Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

ভোজশালা মন্দিরই, রায় ঘোষণা মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের

বিতর্কিত ভোজশালা মন্দির ও কামাল মৌলা মসজিদ মামলায় রায় ঘোষণা করল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। ওই স্থান সরস্বতী মন্দিরই, এদিন রায়ে জানিয়ে দিল আদালত। জানা গিয়েছে, মধ্যপ্রদেশের ধার জেলায় অবস্থিত এই ভোজশালার ভিতরেই রয়েছে একটি মন্দির।

ভোজশালা মন্দিরই, রায় ঘোষণা মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের
  • ১৫ মে, ২০২৬ ১৮:২৭
Prefer us on Google

ইন্দোর, ১৫মে: বিতর্কিত ভোজশালা মন্দির ও কামাল মৌলা মসজিদ মামলায় রায় ঘোষণা করল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। ওই স্থান সরস্বতী মন্দিরই, এদিন রায়ে জানিয়ে দিল আদালত। জানা গিয়েছে, মধ্যপ্রদেশের ধার জেলায় অবস্থিত এই ভোজশালার ভিতরেই রয়েছে একটি মন্দির। তার পাশেই আবার আছে কামাল মৌলা মসজিদও। এই চত্বর নিয়ে দীর্ঘদিনের গোলমাল। হিন্দুরা এটিকে সরস্বতীর মন্দির বলে দাবি করেন। অন্যদিকে, সেখানে একটি সৌধ থাকায় ইলসাম ধর্মের মানুষরা এই স্থান মসজিদের বলে দাবি করে বসেন। মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারপতি বিজয়কুমার শুক্লা, আলোক আওয়াস্তির বেঞ্চে এই সংক্রান্ত ৫টি মামলা এবং রিট পিটিশনের শুনানি শুরু হয়। 

Advertisement

হিন্দুদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল পারমার রাজবংশের রাজা ভোজের আমলে তৈরি এই ভোজশালা মন্দির। যেটি আদতে দেবী সরস্বতীর উপাসনার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল। বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ করে বসে মুসলিম ধর্মের মানুষরাও। এরপর আদালতের নির্দেশে সেখানে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া সমীক্ষা চালায়। ৯৮ দিন পর দুই হাজার পাতার রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়। তাতে দেখা যায়, ওই স্থানটি পারমার আমলেই তৈরি এবং সেটি মন্দিরই। মেলে একাধিক মূর্তিও। এছাড়া সমীক্ষায় যে সকল তথ্য, শিলালিপি এবং মুদ্রা মেলে তা থেকেও সেই স্থান মন্দির বলেই প্রমাণিত হয়। তবে মুসলিমদের তরফে এই সমীক্ষাকে পক্ষপাতদুষ্ট বলেও দাবি করা হয়েছে। 

এরপর দীর্ঘদিন ধরে চলা সেই মামলায় আজ, শুক্রবার মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এই মামলার রায় দান করে। ভোজশালা চত্বরকে মন্দির হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ফলে এই ভোজশালার নিয়ন্ত্রণ রইল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া বা এএসআইয়ের হাতেই। এর আগে মুসলিম ধর্মের মানুষদের এখানে প্রার্থনার অনুমতি দিয়েছিল এএসআই। সেটিও আজ বাতিল করা হয়েছে। শুধুমাত্র হিন্দুরাই এখানে প্রার্থনা করতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে। তবে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষরা মসজিদ তৈরির জন্য রাজ্য সরকারের কাছে জমি চাইতেই পারেন বলেও জানিয়েছে আদালত। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ