নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ নম্বরে ফোন করে পাঁশকুড়ার বহু বিজেপি নেতা-কর্মী আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির টাকা পেলেন। তালিকায় বিজেপির পঞ্চায়েত প্রধানের ভাশুর, পঞ্চায়েত সদস্য, সদস্যার স্বামী, দেওর আছেন। পাঁশকুড়া ব্লকে ২৫৬৭জনের অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির ৬০হাজার টাকা ঢোকা শুরু হয়েছে। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী নম্বরে ফোন করা যোগ্য উপভোক্তাদের প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকা শুরু হয়েছে। যোগ্য উপভোক্তা চিহ্নিত করার কাজে রাজনৈতিক পরিচয় কোনওভাবে ফ্যাক্টর হয়নি। যেকারণে গ্রামীণ এলাকায় বিজেপি নেতারাও আবাসের টাকা পাচ্ছেন।
Advertisement
পাঁশকুড়া ব্লকের হাউর পঞ্চায়েতের বিজেপির প্রধান ছন্দা জানা মণ্ডলের ভাশুর উত্তম মণ্ডল সক্রিয় বিজেপি কর্মী। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী নম্বরে ফোন করায় উপভোক্তা হিসেবে উত্তমবাবু প্রথম কিস্তির ৬০হাজার টাকা পাচ্ছেন। উত্তমবাবুর ভাই তথা প্রধানের স্বামী গৌতম মণ্ডল বলেন, আমার দাদার কাঁচা বাড়ি। কিন্তু, আমার বাড়ির একটা অংশকে দেখিয়ে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। তাই সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী নম্বরে ফোন করে আবাস যোজনায় নাম তোলার আবেদন করেছিল। সেইমতো আবাস তালিকায় নাম এন্ট্রি হয়।
হাউর পঞ্চায়েতের ছানাগড় বুথের বিজেপির নির্বাচিত সদস্য বিকাশ বাগ। তিনিও সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী নম্বরে ফোন করে আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির টাকা পেয়েছেন। বিকাশবাবুর রাজনৈতিক পরিচয় প্রকল্পের সুবিধা পেতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। বরং অন্যদের আগেই তিনি বাড়ি বানানোর টাকা পাচ্ছেন। বুধ ও বৃহস্পতিবার পাঁশকুড়ার অনুমোদিত ও গ্রিভান্স(সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী) লিস্টে থাকা বেশিরভাগ উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে।
পাঁশকুড়া হাউর বুথের বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যা দেবশ্রী বর। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী নম্বরে ফোন করায় তাঁর স্বামী, ভাশুর ও দেওর আবাস উপভোক্তা হিসেবে চিহ্নিত হন। শুধু তাই নয়, ওয়েটিং লিস্টের আগে তাঁদের নাম উঠে আসায় প্রথম পর্যায়েই তাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। গত জুলাই মাসে দেবশ্রীর পরিবার ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ নম্বরে ফোন করেছিল। দেবশ্রীর স্বামী প্রদীপ, ভাশুর ও দেওর পঙ্কজ ও অরুণ কাঁচা বাড়িতে বসবাস করেন। ব্লক থেকে সার্ভে করার পর তিন ভাইয়ের নাম উপভোক্তা হিসেবে চূড়ান্ত হয়। তারপর টাকাও ঢুকেছে।
বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী প্রদীপ বর বলেন, আমরা বহু বছর ধরে মাটির বাড়িতে বসবাস করি। এরআগে আবাস যোজনায় নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। কিন্তু, বাড়ি তৈরির টাকা পাইনি। তাই আমরা ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ নম্বরে ফোন করেছিলাম। তিন ভাইয়ের নাম তালিকায় এসেছে। টাকা এসেছে কি না, তা চেক করিনি।
তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁশকুড়া ব্লক সভাপতি সুজিত রায় বলেন, এই ব্লকের আবাস উপভোক্তাদের অধিকাংশ বিজেপি পরিবারের লোকজন। তাঁদের অনেকে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী নম্বরে ফোন করেছিলেন। কেন্দ্রীয় সরকার এরাজ্যে গরিব মানুষের পাকাবাড়ি তৈরির জন্য ন্যায্য পাওনা আটকে দিয়েছিল। সেই টাকা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই কাজে রাজনৈতিক পক্ষপাতকে দূরে সরিয়ে উপভোক্তা তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেজন্য বিজেপি নেতা-কর্মীদের পরিবারও আবাসের টাকা পাচ্ছে। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে এরাজ্যের বিজেপি নেতাদের দিল্লিতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে বকেয়া পাওনার দাবিতে সরব হওয়া উচিত।
পাঁশকুড়ার বিজেপি নেতা সমীরণ দুয়ারি বলেন, আমাদের অনেক কর্মী রাজনৈতিক কারণেই আবাস যোজনা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। এবার তাঁরা বাড়ি তৈরির টাকা পেলেন। তাঁরা পাকা বাড়ি পাওয়ার উপযুক্ত বলেই প্রশাসন তাঁদের নাম বাদ দিতে পারেনি।
হাউর পঞ্চায়েতের ছানাগড় বুথের বিজেপির নির্বাচিত সদস্য বিকাশ বাগ। তিনিও সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী নম্বরে ফোন করে আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির টাকা পেয়েছেন। বিকাশবাবুর রাজনৈতিক পরিচয় প্রকল্পের সুবিধা পেতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। বরং অন্যদের আগেই তিনি বাড়ি বানানোর টাকা পাচ্ছেন। বুধ ও বৃহস্পতিবার পাঁশকুড়ার অনুমোদিত ও গ্রিভান্স(সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী) লিস্টে থাকা বেশিরভাগ উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে।
পাঁশকুড়া হাউর বুথের বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যা দেবশ্রী বর। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী নম্বরে ফোন করায় তাঁর স্বামী, ভাশুর ও দেওর আবাস উপভোক্তা হিসেবে চিহ্নিত হন। শুধু তাই নয়, ওয়েটিং লিস্টের আগে তাঁদের নাম উঠে আসায় প্রথম পর্যায়েই তাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। গত জুলাই মাসে দেবশ্রীর পরিবার ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ নম্বরে ফোন করেছিল। দেবশ্রীর স্বামী প্রদীপ, ভাশুর ও দেওর পঙ্কজ ও অরুণ কাঁচা বাড়িতে বসবাস করেন। ব্লক থেকে সার্ভে করার পর তিন ভাইয়ের নাম উপভোক্তা হিসেবে চূড়ান্ত হয়। তারপর টাকাও ঢুকেছে।
বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী প্রদীপ বর বলেন, আমরা বহু বছর ধরে মাটির বাড়িতে বসবাস করি। এরআগে আবাস যোজনায় নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। কিন্তু, বাড়ি তৈরির টাকা পাইনি। তাই আমরা ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ নম্বরে ফোন করেছিলাম। তিন ভাইয়ের নাম তালিকায় এসেছে। টাকা এসেছে কি না, তা চেক করিনি।
তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁশকুড়া ব্লক সভাপতি সুজিত রায় বলেন, এই ব্লকের আবাস উপভোক্তাদের অধিকাংশ বিজেপি পরিবারের লোকজন। তাঁদের অনেকে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী নম্বরে ফোন করেছিলেন। কেন্দ্রীয় সরকার এরাজ্যে গরিব মানুষের পাকাবাড়ি তৈরির জন্য ন্যায্য পাওনা আটকে দিয়েছিল। সেই টাকা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই কাজে রাজনৈতিক পক্ষপাতকে দূরে সরিয়ে উপভোক্তা তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেজন্য বিজেপি নেতা-কর্মীদের পরিবারও আবাসের টাকা পাচ্ছে। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে এরাজ্যের বিজেপি নেতাদের দিল্লিতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে বকেয়া পাওনার দাবিতে সরব হওয়া উচিত।
পাঁশকুড়ার বিজেপি নেতা সমীরণ দুয়ারি বলেন, আমাদের অনেক কর্মী রাজনৈতিক কারণেই আবাস যোজনা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। এবার তাঁরা বাড়ি তৈরির টাকা পেলেন। তাঁরা পাকা বাড়ি পাওয়ার উপযুক্ত বলেই প্রশাসন তাঁদের নাম বাদ দিতে পারেনি।



