সংবাদদাতা, বালুরঘাট: নবজাতক হলে ‘মিষ্টিমুখ করার’ জন্য আয়াদের দিতে হবে টাকা। কারও কাছে ১০০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। কারও কাছে আবার দুই হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে। বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে আয়াদের ‘তোলাবাজি’তে ক্ষুব্ধ প্রসূতির পরিজনরা। এনিয়ে শনিবার সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। দীর্ঘদিন ধরে আয়ারা এভাবে টাকা দাবি করলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনও পদক্ষেপ না নেওয়া প্রশ্ন উঠেছে। বালুরঘাট হাসপাতালের সুপার কৃষ্ণেন্দু বিকাশ বাগ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Advertisement
এক প্রসূতির আত্মীয় প্রদ্যুত্ মহন্ত দাস বলেন, হাসপাতালে বাচ্চা হলেই আয়া মাসিরা টাকা দাবি করছেন। সরকারি হাসপাতালে এটা বন্ধ হওয়া উচিত। একই বক্তব্য নীতিশ বসাকেরও। তাঁর কথায়, সরকারি হাসপাতালে এধরনের তোলাবাজি বন্ধ হওয়া উচিত।
বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি সহ সদর হাসপাতালে আয়া মাসিদের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ট রোগীর পরিজনরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আয়াদের কেন রেখেছে তানিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন প্রসূতির পরিজনরা। কোনও রোগী হাসপাতালে ভর্তি হলে আয়া রাখতে হয়। সেজন্য প্রতিদিন ২৬০ টাকা দিতে হয়। অভিযোগ, কেউ টাকা না দিলে সেই রোগীর চিকিৎসা ঠিকভাবে করা হয় না। সন্তান হলে মিষ্টি খাওয়ার নামে হাজার হাজার টাকা দাবি করা হয়। শনিবার রোগীর পরিজনরা হাসপাতাল সুপারের দ্বারস্থ হন। তাঁদের দাবি, সরকারি হাসপাতালে যদি এমন তোলাবাজি হয় তাহলে তাঁরা কোথায় চিকিত্সা পরিষেবা নেবেন।
বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি সহ সদর হাসপাতালে আয়া মাসিদের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ট রোগীর পরিজনরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আয়াদের কেন রেখেছে তানিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন প্রসূতির পরিজনরা। কোনও রোগী হাসপাতালে ভর্তি হলে আয়া রাখতে হয়। সেজন্য প্রতিদিন ২৬০ টাকা দিতে হয়। অভিযোগ, কেউ টাকা না দিলে সেই রোগীর চিকিৎসা ঠিকভাবে করা হয় না। সন্তান হলে মিষ্টি খাওয়ার নামে হাজার হাজার টাকা দাবি করা হয়। শনিবার রোগীর পরিজনরা হাসপাতাল সুপারের দ্বারস্থ হন। তাঁদের দাবি, সরকারি হাসপাতালে যদি এমন তোলাবাজি হয় তাহলে তাঁরা কোথায় চিকিত্সা পরিষেবা নেবেন।



