তারক চক্রবর্তী, শিলিগুড়ি: ‘যাত্রীসাথী’ অ্যাপে নথিভুক্ত হয়ে কর্মসংস্থানের খোঁজে ঝুঁকছেন শিলিগুড়ির বিভিন্ন এলাকার বাইক, ছোট গাড়ির চালকরা। মাত্র ছ’মাসের ব্যবধানে যাত্রীসাথী অ্যাপে রেজিস্টার হয়েছে ৭৬০০টি বাইক ও ছোট গাড়ি। প্রতিদিন ওসব গাড়ি পেতে পাহাড়-সমতলে গড়ে ৬০০টি বুকিং আসছে। যার ফলে বেসরকারি অ্যাপের তুলনায় সরকারি সংস্থার এই অ্যাপের উপর পর্যটক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের ভরসা যে বাড়ছে তা স্পষ্ট। আর এতেই যুবসমাজের একাংশ সংশ্লিষ্ট অ্যাপে চালকের কাজ করে নিজেদের স্বাবলম্বী করতে উৎসাহ দেখাচ্ছেন।
Advertisement
শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (ট্রাফিক) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, যাত্রীসাথী অ্যাপের মাধ্যমে পর্যটকরা ভালো সুবিধা পাচ্ছেন। সমস্ত বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করছে পুলিস। যাত্রী-চালক দু’পক্ষের উপর নজর রাখা সম্ভব হচ্ছে।
উল্লেখ্য, রাজ্য পরিবহণ দপ্তরের সহযোগিতায় গতবছর জুলাই মাসে চালু হয় যাত্রীসাথী ক্যাব পরিষেবা। শিলিগুড়ির পর ধাপে ধাপে উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও এমন অ্যাপ পরিষেবা চালু করা হবে। শিলিগুড়িতে দু’ধরনের পরিষেবা আছে। একটা হল স্পেশাল জোন। অপরটি ওপেন মার্কেট। শিলিগুড়ি জংশন স্টেশন সংলগ্ন এলাকা, নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন ও বাগডোগরা বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকাকে স্পেশাল জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই তিনটি পয়েন্ট থেকে অ্যাপ ক্যাব বুক করা যাচ্ছে। যেকোনও জায়গায় যায় এসব গাড়ি। এমনকী কেউ যদি এই ক্যাব নিয়ে পাহাড়ে যেতে চান সেটাও করতে পারছেন।
এদিকে, শিলিগুড়ি শহরে আসার পরে যাঁরা ভাবছেন পাহাড়ে বেড়াতে যাবেন তাঁদের ক্ষেত্রে সব থেকে বড় চাপ হল গাড়ি ভাড়া করা। কারণ দেখা যায় পর্যটকদের কাছ থেকে যেমন খুশি ভাড়া চাওয়া হয়। তবে যাত্রীসাথী অ্যাপের ক্ষেত্রে অন্তত সমস্যা কিছুটা হলেও মিটছে বলেও আশা করছে পুলিস। শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যাওয়ার জন্য তাঁদের নির্দিষ্ট ভাড়া দিতে হচ্ছে। তার বেশি নেওয়া যাবে না। এর জেরে যাত্রী ও গাড়ি চালকের মধ্যে সেই চিরাচরিত সমস্যাটা কিছুটা হলেও মিটছে।
পুলিসের দাবি, সেই আশা বর্তমানে ঠিক বলেই প্রমাণিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে এই অ্যাপের মাধ্যমে এনজেপি, শিলিগুড়ি জংশন ও বাগডোগরা এলাকায় প্রায় ১৫০০ ছোট চারচাকা গাড়ির চালক নিজেদের নাম রেজিস্ট্রার করেছেন। প্রায় ৬১০০টি বাইক, স্কুটার বিভিন্ন এলাকা থেকে রেজিস্টার করেছে। প্রত্যেক চালকের পরিচয়, গাড়ির নথি দেখে রেজিস্টার করতে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও একাধিক পদ্ধতিতে পুলিসের তরফে নজরদারি রাখা হচ্ছে। যাত্রী ও চালকদের মধ্যে বিবাদও কমেছে। এর পাশাপাশি কোনও যাত্রী যদি নিজেদের সামগ্রী ভুলে যান তাহলে দ্রুত ট্র্যাক করে সেই সকল সামগ্রী ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থাও করছে পুলিস। ইতিমধ্যে এই ধরনের একাধিক ঘটনায় যাত্রীদের হাতে তাঁদের সামগ্রী ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জানান ডিসিপি (ট্রাফিক)।
উল্লেখ্য, রাজ্য পরিবহণ দপ্তরের সহযোগিতায় গতবছর জুলাই মাসে চালু হয় যাত্রীসাথী ক্যাব পরিষেবা। শিলিগুড়ির পর ধাপে ধাপে উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও এমন অ্যাপ পরিষেবা চালু করা হবে। শিলিগুড়িতে দু’ধরনের পরিষেবা আছে। একটা হল স্পেশাল জোন। অপরটি ওপেন মার্কেট। শিলিগুড়ি জংশন স্টেশন সংলগ্ন এলাকা, নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন ও বাগডোগরা বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকাকে স্পেশাল জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই তিনটি পয়েন্ট থেকে অ্যাপ ক্যাব বুক করা যাচ্ছে। যেকোনও জায়গায় যায় এসব গাড়ি। এমনকী কেউ যদি এই ক্যাব নিয়ে পাহাড়ে যেতে চান সেটাও করতে পারছেন।
এদিকে, শিলিগুড়ি শহরে আসার পরে যাঁরা ভাবছেন পাহাড়ে বেড়াতে যাবেন তাঁদের ক্ষেত্রে সব থেকে বড় চাপ হল গাড়ি ভাড়া করা। কারণ দেখা যায় পর্যটকদের কাছ থেকে যেমন খুশি ভাড়া চাওয়া হয়। তবে যাত্রীসাথী অ্যাপের ক্ষেত্রে অন্তত সমস্যা কিছুটা হলেও মিটছে বলেও আশা করছে পুলিস। শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যাওয়ার জন্য তাঁদের নির্দিষ্ট ভাড়া দিতে হচ্ছে। তার বেশি নেওয়া যাবে না। এর জেরে যাত্রী ও গাড়ি চালকের মধ্যে সেই চিরাচরিত সমস্যাটা কিছুটা হলেও মিটছে।
পুলিসের দাবি, সেই আশা বর্তমানে ঠিক বলেই প্রমাণিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে এই অ্যাপের মাধ্যমে এনজেপি, শিলিগুড়ি জংশন ও বাগডোগরা এলাকায় প্রায় ১৫০০ ছোট চারচাকা গাড়ির চালক নিজেদের নাম রেজিস্ট্রার করেছেন। প্রায় ৬১০০টি বাইক, স্কুটার বিভিন্ন এলাকা থেকে রেজিস্টার করেছে। প্রত্যেক চালকের পরিচয়, গাড়ির নথি দেখে রেজিস্টার করতে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও একাধিক পদ্ধতিতে পুলিসের তরফে নজরদারি রাখা হচ্ছে। যাত্রী ও চালকদের মধ্যে বিবাদও কমেছে। এর পাশাপাশি কোনও যাত্রী যদি নিজেদের সামগ্রী ভুলে যান তাহলে দ্রুত ট্র্যাক করে সেই সকল সামগ্রী ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থাও করছে পুলিস। ইতিমধ্যে এই ধরনের একাধিক ঘটনায় যাত্রীদের হাতে তাঁদের সামগ্রী ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জানান ডিসিপি (ট্রাফিক)।



