নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে অনিয়ম ঠেকাতে আরও কড়া রাজ্য সরকার। সেই লক্ষ্যে এবার কার্ড ব্যবস্থাকেই তুলে দিতে চাইছে নবান্ন। সরাসরি আধার কার্ডের মাধ্যমে এই জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন উপভোক্তারা। সবকিছু ঠিক থাকলে নতুন অর্থবর্ষ থেকেই এই নয়া ব্যবস্থা চালু হয়ে যাবে। যার জন্য বিভিন্ন নার্সিংহোমগুলির সঙ্গে বৈঠক ও ট্রেনিং প্রোগ্রামের আয়োজন করছে নদীয়া জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর। নদীয়া জেলার মোট ১৬৮টি নার্সিংহোমকে সঙ্গে নিয়ে আগামী তিন মাসে এই ট্রেনিং হবে। গত শনিবার নদীয়া জেলার কল্যাণী মহকুমার ২৪টি বেসরকারি নার্সিংহোমকে নিয়ে এই ট্রেনিং করা হয়েছিল। এই নয়া ব্যবস্থার ফলে, প্রকল্পের টাকার অনৈতিক ব্যবহার কমানো যাবে বলে মনে করছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা।
Advertisement
নদীয়া জেলা স্বাস্থ্য ওসি অজয় সামন্ত বলেন, ‘আগে নার্সিংহোমগুলি একটি কার্ডের মাধ্যমে এই কাজ করত। এবার সেটিকে আধারের সঙ্গে যোগ করা হয়েছে। এর ফলে কার্ডের প্রয়োজন পড়বে না। এর ফলে বিভিন্ন নার্সিংহোমগুলিতেই সমস্ত কাজ করা যাবে। স্বাস্থ্যসাথীতে যে সমস্ত উপভোক্তার নাম থাকবে এবং তাঁদের আধারের সঙ্গে মোবাইল নম্বর যুক্ত করা থাকলে তাঁরা প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন।’
স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নতুন নয়। ভুয়ো রোগী দেখিয়ে সরকারি প্রকল্পের টাকা হাতানোর ভূরি ভূরি উদাহরণ রয়েছে। হাসপাতালের সুস্থ রোগীকে দালাল মারফত নার্সিংহোমে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসার বিল করানো হয়। তারপর বিলের টাকা তোলা হয় স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে। অতীতে নদীয়া জেলাতেও একাধিক নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে এরকম অভিযোগ উঠেছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য আধিকারিকরা হাসপাতালে গিয়ে এর প্রমাণ পেয়েছেন। এমনও দেখা গিয়েছে, হাসপাতালের খাতায় দেখা যাচ্ছে রোগী ভর্তি, অথচ সেই রোগীর অস্তিত্ব নেই হাসপাতালে।
জানা গিয়েছে, এতদিন নার্সিংহোমে ডেস্ক-টিএমএস সিস্টেমের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা পেতেন রোগীরা। সেখানে একটি পোর্টালের স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের নম্বর, রোগীর সমস্যা, চিকিৎসকের নাম সহ যাবতীয় তথ্য দিয়ে রোগীকে ভর্তি করানো হয়। তারপর রোগীর ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে তাঁর রেজিস্ট্রেশন করানো হয়। পাশাপাশি রোগীর সমস্ত রিপোর্ট, ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন স্ক্যান করে একটি ফোল্ডারে জমা করে রাখা হয়। তারপর সমস্ত কিছুই টিএমএস সিস্টেমে আপলোড করে দেওয়া হয়। স্বাস্থ্যভবন থেকে সেই সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখে নার্সিংহোমকে অনুমতি দেওয়া হয়। তবেই সেই রোগীর অপারেশন করানো যায়। বর্তমানে অপারেশন শুরুর আগে থেকে অপারেশন শেষ হওয়া পর্যন্ত চারবার রোগীর ছবি তুলে আপলোড করতে হয়। তারপর রোগীকে ছুটি দেওয়ার সময় তাঁর ভিডিও ফিডব্যাক নেওয়া হয়। অর্থাৎ গোটাটাই খুব জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চলে।
এবার সেই ডেস্ক টিএমএস সিস্টেম তুলে দিয়ে ওয়েব টিএমএস সিস্টেম চালু করা হবে। যেখানে এত ঝক্কি পোহাতে হবে না নার্সিংহোমগুলোকে। সরাসরি আধার নম্বরের মাধ্যমে রোগীকে নার্সিংহোমে ভর্তি, চিকিৎসা এবং ছুটি দেওয়া যাবে। প্রশাসনের আধিকারিকদের কথা, ‘অনেক সময় দেখা যায়, রোগীরা কার্ড হারিয়ে ফেলেছেন। কিংবা রোগীর পরিবারের সকলের নাম কার্ডে নেই। তখন তাঁদের ছুটে আসতে হয় নদীয়া ডিস্ট্রিক্ট অফিসে। তা রোগীর পরিবারের জন্যও বেশ অসুবিধাজনক। নয়া ব্যবস্থায় উভয়পক্ষই সুবিধা পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।’
স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নতুন নয়। ভুয়ো রোগী দেখিয়ে সরকারি প্রকল্পের টাকা হাতানোর ভূরি ভূরি উদাহরণ রয়েছে। হাসপাতালের সুস্থ রোগীকে দালাল মারফত নার্সিংহোমে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসার বিল করানো হয়। তারপর বিলের টাকা তোলা হয় স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে। অতীতে নদীয়া জেলাতেও একাধিক নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে এরকম অভিযোগ উঠেছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য আধিকারিকরা হাসপাতালে গিয়ে এর প্রমাণ পেয়েছেন। এমনও দেখা গিয়েছে, হাসপাতালের খাতায় দেখা যাচ্ছে রোগী ভর্তি, অথচ সেই রোগীর অস্তিত্ব নেই হাসপাতালে।
জানা গিয়েছে, এতদিন নার্সিংহোমে ডেস্ক-টিএমএস সিস্টেমের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা পেতেন রোগীরা। সেখানে একটি পোর্টালের স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের নম্বর, রোগীর সমস্যা, চিকিৎসকের নাম সহ যাবতীয় তথ্য দিয়ে রোগীকে ভর্তি করানো হয়। তারপর রোগীর ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে তাঁর রেজিস্ট্রেশন করানো হয়। পাশাপাশি রোগীর সমস্ত রিপোর্ট, ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন স্ক্যান করে একটি ফোল্ডারে জমা করে রাখা হয়। তারপর সমস্ত কিছুই টিএমএস সিস্টেমে আপলোড করে দেওয়া হয়। স্বাস্থ্যভবন থেকে সেই সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখে নার্সিংহোমকে অনুমতি দেওয়া হয়। তবেই সেই রোগীর অপারেশন করানো যায়। বর্তমানে অপারেশন শুরুর আগে থেকে অপারেশন শেষ হওয়া পর্যন্ত চারবার রোগীর ছবি তুলে আপলোড করতে হয়। তারপর রোগীকে ছুটি দেওয়ার সময় তাঁর ভিডিও ফিডব্যাক নেওয়া হয়। অর্থাৎ গোটাটাই খুব জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চলে।
এবার সেই ডেস্ক টিএমএস সিস্টেম তুলে দিয়ে ওয়েব টিএমএস সিস্টেম চালু করা হবে। যেখানে এত ঝক্কি পোহাতে হবে না নার্সিংহোমগুলোকে। সরাসরি আধার নম্বরের মাধ্যমে রোগীকে নার্সিংহোমে ভর্তি, চিকিৎসা এবং ছুটি দেওয়া যাবে। প্রশাসনের আধিকারিকদের কথা, ‘অনেক সময় দেখা যায়, রোগীরা কার্ড হারিয়ে ফেলেছেন। কিংবা রোগীর পরিবারের সকলের নাম কার্ডে নেই। তখন তাঁদের ছুটে আসতে হয় নদীয়া ডিস্ট্রিক্ট অফিসে। তা রোগীর পরিবারের জন্যও বেশ অসুবিধাজনক। নয়া ব্যবস্থায় উভয়পক্ষই সুবিধা পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।’



