মহাকুম্ভ নগর: পূর্ণকুম্ভ উপলক্ষ্যে প্রয়াগরাজে ভিড় জমাচ্ছেন কোটি কোটি পুণ্যার্থী। এই ভিড়ের মধ্যে বিখ্যাত হয়ে উঠছেন বেশ কয়েকজন। হর্ষা রিচারিয়া, মোনা লিসা, ‘আইআইটি বাবা’ অভয় সিং থেকে শুরু করে অভিনেত্রী মমতা কুলকার্নি। কুম্ভে তাঁদের উপস্থিতি নিয়ে একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি মোটেই ভালো চোখে নিচ্ছেন না সাধুসন্তরা। উদাসীন আখড়ার প্রধান মোহন্ত ধর্মেন্দ্র দাস বলেন, ‘কুম্ভ জাঁকজমক আর পাঁচতারা সংস্কৃতির জায়গা নয়। এই স্থান সাধু, পুণ্যার্থী ও সনাতন বিশ্বাসের ভূমি। অথচ সংবাদমাধ্যমগুলি বিখ্যাত মানুষের প্রচার করে চলেছে। এটা তাদের ভুল।’ তিনি জানান, বহু পুণ্যার্থী সঙ্গমে খোলা আকাশের নীচে রাত কাটান। তারপর গঙ্গায় স্নান করেন। তাঁদের কাছে এই চাকচিক্য মূল্যহীন। এদিকে রবিবার ফের অগ্নিকাণ্ডের সাক্ষী থাকল কুম্ভমেলা। জানা গিয়েছে, এদিন সেক্টর ১৯ এলাকায় ওমপ্রকাশ পান্ডে সেবা সংস্থানের একটি তাঁবুতে আগুন লাগে। ১০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকল বাহিনী। হতাহতের কোনও খবর নেই। তবে তাঁবুটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কুম্ভের দমকল বিভাগের প্রধান প্রমোদ শর্মা জানান, গ্যাস লিকের কারণেই এই দুর্ঘটনা। এই নিয়ে চলতি সপ্তাহে দু’বার অগ্নিকাণ্ডের সাক্ষী থাকল পূর্ণকুম্ভ।
Advertisement
কয়েকদিন আগে পূর্ণকুম্ভে মৌনী অমাবস্যায় শাহীস্নান করতে গিয়ে পদপিষ্টে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। এই দুর্ঘটনার জন্য ভিআইপি সংস্কৃতিকেই দায়ী করেছেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর কথায়, ‘কুম্ভে ভিআইপিদের আনোগোনা নিয়েই বেশি ব্যস্ত ছিলেন আধিকারিকরা। সাধারণ পুণ্যার্থীদের জন্য তাঁদের সময় ছিল না। আত্মীয়, বন্ধুদের বিশেষ পরিষেবা দিতেই সকলে ব্যস্ত ছিলেন।’ একইসঙ্গে ঘটনার দিন পন্টুন ব্রিজ বন্ধ করা নিয়ে তদন্তের আর্জি জানিয়েছেন তিনি।



