সায়ন চট্টোপাধ্যায়, শিলিগুড়ি: শৈলশহরে এখন শুধুই রক সঙ্গীতের আবহ। জগত্ বিখ্যাত ‘ইউরোপ’ ব্যান্ডের প্রাক্তন গিটারিস্ট কি মার্সেলো গিটার হাতে ঝড় তুলবেন মঞ্চে। সপ্তাহ খানেক আগে কলকাতায় ‘বুড়ো হাড়ের ভেলকি’ দেখিয়ে গিয়েছেন ব্রায়ান এডামস। আজ, বৃহস্পতিবার ‘দার্জিলিং মেলো টি ফেস্ট’-এ মঞ্চ কাঁপাবেন বছর ৬৫-এর ‘তরুণ’ কি মার্সেলো। বিখ্যাত ‘ফাইনাল কাউন্টডাউন’ শোনার অধীর অপেক্ষায় রক ভক্তরা। রক মিউজিকের ইতিহাসে দার্জিলিংয়ে কোনও সুইডিশ রকব্যান্ড এই প্রথম পারফর্ম করবে। তাদের দেখতেই পাহাড়ে পাড়ি দিচ্ছেন ফ্যানরা।
Advertisement
আটের দশকে সাড়া জাগিয়ে আত্মপ্রকাশ করে সুইডেনের ইউরোপ-ব্যান্ড। ১৯৮৬ সালে এই ব্যান্ডে গিটারিস্ট হিসেবে যুক্ত হয়েছিলেন কি মার্সেলো। তারপর কার্যত ইতিহাস। ১৯৮৭ সালে তাদের ‘ফাইনাল কাউন্টডাউন’ গানটি মিউজিক জগতে সাড়া ফেলে দেয়। সেরা ২৫টি গানের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছিল তাদের এই সৃষ্টি। যদিও একদশক পর থেকে নিজেই দল তৈরি করে একের পর এক হিট গান তৈরি করেন মার্সেলো। লাইভ শো’গুলিতে নিজের প্রাক্তন ব্যান্ড ইউরোপ-এর গানের ডালি থাকেই। বছর পঁয়ষট্টির এই রকস্টার এবার আমন্ত্রিত দার্জিলিং মেলো টি ফেস্ট-এ। দার্জিলিং জেলা পুলিস এবং জিটিএ মিলিতভাবে এই উত্সবের আয়োজন করেছে।
পাহাড়ের প্রতি ঘরে সঙ্গীতের প্রতিভা। সেই প্রতিভা তুলে আনতে ব্যান্ড কম্পিটিশনের আয়োজন করা হয়েছে ম্যাল-এ। বিজয়ী ব্যান্ডকে লক্ষাধিক টাকার পুরস্কারও দেওয়া হবে। সেখানেই তৈরি হয়েছে মঞ্চ। বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় নিজের টিম নিয়ে নামছেন কি মার্সেলো। তাঁর নিজের সৃষ্টি করা গানের পাশাপাশি ইউরোপ-এর গান শোনার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন রক ভক্ত থেকে পর্যটকরাও।
মালবাজারের তরুণ বাস গিটারিস্ট সুদীপ ঘটক কি মার্সেলোর অনুরাগী। সরকারি অনুষ্ঠানে ইন্টারন্যাশনাল ব্যান্ড আসছে জেনে তিনি শৈলশহরে পাড়ি দিচ্ছেন। প্রবেশ অবাধ থাকায় অতিরিক্ত খরচেরও ব্যাপার নেই। এদিন ফোনে তাঁর অভিজ্ঞতা জানিয়ে বললেন, ছোট থেকে ইউরোপ ব্যান্ড শুনেছি। সেই গান সামনে দাঁড়িয়ে প্রত্যক্ষ করতে চাই। তাই প্রহর গুনছি। জলপাইগুড়ি শহর থেকে মেলো টি ফেস্টে যাচ্ছেন সুপ্রতিম নাগ। আইনজীবী এই যুবক বলেন, প্রথম ইংরেজি গানের মধ্যে ফাইনাল কাউন্টডাউন অন্যতম। দার্জিলিং পুলিস আমাদের সেই সুযোগটা এনে দিয়েছে। সামনে থেকে শুনব বলে ভীষণ এক্সাইটেড। আমরা জলপাইগুড়ি শহর থেকে পুরো দল নিয়ে সকাল সকালই পাহাড়ে পাড়ি দিচ্ছি।
পাহাড়ের প্রতি ঘরে সঙ্গীতের প্রতিভা। সেই প্রতিভা তুলে আনতে ব্যান্ড কম্পিটিশনের আয়োজন করা হয়েছে ম্যাল-এ। বিজয়ী ব্যান্ডকে লক্ষাধিক টাকার পুরস্কারও দেওয়া হবে। সেখানেই তৈরি হয়েছে মঞ্চ। বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় নিজের টিম নিয়ে নামছেন কি মার্সেলো। তাঁর নিজের সৃষ্টি করা গানের পাশাপাশি ইউরোপ-এর গান শোনার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন রক ভক্ত থেকে পর্যটকরাও।
মালবাজারের তরুণ বাস গিটারিস্ট সুদীপ ঘটক কি মার্সেলোর অনুরাগী। সরকারি অনুষ্ঠানে ইন্টারন্যাশনাল ব্যান্ড আসছে জেনে তিনি শৈলশহরে পাড়ি দিচ্ছেন। প্রবেশ অবাধ থাকায় অতিরিক্ত খরচেরও ব্যাপার নেই। এদিন ফোনে তাঁর অভিজ্ঞতা জানিয়ে বললেন, ছোট থেকে ইউরোপ ব্যান্ড শুনেছি। সেই গান সামনে দাঁড়িয়ে প্রত্যক্ষ করতে চাই। তাই প্রহর গুনছি। জলপাইগুড়ি শহর থেকে মেলো টি ফেস্টে যাচ্ছেন সুপ্রতিম নাগ। আইনজীবী এই যুবক বলেন, প্রথম ইংরেজি গানের মধ্যে ফাইনাল কাউন্টডাউন অন্যতম। দার্জিলিং পুলিস আমাদের সেই সুযোগটা এনে দিয়েছে। সামনে থেকে শুনব বলে ভীষণ এক্সাইটেড। আমরা জলপাইগুড়ি শহর থেকে পুরো দল নিয়ে সকাল সকালই পাহাড়ে পাড়ি দিচ্ছি।



