সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে পুরাতন মালদহ শহরের শরৎচন্দ্র মার্কেটের নির্মাণ কাজের জন্য পুরসভাকে আরও ১ কোটি টাকা দেবেন ব্যবসায়ীরা। চুক্তি অনুযায়ী কাজ এগিয়ে গেলে ধাপে ধাপে ব্যবসায়ীরা বাকি টাকা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন। শহরে দ্বিতল মার্কেট হচ্ছে। সেখানে নীচে প্রায় তিনশো স্টল হবে। সেই স্টলগুলির জন্য কোনও লটারি হবে না। আগে যাঁদের দোকান ছিল, তাঁরাই পুনর্বাসন পাবেন। মার্কেটের নীচের তলার দোকানঘর বণ্টনে পুরসভা হস্তক্ষেপ করবে না। তবে দ্বিতলে যে ২৫০ দোকান তৈরি হবে, সেগুলি বণ্টনে লটারি করবে পুরসভা। তবে সেই স্টল বণ্টনে কবে লটারি হবে? তার দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি। পুরাতন মালদহ পুরসভার চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষের কথায়, মার্কেটের নীচের তলার ঘর বণ্টনে লটারি হবে না। আগের ব্যবসায়ীরা দোকান পাবেন। শুধু উপর তলার ঘরগুলির জন্য লটারি হবে।
Advertisement
১৯৭৬ সালে তৈরি হওয়া শরৎচন্দ্র মিনি মার্কেটটি ১৯৯৫ সালে পুরসভার আওতায় আসে। তার আগে মঙ্গলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে ছিল। বহু পুরনো মার্কেটটি ভগ্নদশায় ছিল। চলতি বছরের ১ মার্চ নতুন করে নির্মাণ শুরু হয়। সেই কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে মার্কেটের নতুন ভবন তৈরি করছে পুরসভা। শরৎচন্দ্র মার্কেটের কোষাধ্যক্ষ জীবন সাহা বলেন, এর আগে আমরা ১ কোটি টাকা দিয়েছি। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে মধ্যে আরও ১ কোটি আমরা দেব।
শরৎচন্দ্র মার্কেটের কোষাধ্যক্ষের সংযোজন, আমরা দোকান ভেঙে অস্থায়ী মার্কেটে খুব কষ্টে রয়েছি। ইঁদুরের উৎপাত খুব। ব্যবসায়ীরা দ্রুত কাজ শেষের দাবি জানিয়েছেন। মার্কেটে পৃথকভাবে মাছের এবং মাংসের দোকান হবে। পাশে পুরসভা পার্কিং ব্যবস্থা করবে। পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, এই মার্কেট বহুবছর জরাজীর্ণ ছিল। তা ভেঙে আধুনিক মার্কেট তৈরি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে মার্কেটের নতুন ভবন তৈরি করছে পুরসভা। শরৎচন্দ্র মার্কেটের কোষাধ্যক্ষ জীবন সাহা বলেন, এর আগে আমরা ১ কোটি টাকা দিয়েছি। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে মধ্যে আরও ১ কোটি আমরা দেব।
শরৎচন্দ্র মার্কেটের কোষাধ্যক্ষের সংযোজন, আমরা দোকান ভেঙে অস্থায়ী মার্কেটে খুব কষ্টে রয়েছি। ইঁদুরের উৎপাত খুব। ব্যবসায়ীরা দ্রুত কাজ শেষের দাবি জানিয়েছেন। মার্কেটে পৃথকভাবে মাছের এবং মাংসের দোকান হবে। পাশে পুরসভা পার্কিং ব্যবস্থা করবে। পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, এই মার্কেট বহুবছর জরাজীর্ণ ছিল। তা ভেঙে আধুনিক মার্কেট তৈরি হচ্ছে।



