটির সদস্যরা নানাভাবে সহযোগিতা করেছিলেন।
মন্দির কমিটির কোষাধ্যক্ষ তীর্থঙ্কর সাঁতরা বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের কর্তব্য। মানুষের বিপদে মন্দির কমিটির সদস্যরা ঝাঁপিয়ে পড়েন। একতাই আমাদের মূল মন্ত্র। তার উপর নির্ভর করেই নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ