নয়াদিল্লি: দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে নয়াদিল্লি কেন্দ্রে হারের মুখ দেখতে হয়েছে আম আদমি পার্টি (আপ) প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। সেইসঙ্গে দিল্লিতে আপের ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের স্বপ্নও ভঙ্গ হয়েছে। ভোটে এই বিপর্যয়ের জন্য দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকেই দুষছেন প্রবীণ সমাজকর্মী আন্না হাজারে। দিল্লির আবগারি দুর্নীতিই আপকে ডুবিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আন্না। স্বাতী মালিওয়াল ও কুমার বিশ্বাসের মতো প্রাক্তন সহযোদ্ধাদেরও তোপের মুখে পড়তে হয়েছে আপ প্রতিষ্ঠাতাকে।
Advertisement
মনমোহন জমানার বিরুদ্ধে আন্নার আন্দোলনের হাত ধরেই উত্থান কেজরিওয়ালের। তারপর রাজনৈতিক দল গড়ে অল্পসময়ের মধ্যে নিজের ভিত মজবুত করেন তিনি। কিন্তু ততদিনে নিজের রাজনৈতিক ‘গুরু’ আন্নার সঙ্গে সম্পর্কে চিড় ধরে কেজরিওয়ালের। এবার দিল্লির ভোটে আপের হারের পর মুখ খুলেছেন আন্না। তিনি বলেছেন, অর্থ আর ক্ষমতার নেশায় বুঁদ ছিলেন কেজরিওয়াল। কোনওরকম সতর্কবাণী শোনেননি। তার জেরেই হারের মুখ দেখতে হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘একজন প্রার্থীর আচরণ ও ভাবনাচিন্তায় শুদ্ধতা থাকা প্রয়োজন। জীবনে ত্যাগ থাকা উচিত। কোনওরকম কলঙ্ক বা অভিযোগ থাকলে চলবে না। এই গুণগুলিকে ভোটারদের কাছে কেজরিওয়ালকে বিশ্বস্ত করে তুলেছিল। আমি তাঁকে সতর্ক করেছিলাম। কিন্তু তিনি কথা শোনেননি। মনোনিবেশ করলেন মদে। এই ইস্যু কেন উঠে এল? কারণ উনি অর্থশক্তিতে বুঁদ হয়েছিল।’
হারের জন্য আপ সুপ্রিমোকে দায়ী করেছেন দলের বিদ্রোহী রাজ্যসভার সদস্য স্বাতী মালিওয়াল। কেজরিওয়ালের বাসভবনে তাঁকে মারধরের অভিযোগ তুলেছিলেন স্বাতী। তাঁর অভিযোগের আঙুল ছিল কেজরিওয়ালের এক ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনা ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। এদিন এক্স হ্যান্ডলে দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণের ছবি শেয়ার করে দলকে খোঁচা দিয়েছেন আপ সাংসদ। তিনি বলেন, ‘কোনও ব্যক্তি যদি দাম্ভিক হয়ে ওঠেন এবং কাজ বন্ধ করে দেন, তাহলে তাঁকে শিক্ষা দেয় আম জনতা। আজ কেজরিওয়ালের সঙ্গে সেটাই হয়েছে।’ কুমার বিশ্বাসের দাবি, আজ দিল্লি আপের অপশাসন থেকে মুক্ত হল। ছবি: পিটিআই
হারের জন্য আপ সুপ্রিমোকে দায়ী করেছেন দলের বিদ্রোহী রাজ্যসভার সদস্য স্বাতী মালিওয়াল। কেজরিওয়ালের বাসভবনে তাঁকে মারধরের অভিযোগ তুলেছিলেন স্বাতী। তাঁর অভিযোগের আঙুল ছিল কেজরিওয়ালের এক ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনা ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। এদিন এক্স হ্যান্ডলে দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণের ছবি শেয়ার করে দলকে খোঁচা দিয়েছেন আপ সাংসদ। তিনি বলেন, ‘কোনও ব্যক্তি যদি দাম্ভিক হয়ে ওঠেন এবং কাজ বন্ধ করে দেন, তাহলে তাঁকে শিক্ষা দেয় আম জনতা। আজ কেজরিওয়ালের সঙ্গে সেটাই হয়েছে।’ কুমার বিশ্বাসের দাবি, আজ দিল্লি আপের অপশাসন থেকে মুক্ত হল। ছবি: পিটিআই



