নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: কলকাতায় নেতাজি ইন্ডোরে আজ, বৃহস্পতিবার সাংগঠনিক সভায় দলের নেতা-কর্মীদের বার্তা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সভার পরই ছাত্র, যুব, মহিলা, আইএনটিটিইউসি এবং দলে রদবদল হবে। সেই রদবদলের প্রাক্কালে পূর্ব মেদিনীপুরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পৃথক সাইবার সেল গঠন নিয়ে সংগঠনের মধ্যে কোন্দল তুঙ্গে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি ‘তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের আশীর্বাদে’ সংগঠনের সাইবার সেল গড়া হচ্ছে বলে তাঁর ঘনিষ্ঠরা প্রচার করছেন। তমলুক সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে ওই সেল গড়া হয়েছে। তৃণমূল ছাত্র নেতাদের অনেকের বক্তব্য, দলের পৃথক আইটি সেল রয়েছে। তার মুখ হলেন দেবাংশু ভট্টাচার্য। ওই সেলের কর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় দলের হয়ে প্রচার করেন। রদবদলের প্রাক্কালে টিএমসিপি সাইবার সেল আসলে পৃথক একটি গোষ্ঠী তৈরির কৌশল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বাদ দিয়ে যেভাবে তৃণাঙ্কুরের নাম ব্যবহার করে এই সেল গড়া হচ্ছে তাতে প্রশ্ন থাকছেই।
Advertisement
এবিষয়ে টিএমসিপির রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য বলেন, সংগঠনের সাইবার সেল কার্যত একটি ফ্যানস পেজ। এতে আমার কোনও সই নেই। সংগঠনের ভালো দিক তুলে ধরার লক্ষ্যে কেউ কেউ এটি বানিয়ে প্রচার করছেন। তাতে আমি আপত্তি জানাইনি। এটি গঠনের পিছনে আমার কোনও ভূমিকা নেই। এটি মোটেও দল কিংবা ছাত্র সংগঠন স্বীকৃত নয়।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট ২১টি ডিগ্রি এবং দু’টি পলিটেকনিক কলেজে রয়েছে। ২০১৭সাল থেকে কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়নি। এই অবস্থায় টিএমসিপি নেতাদের বিভিন্ন সাব কমিটিতে রেখে ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়। এই জেলায় তৃণমূল ছাত্র সংগঠনে যুযুধান দু’টি গোষ্ঠীতে বিভাজিত। জেলার একচেটিয়া কলেজের ছাত্র ইউনিয়নের রাশ এই মুহূর্তে জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তম বারিক ঘনিষ্ঠ ছাত্র নেতাদের কব্জায়। সভাধিপতি ঘনিষ্ঠ ছাত্র নেতাদের বিপরীত মেরুতে রয়েছেন টিএমসিপি-র তমলুক ও কাঁথি সাংগঠনিক জেলার দুই সভাপতি যথাক্রমে প্রসেনজিৎ দে এবং শতদল বেরা। এই অবস্থায় দুই সাংগঠনিক জেলায় রদবদলের সম্ভাবনা থাকায় কৌশলে তৃণাঙ্কুরের নাম ব্যবহার করে সাইবার সেল গড়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।
মহারাজা নন্দকুমার মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের প্রাক্তন জিএস লক্ষ্মীকান্ত অধিকারী ও কাঁথি সাংগঠনিক জেলার ছাত্র নেতা শেখ সাজিদ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বাদ দিয়ে তৃণাঙ্কুরের নাম নিয়ে সাইবার সেল সত্যিই অবাক করার মতো ঘটনা। এটা দল কিংবা সংগঠনকে মজবুত করার লক্ষ্য নয়, বরং একটা গোষ্ঠী তৈরি করতে বানানো হচ্ছে। সারাবছর ধরে সংগঠনের জেলা সভাপতিরা কর্মসূচি নেন না। ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে আন্দোলনে নেই। এখন রদবদলের সম্ভাবনা তৈরি হতেই পৃথক সেল গঠন করে একটা লবি তৈরির জোর চেষ্টা হচ্ছে। আমরা এনিয়ে ছাত্রছাত্রীদের অবগত করছি।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট ২১টি ডিগ্রি এবং দু’টি পলিটেকনিক কলেজে রয়েছে। ২০১৭সাল থেকে কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়নি। এই অবস্থায় টিএমসিপি নেতাদের বিভিন্ন সাব কমিটিতে রেখে ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়। এই জেলায় তৃণমূল ছাত্র সংগঠনে যুযুধান দু’টি গোষ্ঠীতে বিভাজিত। জেলার একচেটিয়া কলেজের ছাত্র ইউনিয়নের রাশ এই মুহূর্তে জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তম বারিক ঘনিষ্ঠ ছাত্র নেতাদের কব্জায়। সভাধিপতি ঘনিষ্ঠ ছাত্র নেতাদের বিপরীত মেরুতে রয়েছেন টিএমসিপি-র তমলুক ও কাঁথি সাংগঠনিক জেলার দুই সভাপতি যথাক্রমে প্রসেনজিৎ দে এবং শতদল বেরা। এই অবস্থায় দুই সাংগঠনিক জেলায় রদবদলের সম্ভাবনা থাকায় কৌশলে তৃণাঙ্কুরের নাম ব্যবহার করে সাইবার সেল গড়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।
মহারাজা নন্দকুমার মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের প্রাক্তন জিএস লক্ষ্মীকান্ত অধিকারী ও কাঁথি সাংগঠনিক জেলার ছাত্র নেতা শেখ সাজিদ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বাদ দিয়ে তৃণাঙ্কুরের নাম নিয়ে সাইবার সেল সত্যিই অবাক করার মতো ঘটনা। এটা দল কিংবা সংগঠনকে মজবুত করার লক্ষ্য নয়, বরং একটা গোষ্ঠী তৈরি করতে বানানো হচ্ছে। সারাবছর ধরে সংগঠনের জেলা সভাপতিরা কর্মসূচি নেন না। ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে আন্দোলনে নেই। এখন রদবদলের সম্ভাবনা তৈরি হতেই পৃথক সেল গঠন করে একটা লবি তৈরির জোর চেষ্টা হচ্ছে। আমরা এনিয়ে ছাত্রছাত্রীদের অবগত করছি।



