কেরিয়ারের প্রথম দক্ষিণ ভারতীয় ছবিতেই একেবারে ভিন্ন ধারার চরিত্র পেয়েছেন। নায়িকা হিসেবে এই সুযোগ হাতছাড়া করার নয়। হাতছাড়া করেনওনি তিনি। অর্থাৎ মধুমিতা সরকার। মুক্তির অপেক্ষায় তাঁর প্রথম তেলুগু ছবি ‘মায়া লেডি’। ২০২২-এ ভারতের নানা প্রান্তে শ্যুটিং হয়েছিল। সুযোগ এসেছিল কীভাবে? ‘তখন ‘চিনি’ সিনেমা হলে রিলিজ করেছে। আমি ‘কুলের আচার’-এর শ্যুটিং করছি। প্রযোজনা সংস্থা থেকেই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তারপর চিত্রনাট্য পড়লাম। আমার চরিত্রকে যেমন মিষ্টি দেখতে লাগে, তেমন সবসময় নয়’— বললেন মধুমিতা।
দক্ষিণ ভারতীয় ছবিতে বাংলা ইন্ডাস্ট্রি থেকে অনেকেই কাজ করেছেন। সেই তালিকায় এবার যোগ হল মধুমিতার নাম। তবে সংলাপ ডাবিং করে দেওয়া নয়, রীতিমতো তেলুগু ভাষার চর্চা করতে হয়েছিল তাঁকে। মধুমিতার কথায়, ‘আমাকে ভাষা শিখতে হয়েছে। অ্যাকশন সিকোয়েন্সের জন্যও ট্রেনিং নিয়েছিলাম।’ বাংলার পাশাপাশি এবার জাতীয় স্তরে দর্শকের আশীর্বাদ পাওয়ার অপেক্ষা। দুই ইন্ডাস্ট্রির কাজের ধরনের মধ্যে পার্থক্য কোথায়? মধুমিতা বলেন, ‘ওখানে দর্শক সংখ্যা অনেক বেশি। বাজেটও বেশি। একটা ঘটনা মনে পড়ছে। একটা অ্যাকশন সিকোয়েন্স ২৪ ঘণ্টা ধরে শ্যুটিং করার পর পরিচালকের মনে হয়েছিল, দৃশ্যটা আরও ভালো হতে পারে। সেট পরিবর্তন করে ওই দৃশ্যের শ্যুটিং আবার করা হয়েছিল। বাজেট থাকার কারণে সময় দেওয়া গিয়েছিল।’ টলিউডে কম সময়ে কম বাজেটে যে পারফরম্যান্স দেন শিল্পী ও কলাকুশলীরা তা দক্ষতা না থাকলে সম্ভব হত না, মত তাঁর। আপাতত ‘মায়া লেডি’র অপেক্ষায় রয়েছেন মধুমিতা। তাঁর কেরিয়ারে এই ছবির জার্নি স্পেশাল হয়ে থাকবে।
স্বরলিপি ভট্টাচার্য