নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: মহম্মদবাজারের ম্যানেজারপাড়ায় মা ও দুই সন্তানকে খুনের ঘটনার প্রায় ১১দিন পর মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে এল ফরেন্সিক টিম। টিমের চারজন সদস্য ঘটনাস্থল থেকে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেন। সেইসঙ্গে ওই বাড়ির একাধিক ছবি সহ বেশকিছু নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। জেলার পুলিস সুপার আমনদীপ বলেন, ফরেন্সিক টিমের সদস্যরা এসেছিলেন। তাঁরা বেশকিছু নমুনা সংগ্রহ করেছেন। ঘটনার তদন্ত চলছে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২০ফেব্রুয়ারি রাতে লক্ষ্মী মার্ডি ও তাঁর দুই সন্তান খুন হয়েছিল। পরদিন সকালে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই মহম্মদবাজার থানার পুলিস তদন্ত শুরু করে। ১২ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্ত নয়ন বিত্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে আশ্রয় দেওয়ায় এক বন্ধুকেও গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস খুনের ঘটনায় একাধিক তথ্য জানতে পারে।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, দু’জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেইসঙ্গে টাকাপয়সা সংক্রান্ত সমস্যাও ছিল। তার জেরেই লক্ষ্মী ও তাঁর দুই সন্তানকে খুন হতে হয়েছে। যদিও ধৃত নয়ন প্রেমের সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেছিল। আদালতের বাইরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তার দাবি, টাকাপয়সা সংক্রান্ত সমস্যা ছিল। সেই ঘটনায় তদন্তের জাল গোটাতে শুরু থেকেই পুলিস তৎপর হয়ে উঠেছিল। সম্প্রতি ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থল থেকে তাঁরা একাধিক নমুনাও সংগ্রহ করেছিলেন। এদিন ফরেন্সিক টিমের সদস্যরা প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। যে ঘরের ভিতরে খুনের ঘটনা ঘটেছিল, সেখান থেকে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ঘরের বাইরে থেকে মাটির নমুনাও সংগ্রহ করা হয়। ওই বাড়ির একাধিক ছবিও তোলা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, ধৃতদের জেরা করে উঠে আসা তথ্যের সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া নমুনা মিলিয়ে দেখা হবে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র ঘটনাস্থলেই লুকিয়ে রাখা ছিল। ধৃতদের জেরা করে ঘরের ভিতর থেকে তা উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, দু’জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেইসঙ্গে টাকাপয়সা সংক্রান্ত সমস্যাও ছিল। তার জেরেই লক্ষ্মী ও তাঁর দুই সন্তানকে খুন হতে হয়েছে। যদিও ধৃত নয়ন প্রেমের সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেছিল। আদালতের বাইরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তার দাবি, টাকাপয়সা সংক্রান্ত সমস্যা ছিল। সেই ঘটনায় তদন্তের জাল গোটাতে শুরু থেকেই পুলিস তৎপর হয়ে উঠেছিল। সম্প্রতি ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থল থেকে তাঁরা একাধিক নমুনাও সংগ্রহ করেছিলেন। এদিন ফরেন্সিক টিমের সদস্যরা প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। যে ঘরের ভিতরে খুনের ঘটনা ঘটেছিল, সেখান থেকে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ঘরের বাইরে থেকে মাটির নমুনাও সংগ্রহ করা হয়। ওই বাড়ির একাধিক ছবিও তোলা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, ধৃতদের জেরা করে উঠে আসা তথ্যের সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া নমুনা মিলিয়ে দেখা হবে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র ঘটনাস্থলেই লুকিয়ে রাখা ছিল। ধৃতদের জেরা করে ঘরের ভিতর থেকে তা উদ্ধার করা হয়েছে।



