সুমন রায়, রায়গঞ্জ: বেহাল রাস্তা। দীর্ঘদিন সংস্কার নেই। তার জেরে রায়গঞ্জের বরুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মাড়িয়া গ্রামে চলাচলে ব্যাপক সমস্যা দেখা দিয়েছে। বেহাল রাস্তার কারণে জরুরি পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। সোমবার সন্ধ্যায় এলাকায় আগুন লাগলেও বেহাল রাস্তায় দমকলের গাড়ির চাকা গর্তে ফেঁসে যায়। ফলে এলাকার বাসিন্দা আনোয়ার হুসেনের খড়ের গাদায় আগুন লাগলেও দমকল ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পারেনি। শুধু তাই নয়, মাড়িয়া গ্রাম থেকে কেউ ফোন করে অ্যাম্বুল্যান্স চাইলে চালকরা আগেই মানা করে দেন। এই বেহাল রাস্তার জন্য অ্যাম্বুল্যান্স চালকরা গ্রামমুখো হন না।
Advertisement
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার অস্তিত্ব থাকলেও সেটি বেহাল। ফলে যাতয়াতে সমস্যা হচ্ছে। প্রায় আড়াই কিমি রাস্তার এই বেহাল দশা। বর্ষাকালে কাঁচা রাস্তা ডোবার আকার নেয়। বহুবার প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানালেও রাস্তা নিয়ে তারা কোনও পদক্ষেপ করেনি বলে অভিযোগ। প্রশাসনের ‘বাবুরা’ বড় গাড়ি চড়ে যাতায়াত করেন বলে গ্রামবাসীর এই সমস্যাকে গুরুত্ব দেন না বলেই এদিন অভিযোগ করলেন অনেকে। মুস্তাফা কামাল নামে স্থানীয় বাসিন্দা জানান, জরুরিভিত্তিতে কোনও সমস্যা হলে বেহাল রাস্তার কারণে আমরা পরিষেবা পাই না। এমনকি মাড়িয়া গ্রামের নাম শুনলে কোনও অ্যাম্বুল্যান্সও আসে না। এই গ্রামে চার হাজার মানুষের বসবাস। কিন্তু প্রশাসন আজ পর্যন্ত রাস্তা তৈরি করেনি। এর আগেও একাধিকবার আগুন লেগেছে। তবুও রাস্তা তৈরির ব্যাপারে কেউ উদ্যোগ নেয়নি।
রাকিব আলম নামে এক বাসিন্দা বলেন, একটি সেতু ছিল। সেটাও ভেঙে গিয়েছে। এলাকার পড়ুয়ারা স্কুল,কলেজে যেতে পারে না। হাটে বাজারে যেতে সমস্যা হয়। অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটে। নেতা, মন্ত্রীরা অনেকবার প্রতিশ্রুতি দিলেও কাজ করেননি।
যদিও বরুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ভবানন্দ বর্মন বলেন, কয়েকবার রাস্তাটি তৈরির জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে শেষমেষ করা হয়নি। কর্তৃপক্ষকে বিষয়টিকে জানিয়েছি। দ্রুত পথশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে ওই রাস্তাটি করা যায় কি না সেই ব্যবস্থা করছি। বেহাল এই রাস্তা নিয়ে রায়গঞ্জের বিডিও শরণ তামাং বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন বলে জানান।
রাকিব আলম নামে এক বাসিন্দা বলেন, একটি সেতু ছিল। সেটাও ভেঙে গিয়েছে। এলাকার পড়ুয়ারা স্কুল,কলেজে যেতে পারে না। হাটে বাজারে যেতে সমস্যা হয়। অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটে। নেতা, মন্ত্রীরা অনেকবার প্রতিশ্রুতি দিলেও কাজ করেননি।
যদিও বরুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ভবানন্দ বর্মন বলেন, কয়েকবার রাস্তাটি তৈরির জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে শেষমেষ করা হয়নি। কর্তৃপক্ষকে বিষয়টিকে জানিয়েছি। দ্রুত পথশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে ওই রাস্তাটি করা যায় কি না সেই ব্যবস্থা করছি। বেহাল এই রাস্তা নিয়ে রায়গঞ্জের বিডিও শরণ তামাং বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন বলে জানান।



