সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: জলচুরি রুখতে এবার টাস্কফোর্স গঠন করবে শিলিগুড়ি পুরসভা। জলকষ্টের মধ্যে শহরের বিভিন্ন জায়গায় জলচুরির অভিযোগ প্রায়ই পুরসভায় আসছে। টক টু মেয়র ফোন ইন লাইভ অনুষ্ঠানেও অনেকে সরাসরি মেয়রকে বিষয়টি জানাচ্ছেন। পুরসভার পানীয় জল সরবরাহের পাইপে পাম্প যুক্ত করে অনেকে বহুতলে জল তুলছে। শহরের বিভিন্ন অ্যাপার্টমেন্ট, বসতবাড়ির পাশাপাশি হোটেল, রেস্তরাঁতেও এই জলচুরির অভিযোগ রয়েছে।
Advertisement
অতীতেও এধরনের অভিযোগ উঠেছে। পুরসভা পদক্ষেপ করায় তা বন্ধ হয়েছিল। জলকষ্টের মধ্যে ফের এই প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। যেখানে এভাবে জলচুরি হচ্ছে তার লাগোয়া এলাকার বাসিন্দারা পুরসভার পানীয় জল ঠিকমতো পাচ্ছেন না। অনেক বাড়িতে জল যাচ্ছে না। কোথাও সরু করে জল পড়ছে। এই অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন মেয়র গৌতম দেব। তিনি বলেন, জলচুরি বন্ধ করতে এবার কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অতীতে কিছু জায়গা থেকে এধরনের অভিযোগ পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার বরো ভিত্তিক টাস্কফোর্স বানিয়ে সব এলাকায় নজরদারি চলবে। অনেক বেশি জায়গা থেকে এবার জলচুরির অভিযোগ আসছে। জল চুরি ধরা পড়লে সেই ব্যক্তি বা হোটেল রেস্তরাঁর মালিকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাদের জলের সংযোগ সিল করে দেওয়া হবে। এক প্রশ্নের উত্তরে মেয়র বলেন, টাস্কফোর্সে বিশেষজ্ঞদের রাখা হবে। সঙ্গে নতুন কর্মীও নেওয়া হবে।
জলচুরির পাশাপাশি জলের সমস্যা নিয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযোগ উঠেছে। এপ্রসঙ্গে মেয়র বলেন, আমাদের মেগা জল প্রকল্পের কাজ চলছে। কিছু জায়গায় জমির জটিলতা দেখা দিয়েছিল। সেই সমস্যা মিটতে শুরু করেছে। মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার আগে শহরবাসীকে যাতে জলের সমস্যায় পড়তে না হয় সেজন্য বিকল্প কিছু ব্যবস্থা আমরা করেছি। কিছু জায়গায় ডিপ টিউবওয়েল বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। অনেক জায়গায় জলের ট্যাঙ্ক রাখা হচ্ছে।
তারপরেও জলের সমস্যা নিয়ে অভিযোগ উঠছে। এপ্রসঙ্গে মেয়র বলেন, আমাদের চেষ্টার ত্রুটি নেই। তবে নাগরিকদের অভিযোগ থেকে বুঝতে পারছি কিছু জায়গায় সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। সব খবর ঠিকমতো আমি পাচ্ছি না। তাই এবার আমি নিজে বিভিন্ন এলাকায় পরিদর্শনে যাব, সব খতিয়ে দেখব।
জলচুরির পাশাপাশি জলের সমস্যা নিয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযোগ উঠেছে। এপ্রসঙ্গে মেয়র বলেন, আমাদের মেগা জল প্রকল্পের কাজ চলছে। কিছু জায়গায় জমির জটিলতা দেখা দিয়েছিল। সেই সমস্যা মিটতে শুরু করেছে। মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার আগে শহরবাসীকে যাতে জলের সমস্যায় পড়তে না হয় সেজন্য বিকল্প কিছু ব্যবস্থা আমরা করেছি। কিছু জায়গায় ডিপ টিউবওয়েল বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। অনেক জায়গায় জলের ট্যাঙ্ক রাখা হচ্ছে।
তারপরেও জলের সমস্যা নিয়ে অভিযোগ উঠছে। এপ্রসঙ্গে মেয়র বলেন, আমাদের চেষ্টার ত্রুটি নেই। তবে নাগরিকদের অভিযোগ থেকে বুঝতে পারছি কিছু জায়গায় সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। সব খবর ঠিকমতো আমি পাচ্ছি না। তাই এবার আমি নিজে বিভিন্ন এলাকায় পরিদর্শনে যাব, সব খতিয়ে দেখব।



