নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: ট্যাবের টাকা গায়েবের ঘটনায় বাংলা সহ বিভিন্ন রাজ্যে ১৮০টি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করল ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। যার মধ্যে বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা ও ছত্তিসগড়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এখনও টাকা পড়ে আছে। সেই টাকা উদ্ধার করার চেষ্টা করছে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। টাকা ফেরাতে ইতিমধ্যেই ভিনরাজ্যের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে চিঠি।
Advertisement
পুলিস, জেলা প্রশাসন, শিক্ষা দপ্তর ও ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, ছাত্রছাত্রীদের ট্যাব কেনার টাকা গায়েবের ঘটনায় শিক্ষা দপ্তর মোট ১৯২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তালিকা দিয়েছিল জেলার লিড ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে। ইতিমধ্যেই সেই তালিকা ধরে ১৮০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবারের মধ্যে বাকি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিও ফ্রিজ করে দেওয়া হবে।
মালদহ জেলার লিড ব্যাঙ্ক ম্যানেজার অমিতাভ কীর্তনিয়া বলেন, আমাদের যে ১৯২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তালিকা দেওয়া হয়েছিল, সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে সেই তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছি। সেখান থেকে ইতিমধ্যে ১৮০টি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। এবার আমরা চেষ্টা করছি কোন অ্যাকাউন্টে কত টাকা রয়েছে সেটা চিহ্নিত করা। ওই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ট্রানজাকশন আইডিও চিহ্নিত করা হচ্ছে। তারপর সেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের যাবতীয় তথ্য আমরা পুলিসকে দিয়ে দেব।
এদিকে বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলির মধ্যে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ অ্যাকাউন্ট থেকে এখনও টাকা তোলা হয়নি। যে অ্যাকাউন্টগুলিতে ট্যাব কেনার টাকা ঢোকানো হয়েছে, সেগুলির মধ্যে ১৩টি অ্যাকাউন্ট ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা এবং ছত্তিসগড়ের। জেলার লিড ব্যাঙ্ক ম্যানেজার বুধবার আরও বলেন, এর মধ্যে থেকে ৭টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ঝাড়খণ্ডের। বাকি ৫টি ছত্তিসগড় ও একটি ওড়িশার। ওই সমস্ত রাজ্যের ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে চিঠি করা হয়েছে। টাকা উদ্ধার হয়ে গেলেই সেই টাকা সরকারকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বৈষ্ণবনগরের বাসিন্দা আরও এক যুবককে পুলিস জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। তার বাড়িতে রয়েছে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের গ্রাহক সহায়তা কেন্দ্র। ট্যাবের টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে পাঠানোর সঙ্গে তার যোগ আছে কি না,খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
জেলা পুলিস সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, এই ধরনের ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষীদের কড়া শাস্তি হবে।
জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক বাণীব্রত দাসের আশা, তদন্ত যেভাবে চলছে, দ্রুত এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা সবাই ধরা পড়বে।
মালদহ জেলার লিড ব্যাঙ্ক ম্যানেজার অমিতাভ কীর্তনিয়া বলেন, আমাদের যে ১৯২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তালিকা দেওয়া হয়েছিল, সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে সেই তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছি। সেখান থেকে ইতিমধ্যে ১৮০টি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। এবার আমরা চেষ্টা করছি কোন অ্যাকাউন্টে কত টাকা রয়েছে সেটা চিহ্নিত করা। ওই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ট্রানজাকশন আইডিও চিহ্নিত করা হচ্ছে। তারপর সেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের যাবতীয় তথ্য আমরা পুলিসকে দিয়ে দেব।
এদিকে বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলির মধ্যে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ অ্যাকাউন্ট থেকে এখনও টাকা তোলা হয়নি। যে অ্যাকাউন্টগুলিতে ট্যাব কেনার টাকা ঢোকানো হয়েছে, সেগুলির মধ্যে ১৩টি অ্যাকাউন্ট ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা এবং ছত্তিসগড়ের। জেলার লিড ব্যাঙ্ক ম্যানেজার বুধবার আরও বলেন, এর মধ্যে থেকে ৭টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ঝাড়খণ্ডের। বাকি ৫টি ছত্তিসগড় ও একটি ওড়িশার। ওই সমস্ত রাজ্যের ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে চিঠি করা হয়েছে। টাকা উদ্ধার হয়ে গেলেই সেই টাকা সরকারকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বৈষ্ণবনগরের বাসিন্দা আরও এক যুবককে পুলিস জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। তার বাড়িতে রয়েছে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের গ্রাহক সহায়তা কেন্দ্র। ট্যাবের টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে পাঠানোর সঙ্গে তার যোগ আছে কি না,খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
জেলা পুলিস সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, এই ধরনের ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষীদের কড়া শাস্তি হবে।
জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক বাণীব্রত দাসের আশা, তদন্ত যেভাবে চলছে, দ্রুত এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা সবাই ধরা পড়বে।



