নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: জাঁকিয়ে শীত পড়েছে পুরুলিয়ায়। জেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের আনাগোনা শুরু হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত তো বটেই, ভিনজেলা থেকেও এই সময় পর্যটকরা আসেন পুরুলিয়ায়। পর্যটন ব্যবসায়ীদের কাছে এই সময়টা একেবারে ‘পিক সিজেন’! কিন্তু, রেলের যত খামখেয়ালিনা শুরু হয়েছে এই সময়েই। ডিসেম্বরের শুরু থেকেই রেলের নানা কাজে ট্রেন বাতিলের যে ‘ট্রেন্ড’ শুরু হয়েছে, তা চলছে এখনও! রেল সূত্রের খবর, আগামী অন্তত ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত তা থেকে নিস্তার নেই। ফলে, বেড়াতে এসেও ব্যাপক হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে পর্যটকদের। বেড়াতে আসার জন্য যে বাজেট ধরা হয়েছিল, তা ছাড়িয়ে যাচ্ছে! রেলের খামখেলালিপনার মাশুল পর্যটকরা কেন গুনবেন, সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, চলতি মাসের প্রথম দিন থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রেলের কাজের জন্য ট্রেন চলাচলে প্রভাব পড়েছিল আদ্রা শাখায়। ওই সময়ে প্রায় ছ’জোড়া ট্রেন বাতিল ছিল। প্রায় ১৫জোড়া ট্রেনকে ঘুরপথে চালানো হয়েছিল। বহু ট্রেনের যাত্রা সংক্ষিপ্ত করে দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয় পর্যটকদের। টিকিট কেটেও যাত্রাভঙ্গ করতে হয়েছিল। অনেকে হোটেলে অগ্রিম টাকা দিয়ে বুকিং করেছিলেন। ঘুরতে আসতে না পেরে সেই টাকাও জলে গিয়েছে। এনিয়ে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছিল পর্যটক থেকে শুরু করে নিত্যযাত্রীদের মধ্যে। তাঁদের ক্ষোভ, ডিভিশনজুড়ে বিভিন্ন কাজের জন্য প্রায়শই ট্রেন বাতিল থাকছে। কতদিন দুর্ভোগ চলবে জানা নেই।
যাত্রীদের এই আশঙ্কার মধ্যে ফের সোমবার আদ্রা শাখায় একাধিক ট্রেন বাতিল করেছে রেল। বহু ট্রেনের যাত্রা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর থেকে আগামী ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী রেলের কাজ চলবে। যার জেরে এদিন আসানসোল-আদ্রা মেমু বন্ধ ছিল। আগামী ২১ ডিসেম্বরও তা বন্ধ থাকবে। আগামী ২০ ও ২২ ডিসেম্বর আদ্রা-মেদিনীপুর মেমু বন্ধ থাকছে। ১৬, ১৭, ১৯ ও ২১ ডিসেম্বর টাটা-আসানসোল-বরাভূম দৈনিক মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি আদ্রা পর্যন্ত চলবে। ১৭, ১৯ ও ২২ ডিসেম্বর আসানসোল পুরুলিয়া মেমু আদ্রা পর্যন্ত চলবে। অর্থাৎ, যাঁরা এই সময়ে অযোধ্যা যাওয়ার প্ল্যান করছেন, তাঁদের ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হবে। অযোধ্যায় পৌঁছতে হলে আদ্রা থেকে নেমে গাড়ি ভাড়া বাবদ অতিরিক্ত টাকা গুনতে হবে পর্যটকদের।
আদ্রা শাখার রেলের এক পদস্থ আধিকারিক অবশ্য বলেন, রেলযাত্রা ঝঞ্ঝাটমুক্ত করতেই এই এই কাজ হচ্ছে। যদিও আদ্রা ডিভিশন প্যাসেঞ্জার্স অ্যাসিস্ট কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক কৌশিক সরকার বলেন, এই একই কাহিনি বছরের পর বছর ধরে শুনে আসছি। অযোধ্যা পাহাড়ের একটি অতিথি আবাসের মালিক তথা পুরুলিয়া ডিস্ট্রিক্ট হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহিত লাটা বলেন, রেলের এই খামখেয়ালিপনার জন্য পর্যটকদের ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। রেলকে অনুরোধ করব, অন্তত পর্যটনের এই মরশুমের কথা মাথায় রেখে এই ধরনের খামখেয়ালিপনা বন্ধ হোক।
যাত্রীদের এই আশঙ্কার মধ্যে ফের সোমবার আদ্রা শাখায় একাধিক ট্রেন বাতিল করেছে রেল। বহু ট্রেনের যাত্রা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর থেকে আগামী ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী রেলের কাজ চলবে। যার জেরে এদিন আসানসোল-আদ্রা মেমু বন্ধ ছিল। আগামী ২১ ডিসেম্বরও তা বন্ধ থাকবে। আগামী ২০ ও ২২ ডিসেম্বর আদ্রা-মেদিনীপুর মেমু বন্ধ থাকছে। ১৬, ১৭, ১৯ ও ২১ ডিসেম্বর টাটা-আসানসোল-বরাভূম দৈনিক মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি আদ্রা পর্যন্ত চলবে। ১৭, ১৯ ও ২২ ডিসেম্বর আসানসোল পুরুলিয়া মেমু আদ্রা পর্যন্ত চলবে। অর্থাৎ, যাঁরা এই সময়ে অযোধ্যা যাওয়ার প্ল্যান করছেন, তাঁদের ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হবে। অযোধ্যায় পৌঁছতে হলে আদ্রা থেকে নেমে গাড়ি ভাড়া বাবদ অতিরিক্ত টাকা গুনতে হবে পর্যটকদের।
আদ্রা শাখার রেলের এক পদস্থ আধিকারিক অবশ্য বলেন, রেলযাত্রা ঝঞ্ঝাটমুক্ত করতেই এই এই কাজ হচ্ছে। যদিও আদ্রা ডিভিশন প্যাসেঞ্জার্স অ্যাসিস্ট কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক কৌশিক সরকার বলেন, এই একই কাহিনি বছরের পর বছর ধরে শুনে আসছি। অযোধ্যা পাহাড়ের একটি অতিথি আবাসের মালিক তথা পুরুলিয়া ডিস্ট্রিক্ট হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহিত লাটা বলেন, রেলের এই খামখেয়ালিপনার জন্য পর্যটকদের ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। রেলকে অনুরোধ করব, অন্তত পর্যটনের এই মরশুমের কথা মাথায় রেখে এই ধরনের খামখেয়ালিপনা বন্ধ হোক।



