Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

‘রাত্তিরের সাথী’ প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখল স্বাস্থ্যদপ্তর

‘রাত্তিরের সাথী’ প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখল স্বাস্থ্যদপ্তর
  • ৭ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: ‘রাত্তিরের সাথী’ প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখতে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এলেন স্বাস্থ্যদপ্তরের দুই সদস্যের প্রতিনিধিদল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে ‘রাত্তিরের সাথী’ প্রকল্পের সূচনা হয়েছে রাজ্যজুড়ে। এই প্রকল্পের অধীনে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এখনও পর্যন্ত কী কী পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে, সেই কাজের গতিপ্রকৃতি খতিয়ে দেখতে বুধবার দুপুরে স্বাস্থ্যভবন থেকে পরিদর্শকরা এখানে আসেন। তাঁরা মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাস ও হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন। তারপর মেডিক্যাল কলেজের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে ছিলেন হাসপাতালের অধ্যক্ষ, সুপার, সহকারী  সুপাররা, চিকিৎসক ও জুনিয়র চিকিৎসকের প্রতিনিধিরা। হাসপাতালে পরিকাঠামোর কাজ যাঁরা দেখেন, তাদেরও এদিন বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। 
Advertisement
এ বিষয়ে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডাঃ অমিতকুমার দাঁ বলেন, স্বাস্থ্যভবন থেকে উচ্চ পর্যায়ের দুই প্রতিনিধি এখানে এসেছেন। রাত্তিরের সাথী প্রকল্পের কাজ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। হাসপাতাল করিডর এবং ভিতরের বিভিন্ন রাস্তায় আলোর ব্যবস্থা, সিসি ক্যামেরা সহ সুরক্ষার জন্য যে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা দেখে ওঁরা খুশি। আমরা চিকিৎসক ও পড়ুয়াদের নিরাপত্তার জন্য একশো শতাংশ কাজ করতে পেরেছি। এজন্য মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের গোটা টিমকে ধন্যবাদ দেব। জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি পূরণের জন্য আন্তরিকভাবে সব চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে কাউকেই একশো শতাংশ সুরক্ষা দেওয়া তো সম্ভব নয়। সকলকে আরও সজাগ থাকতে হবে। 
মেডিক্যাল কলেজের এক জুনিয়র ডাক্তার বলেন, আগের তুলনায় সিসি ক্যামেরার সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। আমাদের মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাস খুব বড়। সব জায়গায় আলো ছিল না। যাতায়াতের পথগুলিতে এবার আলো দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তারক্ষীরা আগের থেকে অনেক বেশি সচেতন আছেন।
সম্পর্কিত সংবাদ