নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি ও সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: নেপথ্যে ‘প্রেম’। আর এনিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে অশান্তি, মারপিট। আর তারই জেরে এক প্রৌঢ়ের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ধূপগুড়ির বঙ্কুবাজারে। এদিকে, দুই পরিবারের অশান্তির মাঝে পড়ে যাওয়ায় ধূপগুড়ি থানার এক হোমগার্ডকে আটকে রেখে ছেলের বাড়ির লোকজন মারধর করে বলে অভিযোগ। যদিও তাঁদের পাল্টা দাবি, মেয়ের বাড়ির লোকজনই তাঁদের উপর প্রথমে হামলা চালায়। মেয়ের পরিবার অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিস। শুক্রবার জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের মর্গে মৃত প্রৌঢ়ের দেহের ময়নাতদন্ত হয়।
Advertisement
পুলিস সূত্রে খবর, ২২ জানুয়ারি খগেনহাটের বাসিন্দা এক তরুণীকে অপহরণের অভিযোগ ওঠে ধূপগুড়ির সাঁকোয়াঝোরার বঙ্কুবাজার এলাকার বাসিন্দা এক যুবকের বিরুদ্ধে। এনিয়ে তরুণীর পরিবার থানায় অভিযোগ দায়ের করে। সেইমতো তদন্ত শুরু করে পুলিস। এরইমধ্যে বৃহস্পতিবার তরুণীকে নিয়ে ফিরে আসে যুবক। তারপরই ঘটনা অন্যদিকে মোড় নেয়। প্রসঙ্গত, মৃত প্রৌঢ় ওই যুবকের বাবা।
অভিযোগ, মেয়েকে নিয়ে যুবক বাড়ি ফিরেছে জানতে পেরে বৃহস্পতিবার রাতে তার পরিবারের লোকজন চড়াও হয়। যুবকের বাড়ি থেকে মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এনিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে শুরু হয় মারপিট। সেসময় থানা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন ধূপগুড়ি থানার এক হোমগার্ড। নিজের এলাকার লোকজনের ভিড় দেখে দাঁড়িয়ে পড়েন তিনি। অভিযোগ, মেয়ের বাড়ির লোক ভেবে তাঁকে আটকে রাখে যুবকের পরিবার। এই পরিস্থিতিতে দু’পক্ষের অশান্তি, মারপিট চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েন মুরারি। প্রথমে তাঁকে ধূপগুড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু বাড়ি ফেরার কিছুক্ষণ পর ফের অসুস্থবোধ করেন। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বীরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। সেখান থেকে রেফার করা হয় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে। পথে অবস্থা সঙ্কটজনক হয়ে পড়ায় জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রৌঢ়কে মৃত বলে জানান।
এদিন মর্গ চত্বরে দাঁড়িয়ে মৃতের বড় ছেলের দাবি, মেয়ের বাড়ির লোকজন আমাদের উপর চড়াও হয়ে মারধর করেছে। বাবাও রেহাই পাইনি। ওদের হাতে মার খেয়ে বাবার মৃত্যু হয়েছে। আমরা থানায় অভিযোগ জানাব। মৃতের বড় বউমার দাবি, আমাদের পরিবারের এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকেও ওরা মারধর করেছে। বৃহস্পতিবার রাতেই থানায় অভিযোগ জানাতে যাওয়া হয়। কিন্তু আমাদের পরিবারের যারা থানায় গিয়েছিল, পুলিস তাদের আটকে রাখে। এদিন সকালে শ্বশুরের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থানা থেকে আমাদের লোকজনকে ছাড়া হয়।
পুলিসের বক্তব্য, যেহেতু ছেলের বাড়ির লোকজন হোমগার্ডকে আটকে রেখেছিল, সেকারণে তাদের কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। যদিও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ, মেয়েকে নিয়ে যুবক বাড়ি ফিরেছে জানতে পেরে বৃহস্পতিবার রাতে তার পরিবারের লোকজন চড়াও হয়। যুবকের বাড়ি থেকে মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এনিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে শুরু হয় মারপিট। সেসময় থানা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন ধূপগুড়ি থানার এক হোমগার্ড। নিজের এলাকার লোকজনের ভিড় দেখে দাঁড়িয়ে পড়েন তিনি। অভিযোগ, মেয়ের বাড়ির লোক ভেবে তাঁকে আটকে রাখে যুবকের পরিবার। এই পরিস্থিতিতে দু’পক্ষের অশান্তি, মারপিট চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েন মুরারি। প্রথমে তাঁকে ধূপগুড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু বাড়ি ফেরার কিছুক্ষণ পর ফের অসুস্থবোধ করেন। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বীরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। সেখান থেকে রেফার করা হয় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে। পথে অবস্থা সঙ্কটজনক হয়ে পড়ায় জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রৌঢ়কে মৃত বলে জানান।
এদিন মর্গ চত্বরে দাঁড়িয়ে মৃতের বড় ছেলের দাবি, মেয়ের বাড়ির লোকজন আমাদের উপর চড়াও হয়ে মারধর করেছে। বাবাও রেহাই পাইনি। ওদের হাতে মার খেয়ে বাবার মৃত্যু হয়েছে। আমরা থানায় অভিযোগ জানাব। মৃতের বড় বউমার দাবি, আমাদের পরিবারের এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকেও ওরা মারধর করেছে। বৃহস্পতিবার রাতেই থানায় অভিযোগ জানাতে যাওয়া হয়। কিন্তু আমাদের পরিবারের যারা থানায় গিয়েছিল, পুলিস তাদের আটকে রাখে। এদিন সকালে শ্বশুরের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থানা থেকে আমাদের লোকজনকে ছাড়া হয়।
পুলিসের বক্তব্য, যেহেতু ছেলের বাড়ির লোকজন হোমগার্ডকে আটকে রেখেছিল, সেকারণে তাদের কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। যদিও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।



