সংবাদদাতা, রামপুরহাট: স্যুট, বুট, মাথায় টুপি। এভাবে ‘সাহেব’ সেজে প্রায় ৩২ কিলোমিটার পথ এসে এক যুবক লাগাতার বাইক চুরি করত। অবশেষে রামপুরহাট জিআরপির হাতে রবিবার সকালে হাতেনাতে ধরা পড়ল আন্তঃজেলা বাইক চুরি চক্রের সেই পান্ডা। জিআরপির পক্ষ থেকে ধৃত যুবককে রামপুরহাট থানার পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতকে জেরা করে এই চক্রের বাকি সদস্য ও চুরি যাওয়া বাইক উদ্ধারের চেষ্টা করা হবে।
Advertisement
মোটর বাইক চুরি এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর চোর ধরতে কালঘাম ছুটছে পুলিসের। রামপুরহাট শহরেরও নানা প্রান্ত থেকে প্রায়ই বাইক চুরির ঘটনা ঘটছে। রামপুরহাট স্টেশনের বাইরের পার্কিং থেকে গত কুড়ি দিনে দু’টি বাইক চুরির ঘটনা ঘটেছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে জিআরপি জানতে পারে, দু’টি চুরি একই যুবক করেছে। কিন্তু তার হদিশ পাচ্ছিল না তারা। মাত্র ৩০ সেকেণ্ডের মধ্যে মাস্টার চাবি দিয়ে হ্যান্ডেল লক খুলে স্টার্ট দিয়ে বাইক চালিয়ে চম্পট দিচ্ছে। এ যেন চোখের পলকে বাইক চুরি। স্বভাবতই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে।
এদিনও রামপুরহাট স্টেশনের পার্কিং থেকে বাইক চুরি করে চম্পট দিচ্ছিল স্যুট, বুট ও মাথায় টুপি পড়া এক যুবক। স্থানীয়রা হাতেনাতে তাকে ধরে জিআরপির হাতে তুলে দেয়। এরপরই সিসি ক্যামেরার ফুটেজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যায় একই যুবক। জিআরপি জানিয়েছে, বছর বাইশের ধৃত যুবকের নাম সাহাজাদা শেখ। বাড়ি মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি থানার মোড়গ্রামে। তার কাছ থেকে একাধিক ‘মাস্টার কি’ উদ্ধার হয়েছে। জিআরপির দাবি, সম্প্রতি দু’টি বাইক চুরির কথা স্বীকার করেছে ধৃত যুবক। এদিন তার সঙ্গে আরও দু’জন ছিল। তারাও মুর্শিদাবাদের। যদিও একজন ধরা পড়তেই তারা গা ঢাকা দেয়। কেউ যাতে সন্দেহ না করে, সেজন্য সকলেই স্যুট বুট পরে থাকে। বাংলায় কথা বললেও মাঝেমধ্যে তারা ইংরেজি শব্দ উচ্চারণ করে। দেখে বোঝার উপায় নেই, এই যুবক বাইক চুরি করতে পারে।
সাঁইথিয়া জিআরপি ওসি অপু দাস বলেন, স্টেশন চত্বরের বাইরে আইন শৃঙ্খলার দায়িত্ব পুলিসের। তাই ধৃত যুবককে রামপুরহাট থানার পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে প্রায়ই শুক্রবার রামপুরহাট ও মাড়গ্রাম থানা এলাকার বিভিন্ন মসজিদের সামনে থেকে একের পর এক বাইক চুরির ঘটনা ঘটে। সামাজিক মাধ্যমেও সিসি ক্যামেরার সেই চুরির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। অনেকটা জামাতাড়া গ্যাংয়ের কায়দায় সেফটিপিন দিয়ে লক খুলে বেমালুম লোপাট করে দিচ্ছিল বাইক। প্রতিটি চুরির ক্ষেত্রে কাজ করছিল একজনই। যদিও সেই দুষ্কৃতী এখনও অধরা। এরই মধ্যে রামপুরহাট শহরে নতুন বাইক চোরের আমদানি পুলিসকে ভাবিয়ে তুলেছে। তেমনি শখের বাইক নিয়ে আতঙ্কে সাধারণ মানুষ।
এদিনও রামপুরহাট স্টেশনের পার্কিং থেকে বাইক চুরি করে চম্পট দিচ্ছিল স্যুট, বুট ও মাথায় টুপি পড়া এক যুবক। স্থানীয়রা হাতেনাতে তাকে ধরে জিআরপির হাতে তুলে দেয়। এরপরই সিসি ক্যামেরার ফুটেজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যায় একই যুবক। জিআরপি জানিয়েছে, বছর বাইশের ধৃত যুবকের নাম সাহাজাদা শেখ। বাড়ি মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি থানার মোড়গ্রামে। তার কাছ থেকে একাধিক ‘মাস্টার কি’ উদ্ধার হয়েছে। জিআরপির দাবি, সম্প্রতি দু’টি বাইক চুরির কথা স্বীকার করেছে ধৃত যুবক। এদিন তার সঙ্গে আরও দু’জন ছিল। তারাও মুর্শিদাবাদের। যদিও একজন ধরা পড়তেই তারা গা ঢাকা দেয়। কেউ যাতে সন্দেহ না করে, সেজন্য সকলেই স্যুট বুট পরে থাকে। বাংলায় কথা বললেও মাঝেমধ্যে তারা ইংরেজি শব্দ উচ্চারণ করে। দেখে বোঝার উপায় নেই, এই যুবক বাইক চুরি করতে পারে।
সাঁইথিয়া জিআরপি ওসি অপু দাস বলেন, স্টেশন চত্বরের বাইরে আইন শৃঙ্খলার দায়িত্ব পুলিসের। তাই ধৃত যুবককে রামপুরহাট থানার পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে প্রায়ই শুক্রবার রামপুরহাট ও মাড়গ্রাম থানা এলাকার বিভিন্ন মসজিদের সামনে থেকে একের পর এক বাইক চুরির ঘটনা ঘটে। সামাজিক মাধ্যমেও সিসি ক্যামেরার সেই চুরির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। অনেকটা জামাতাড়া গ্যাংয়ের কায়দায় সেফটিপিন দিয়ে লক খুলে বেমালুম লোপাট করে দিচ্ছিল বাইক। প্রতিটি চুরির ক্ষেত্রে কাজ করছিল একজনই। যদিও সেই দুষ্কৃতী এখনও অধরা। এরই মধ্যে রামপুরহাট শহরে নতুন বাইক চোরের আমদানি পুলিসকে ভাবিয়ে তুলেছে। তেমনি শখের বাইক নিয়ে আতঙ্কে সাধারণ মানুষ।



