সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: প্রাক্তন সাংসদ দশরথ তির্কি কি ফের তৃণমূলে ফিরছেন? এই নেতার ঘনিষ্ঠ মহলে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে এমনই গুঞ্জন। দশরথবাবু অবশ্য এই গুঞ্জন উড়িয়ে দলেও তিনি তাৎপর্যপূর্ণভাবে বলছেন, আমার এখন ৫৮ বছর বয়স। শরীর স্বাস্থ্য ভালো থাকলেও মনটা আগের মতো ভালো নেই।
Advertisement
কুমারগ্রাম বিধানসভা থেকে বাম শরিক আরএসপির টিকিটে জিতে চা বাগানের ছেলে দশরথবাবু একাধিকবার পূর্তদপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী হন। ২০১১ সালে বামেরা রাজ্যপাট হারানোর পর দশরথবাবু তৃণমূলে নাম লেখান। ২০১৪ সালের আলিপুরদুয়ার লোকসভা আসন থেকে জয়ী হন। যদিও উনিশের লোকসভা ভোটে বিজেপির জন বারলার কাছে প্রায় আড়াই লক্ষ ভোটে হেরে যান তিনি। ওই হার থেকেই দশরথবাবুর রাজনৈতিক জীবনে বিপর্যয় নেমে আসে।
উপায় না পেয়ে একুশের বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে দশরথবাবু ফের দল বদল করেন। এবার যোগ দেন গেরুয়া শিবিরে। বিজেপির এসসিএসটি সেলের রাজ্য সহ সভাপতি পদ পান দশরথবাবু। ওই পদের পাশাপাশি নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্র থেকে দশরথবাবুকে ছ’জন দেহরক্ষীও দেওয়া হয়। কিন্তু বিজেপিতে তেমন কল্কে পাননি তিনি। সেজন্য চব্বিশের ভোটের পরে বিজেপির ওই পদ থেকে ইস্তফা দেন। যদিও তাঁর ইস্তফাপত্র এখনও দল গ্রহণ করেনি। শুধু তাই নয়, তিনদিন আগে দশরথবাবুর দেহরক্ষীও তুলে নেওয়া হয়।
গেরুয়া শিবিরে সুবিধা করতে না পেরে দশরথবাবু এখন ধর্মকর্মে মন দিয়েছেন। দিনভর কৃষ্ণ নামে বিভোর থাকেন। মাঝে মাঝে হরিদ্বার, কাশী, প্রয়াগ ও বৃন্দাবনে তীর্থও করতে যান। তাহলে কি বিজেপির প্রতি মোহভঙ্গ হয়েছে দশরথবাবুর? তার জন্যই কি ‘মন ভালো নেই’ প্রাক্তন এমপির? আর সেজন্যই কি তৃণমূলে পা বাড়িয়েছেন?
এই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে দশরথবাবু বলেন, রাজনীতি অনেক করলাম। এমএলএ-মন্ত্রী-এমপি সব পাওয়া হয়ে গিয়েছে। তবে মনটা ভালো নেই। । তৃণমূলে না ফিরলেও ওই দলের অনেকের সঙ্গেই আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক এখনও অটুট। ফোনেও কথা হয়। তৃণমূলে খোলা হাওয়া আছে।
এবিষয়ে তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান মৃদুল গোস্বামী বলেন, দশরথ সহজ সরল আমুদে মানুষ। ওঁর সঙ্গে এখনও ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়ে গিয়েছে। ফোনে কথা হয়। দশরথ তৃণমূলে ফিরবে কি না তা জানি না। সময়ই সেটা বলবে।
এ নিয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি এমপি মনোজ টিগ্গা বলেন, এটা ঠিক দশরথবাবু দলের কাজে এখন অনেক নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। তবে আমাদের বিশ্বাস তিনি তৃণমূলে আর যাবেন না।
উপায় না পেয়ে একুশের বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে দশরথবাবু ফের দল বদল করেন। এবার যোগ দেন গেরুয়া শিবিরে। বিজেপির এসসিএসটি সেলের রাজ্য সহ সভাপতি পদ পান দশরথবাবু। ওই পদের পাশাপাশি নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্র থেকে দশরথবাবুকে ছ’জন দেহরক্ষীও দেওয়া হয়। কিন্তু বিজেপিতে তেমন কল্কে পাননি তিনি। সেজন্য চব্বিশের ভোটের পরে বিজেপির ওই পদ থেকে ইস্তফা দেন। যদিও তাঁর ইস্তফাপত্র এখনও দল গ্রহণ করেনি। শুধু তাই নয়, তিনদিন আগে দশরথবাবুর দেহরক্ষীও তুলে নেওয়া হয়।
গেরুয়া শিবিরে সুবিধা করতে না পেরে দশরথবাবু এখন ধর্মকর্মে মন দিয়েছেন। দিনভর কৃষ্ণ নামে বিভোর থাকেন। মাঝে মাঝে হরিদ্বার, কাশী, প্রয়াগ ও বৃন্দাবনে তীর্থও করতে যান। তাহলে কি বিজেপির প্রতি মোহভঙ্গ হয়েছে দশরথবাবুর? তার জন্যই কি ‘মন ভালো নেই’ প্রাক্তন এমপির? আর সেজন্যই কি তৃণমূলে পা বাড়িয়েছেন?
এই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে দশরথবাবু বলেন, রাজনীতি অনেক করলাম। এমএলএ-মন্ত্রী-এমপি সব পাওয়া হয়ে গিয়েছে। তবে মনটা ভালো নেই। । তৃণমূলে না ফিরলেও ওই দলের অনেকের সঙ্গেই আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক এখনও অটুট। ফোনেও কথা হয়। তৃণমূলে খোলা হাওয়া আছে।
এবিষয়ে তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান মৃদুল গোস্বামী বলেন, দশরথ সহজ সরল আমুদে মানুষ। ওঁর সঙ্গে এখনও ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়ে গিয়েছে। ফোনে কথা হয়। দশরথ তৃণমূলে ফিরবে কি না তা জানি না। সময়ই সেটা বলবে।
এ নিয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি এমপি মনোজ টিগ্গা বলেন, এটা ঠিক দশরথবাবু দলের কাজে এখন অনেক নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। তবে আমাদের বিশ্বাস তিনি তৃণমূলে আর যাবেন না।



