নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গৌড়ীয় মিশনের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য শ্রীল ভক্তি সিদ্ধান্ত সরস্বতী গোস্বামীর আবির্ভাব দিবসের সার্ধ শতবর্ষ উদযাপনের শেষ দিন হল ‘যশস্বী’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভজনা। শুক্রবার এই অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে উপস্থিত হয়েছিলেন দেশের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকার, রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস, কেন্দ্রীয় পর্যটন প্রতিমন্ত্রী সুরেশ গোপী।
Advertisement
উপ রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকার তাঁর ভাষণে মিশনের প্রতিষ্ঠাতাকে সম্মান প্রদান করেন। বিগত তিন বছর ধরে প্রতিষ্ঠাতার জন্মবার্ষিকী পালন উত্সব চলছে। দিল্লিতে উত্সবের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিষ্ঠাতার নামাঙ্কিত মুদ্রা ও পোস্টাল স্ট্যাম্প উদ্বোধন করেছেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে এনে মিশনের পদাধিকারী থেকে উপ রাষ্ট্রপতি সকলেই প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় একেবারে পঞ্চমুখ হলেন। উপ রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে সনাতন রক্ষার বার্তা উঠে আসে। তিনি বলেন, ‘ধর্ম কখনও হারে না। আমাদের সজাগ থাকতে হবে। আমাদের পরিচয় আমরা ভারতীয়। রাষ্ট্রবাদ আমাদের ধর্ম। রাষ্ট্রধর্মের উপর কেউ নয়। ব্যক্তিগত রাজনীতি তার নীচে।’ তাঁর মত, সমস্ত কিছুর জবাব সনাতন ধর্ম দিতে পারে। সনাতনে সমর্পণ করলে মুক্তি লাভ করা যায়। সেই কারণেই সনাতনে কেউ কেউ কুদৃষ্টি নিক্ষেপ করছেন। এই বিষয়েই সজাগ রাখার কথা বলছেন তিনি। বাংলার কথা বলতে গিয়ে রামকৃষ্ণ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ক্ষুদিরাম বসু, চিত্তরঞ্জন দাসের সঙ্গে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামও উল্লেখ করলেন।
কলকাতার বিষয়ে তাঁকে আবেগপ্রবণ শোনায়। এক সময় কলকাতা তাঁর কর্মক্ষেত্র ছিল। উপ রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর এই প্রথম তিনি কলকাতায় এলেন। বলছিলেন, এমন একটি অনুষ্ঠানে কলকাতায় আসতে পেরে গর্বিত বোধ করছি। উপ রাষ্ট্রপতি মনে করেন, শিক্ষায় নৈতিক মূল্যের জ্ঞানের অন্তর্ভূক্তি দরকার। তিনি আরও বলেন, ধর্মকে সংকীর্ণতার চোখে দেখা উচিত নয়।
কলকাতার বিষয়ে তাঁকে আবেগপ্রবণ শোনায়। এক সময় কলকাতা তাঁর কর্মক্ষেত্র ছিল। উপ রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর এই প্রথম তিনি কলকাতায় এলেন। বলছিলেন, এমন একটি অনুষ্ঠানে কলকাতায় আসতে পেরে গর্বিত বোধ করছি। উপ রাষ্ট্রপতি মনে করেন, শিক্ষায় নৈতিক মূল্যের জ্ঞানের অন্তর্ভূক্তি দরকার। তিনি আরও বলেন, ধর্মকে সংকীর্ণতার চোখে দেখা উচিত নয়।



