নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: হাতে মাত্র আর কটা দিন। বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপিতে সদস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ প্রায় অসম্ভব। এই পরিস্থিতিতে ‘অ্যাক্টিভ মেম্বারশিপের’ জন্যও চাপানো হল শর্ত। ১০০ জনকে সদস্য করাতে পারলে তবেই মিলবে অ্যাক্টিভ মেম্বারশিপ। সক্রিয় সদস্য না হলে মিলবে না দলীয় পদ। এই অবস্থায় পদ ও মান বাঁচাতে ১০০ জনকে মেম্বার করাতে উঠে পড়ে নেমেছেন কিছু নেতা। তবে তাতেও টার্গেট পূরণ হবে কি না, তা নিয়ে দলীয় নেতারাই সন্দিহান।
Advertisement
বহরমপুর সাংগঠনিক জেলায় এক লক্ষ সদস্য পদ সংগ্রহের টার্গেট দেওয়া হয়েছে। সেখানে সদস্য পদ সংগ্রহ হয়েছে ৬৪ হাজারের মতো। ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সদস্য সংগ্রহ অভিযান চলবে। অনলাইন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে এই সদস্য সংগ্রহ অভিযান চলছে। তিনদিনের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা কীভাবে পূরণ হবে, তা নিয়ে চিন্তিত নেতারা। তাই শেষ মুহূর্তে নেতাদের অ্যাক্টিভ মেম্বারশিপ বাঁচানোর লড়াইয়ে নামিয়েছে জেলা নেতৃত্ব। অ্যাক্টিভ মেম্বার হওয়ার জন্য ১০০ জনকে সদস্য করতে উঠেপড়ে নেমেছেন কিছু নেতা। কিন্তু, সদস্য হওয়ার আগ্রহ না থাকায় বহু নেতার কালঘাম ছুটছে।
বহরমপুরের বিজেপি সভাপতি শাখারভ সরকার বলেন, অন্যান্য জেলার তুলনায় আমরা সদস্য সংগ্রহ অভিযানে ভালো জায়গায় আছি। ৬৪ হাজার সদস্য সংগ্রহ হয়ে গিয়েছে। অ্যাক্টিভ মেম্বারশিপ পাওয়ার জন্য তো আমার কাছে আবেদন করতে হবে। নেতারা ১০০ জন করে সদস্য করাতে পেরেছেন কি না, তা আমরা দেখে নেব। মুর্শিদাবাদ জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকায় আমাদের সদস্য সংগ্রহ অভিযানে কিছুটা ধাক্কা খেয়েছিল। তবে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় পাওয়ায় সুবিধা হয়েছে। আমার ১০০ জন সদস্য সংগ্রহ করা হয়ে গিয়েছে।
বহরমপুরের বিজেপির সাধারণ সম্পাদক লাল্টু দাস বলেন, অ্যাক্টিভ মেম্বারশিপ পাওয়ার জন্য নেতারা উঠে পড়ে নেমেছেন। কারণ, মেম্বারশিপ পেতে গেলে প্রত্যেককে অন্তত ১০০জন করে বৈধ মেম্বার তৈরি করতে হবে। আগামী দিনে কোনও নেতাকে পদ পেতে গেলে সে অ্যাক্টিভ মেম্বার কি না, তা বিচার্য হবে। অনেক নেতা ১০০ জন করে সদস্য করতে পারেননি। এখনও হাতে যে সময় আছে, তাতে হয়তো কয়েকজনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়ে যাবে।
যদিও বিজেপির নিচুতলার কর্মীরা শীর্ষ নেতৃত্বের এই সিদ্ধান্তে খুশি। তাঁদের দাবি, বরাবর জেলা নেতৃত্ব আমাদের উপর কর্মসূচি চাপিয়ে দেয়। এবারও সদস্য সংগ্রহ অভিযানে শুরু থেকেই নিচুতলার কর্মীরা মনপ্রাণ দিয়ে কাজ করেছে। এবার নেতাদের পালা। নিজেদের পদ বাঁচিয়ে রাখতে গেলে তাঁদের অ্যাক্টিভ মেম্বার হতে হবে। যার ফলে তাঁরাও এখন উঠে পড়ে নেমেছেন। অনেক নেতা নতুন সদস্য খুঁজে পাচ্ছেন না। এবার তাঁরা নিজেদের ক্ষমতাটা বুঝতে পারছেন।
বহরমপুরের বিজেপি সভাপতি শাখারভ সরকার বলেন, অন্যান্য জেলার তুলনায় আমরা সদস্য সংগ্রহ অভিযানে ভালো জায়গায় আছি। ৬৪ হাজার সদস্য সংগ্রহ হয়ে গিয়েছে। অ্যাক্টিভ মেম্বারশিপ পাওয়ার জন্য তো আমার কাছে আবেদন করতে হবে। নেতারা ১০০ জন করে সদস্য করাতে পেরেছেন কি না, তা আমরা দেখে নেব। মুর্শিদাবাদ জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকায় আমাদের সদস্য সংগ্রহ অভিযানে কিছুটা ধাক্কা খেয়েছিল। তবে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় পাওয়ায় সুবিধা হয়েছে। আমার ১০০ জন সদস্য সংগ্রহ করা হয়ে গিয়েছে।
বহরমপুরের বিজেপির সাধারণ সম্পাদক লাল্টু দাস বলেন, অ্যাক্টিভ মেম্বারশিপ পাওয়ার জন্য নেতারা উঠে পড়ে নেমেছেন। কারণ, মেম্বারশিপ পেতে গেলে প্রত্যেককে অন্তত ১০০জন করে বৈধ মেম্বার তৈরি করতে হবে। আগামী দিনে কোনও নেতাকে পদ পেতে গেলে সে অ্যাক্টিভ মেম্বার কি না, তা বিচার্য হবে। অনেক নেতা ১০০ জন করে সদস্য করতে পারেননি। এখনও হাতে যে সময় আছে, তাতে হয়তো কয়েকজনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়ে যাবে।
যদিও বিজেপির নিচুতলার কর্মীরা শীর্ষ নেতৃত্বের এই সিদ্ধান্তে খুশি। তাঁদের দাবি, বরাবর জেলা নেতৃত্ব আমাদের উপর কর্মসূচি চাপিয়ে দেয়। এবারও সদস্য সংগ্রহ অভিযানে শুরু থেকেই নিচুতলার কর্মীরা মনপ্রাণ দিয়ে কাজ করেছে। এবার নেতাদের পালা। নিজেদের পদ বাঁচিয়ে রাখতে গেলে তাঁদের অ্যাক্টিভ মেম্বার হতে হবে। যার ফলে তাঁরাও এখন উঠে পড়ে নেমেছেন। অনেক নেতা নতুন সদস্য খুঁজে পাচ্ছেন না। এবার তাঁরা নিজেদের ক্ষমতাটা বুঝতে পারছেন।



