Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

‘পদত্যাগ করা উচিত ছিল’, ক্লিন্টনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বিস্ফোরক মনিকা লিউইনস্কি

‘পদত্যাগ করা উচিত ছিল’, ক্লিন্টনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বিস্ফোরক মনিকা লিউইনস্কি
  • ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিউ ইয়র্ক: হোয়াইট হাউসের ইন্টার্নের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক! তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টনের সঙ্গে মনিকা লিউইনস্কির সম্পর্ক নব্বইয়ের দশকে সারা বিশ্বেই ব্যাপক আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল। তারপর কেটে গিয়েছে তিন দশক। সম্প্রতি ফের ওই ঘটনা নিয়ে ফের মুখ খুললেন মনিকা। এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, ওই সময় ইস্তফা দেওয়া উচিত ছিল ক্লিন্টনের। কিন্তু তিনি স্বপদে বহাল থেকে অল্পবয়সি একটি মেয়েকে বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছিলেন। 
Advertisement
১৯৯৫ সালে হোয়াইট হাউসে ইন্টার্ন হিসেবে যোগ দেন ২২ বছরের মনিকা। অসামান্য সুন্দরী ইন্টার্নের প্রতি খুব স্বল্প সময়ের মধ্যেই আকৃষ্ট হয়ে পড়েন ৪৯ বছরের ক্নিন্টন।  দু’জনের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও গড়ে ওঠে। ১৯৯৮ সালে তাঁদের এই সম্পর্কের কথা ফাঁস হয়ে যায়।  বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশের প্রেসিডেন্টের যৌন কেলেঙ্কারি আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছিল। এর জেরে মার্কিন কংগ্রেসে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবের মুখে পড়তে হয়েছিল ক্লিন্টনকে। কিন্তু সে যাত্রা কোনওক্রমে রক্ষা পেয়ে যান ৪২তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পরে মনিকার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি স্বীকার করে নেন তিনি। 
সম্প্রতি ইউটিউবে ‘কল হার ড্যাডি’ নামক একটি পডকাস্টে সাক্ষাৎকার দেন মনিকা। সেদিনের ২২ বছরের তরুণী আজ ৫৬ বছরের প্রৌঢ়া। সাক্ষাৎকারে স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসে ক্নিন্টন পর্ব। এব্যাপারে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,  ‘ক্নিন্টনের পদত্যাগ করা উচিত ছিল। বলা উচিত ছিল যে, এটা কারুর মাথাব্যথার বিষয় নয়। কিন্তু শুধুমাত্র কুর্সি বাঁচাতে মিথ্যে বলে একজন তরুণীকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়াটা একেবারেই উচিত ছিল না।’ তৎকালীন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়াটা যে ভুল ছিল, তা মেনে নিয়েছেন মনিকা। যদিও পুরো ঘটনায় ক্নিন্টনকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি।  মনিকা অবশ্য জানিয়েছেন, পারস্পরিক সম্মতিতেই শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন তাঁরা। তবে গোটা ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর ক্নিন্টনের ভূমিকায় চূড়ান্ত ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মনিকা। তিনি বলেছেন, সেই সময় অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তি হয়েও তাঁর পাশে দাঁড়াননি ক্নিন্টন। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ