নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’তে ফোন করে অভিযোগ জানিয়ে রাস্তার অভাব ঘুচেছে জেলার বহু প্রান্তিক এলাকার বাসিন্দাদের। বিভিন্ন ভাতা সংক্রান্ত জটিলতা থেকে বহু কঠিন সমস্যারও সমাধান হয়েছে। একইভাবে দীর্ঘদিন ধরেই ‘দিদি’র কাছে একটি পাকা বাড়ির জন্য আবেদন করে আসছিলেন জেলার বহু মানুষ। এবার সেই অভাবও ঘুচল। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীতে অভিযোগ জানিয়ে প্রায় ১৩৬২ জন উপভোক্তা বাড়ি তৈরির প্রথম কিস্তির টাকা পাচ্ছেন।
Advertisement
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নানাভাবে ঝাড়াই বাছাইয়ের পর ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে পুরুলিয়া জেলায় মোট প্রায় ৯৫হাজার ৫৫২জন ‘যোগ্য’ উপভোক্তার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। সেই তালিকা থেকে মোট ৩৬ হাজার ৮১২জন উপভোক্তা প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা করে পাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই কয়েক হাজার উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকে গিয়েছে। তবে, এই ৩৬হাজার ৮১২ জন প্রাপকের মধ্যে একহাজার ৩৬২জন উপভোক্তা ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’তে অভিযোগ জানিয়ে বাড়ি পাচ্ছেন। বহু উপভোক্তা বাড়ির জন্য আদালত পর্যন্ত দৌড়েছিলেন। সেই রকম প্রায় ৩০জন উপভোক্তা বাড়ি তৈরির টাকা পাচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত ভোটের আগেই ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির ধাঁচে ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ কর্মসূচি চালু করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এজন্য একটি ফোন নম্বর দেওয়া হয়েছিল। যে নম্বরে ফোন করে জন সাধারণ সরাসরি তাঁদের সমস্যার কথা মুখ্যমন্ত্রীকে জানাতে পারতেন। কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্যই ছিল, অভিযোগ পাওয়া মাত্রই প্রশাসনিকভাবে তার সমাধান করা। কর্মসূচি উদ্বোধনের সময় মুখ্যমন্ত্রী নিজেও জানিয়েছিলেন, জন সাধারণ ফোন করে তাঁদের এলাকার সমস্যার কথা জানাতে পারেন। আমরা সেই সমস্যার সমাধান করব। তবে, অনেক সময় সমস্যার সমাধানে দেরি হওয়ার অভিযোগ তুলতেন বাসিন্দারা। তা পৌঁছেছিল মুখ্যমন্ত্রীর কানেও। বছরখানেক আগে বর্ধমানের একটি সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুনিয়েছিলেন, ‘আপনারা কী ভাবছেন, আমি এগুলির দিকে নজর রাখি না? নজর রাখি।’ শাসক দলের নেতাদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীর কথা কতটা ভাবেন, তা ফের প্রমাণিত হল তাঁর কাজেই। দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার পর অবশেষে বাড়ি মেলায় বাংলার অগ্নিকন্যাকে দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করছেন। তবে, আবাসের টাকা থেকে ফের যাতে ‘কাটমানি’র অভিযোগ না ওঠে, সেদিকে কড়া নজর রাখছে শাসক দল। জেলা পরিষদের কো-মেন্টর তথা জেলার সিনিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এধরনের কোনও অভিযোগই মেনে নেওয়া হবে না। অভিযোগ পেলেই সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জানানো হবে।
প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত ভোটের আগেই ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির ধাঁচে ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ কর্মসূচি চালু করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এজন্য একটি ফোন নম্বর দেওয়া হয়েছিল। যে নম্বরে ফোন করে জন সাধারণ সরাসরি তাঁদের সমস্যার কথা মুখ্যমন্ত্রীকে জানাতে পারতেন। কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্যই ছিল, অভিযোগ পাওয়া মাত্রই প্রশাসনিকভাবে তার সমাধান করা। কর্মসূচি উদ্বোধনের সময় মুখ্যমন্ত্রী নিজেও জানিয়েছিলেন, জন সাধারণ ফোন করে তাঁদের এলাকার সমস্যার কথা জানাতে পারেন। আমরা সেই সমস্যার সমাধান করব। তবে, অনেক সময় সমস্যার সমাধানে দেরি হওয়ার অভিযোগ তুলতেন বাসিন্দারা। তা পৌঁছেছিল মুখ্যমন্ত্রীর কানেও। বছরখানেক আগে বর্ধমানের একটি সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুনিয়েছিলেন, ‘আপনারা কী ভাবছেন, আমি এগুলির দিকে নজর রাখি না? নজর রাখি।’ শাসক দলের নেতাদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীর কথা কতটা ভাবেন, তা ফের প্রমাণিত হল তাঁর কাজেই। দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার পর অবশেষে বাড়ি মেলায় বাংলার অগ্নিকন্যাকে দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করছেন। তবে, আবাসের টাকা থেকে ফের যাতে ‘কাটমানি’র অভিযোগ না ওঠে, সেদিকে কড়া নজর রাখছে শাসক দল। জেলা পরিষদের কো-মেন্টর তথা জেলার সিনিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এধরনের কোনও অভিযোগই মেনে নেওয়া হবে না। অভিযোগ পেলেই সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জানানো হবে।



