নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: আই লভ ইউ—আপাত নিরীহ এই শব্ধবন্ধে অদ্ভুত এক জাদু লুকিয়ে। আর তা যদি হয় কোনও সুবেশা তরুণীর মুখ নিসৃত তা হলে তো কথাই নেই! সব ছেড়েছুড়ে মন যেন হয়ে ওঠে পাগলপারা। ঠিক যেমনটি হয়েছিল শিলিগুড়ির রাহুল আগরওয়ালের। কিন্তু ‘পাগলপারা’ হতে গিয়ে যে তাঁকে সব খুইয়ে রাস্তায় বসতে হবে, সেটা বোধহয় ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেননি। আসলে ওই প্রেম নিবেদনের প্রস্তাবেই ছিল প্রতারণার ফাঁদ। বুঝে ওঠার আগেই অ্যাকাউন্ট থেকে ২৫ লক্ষ টাকা হাপিস! অনেকটা ‘হানিট্র্যাপ’-এর মতোই!
Advertisement
রাহুল শিলিগুড়ির ব্যবসায়ী। তাঁর সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ হয় এক সুন্দরী তরুণীর। পরিচয়ের মাত্র এক মাসের মধ্যেই প্রেম নিবেদন—‘আমি তোমাকে ভালোবাসি।’ অবিবাহিত রাহুলের মন গলে জল। ‘বান্ধবী’ যা বলছেন তাই শুনছেন। ট্রেডিং মার্কেটে বিনিয়োগ করুন…, করছেন। করেই যাচ্ছেন। ধাপে ধাপে ২৪ লক্ষ ৯৯ হাজার টাকা। কিন্তু রিটার্ন? ‘বান্ধবী’র আশ্বাস, একেবারে চিন্তা নয়। ভালোই রিটার্ন মিলেছে। সব লাভ একসঙ্গে ঘরে তুলবেন। এবার খানিক ধৈর্য্য হারিয়ে রিটার্ন পেতে পীড়াপীড়ি শুরু করেন রাহুল। ওপারের ‘বান্ধবী’ সাফ জানিয়ে দেন, ‘সেটা পেতেও আরও লগ্নি করতে হবে আপনাকে।’
তাতেই প্রেমের ঘোর কেটে গিয়ে হুঁশ ফেরে রাহুলের। বুঝতে পারেন, প্রেম-ফাঁদে প্রতারিত তিনি। ২৫ নভেম্বর দ্বারস্থ হন শিলিগুড়ির সাইবার ক্রাইম থানায়।‘বান্ধবী’র নামে অভিযোগ ঠোকেন। তদন্তকারীরা মনে করছেন ব্যবসায়ী রাহুল অনলাইন ‘হানিট্র্যাপের শিকার’ হয়েছেন। তদন্ত শুরু হয়েছে। শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার(পূর্ব) রাকেশ সিং বলেন, ‘ওই ব্যবসায়ী প্রতারণার একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত চলছে। যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে ব্যবসায়ী টাকা পাঠিয়েছিলেন, সেগুলি ফ্রিজ করা হয়েছে।’
শিলিগুড়ি শহরে বাড়ি রাহুলের। এতগুলি টাকা খুইয়ে স্বভাবতই বিধ্বস্ত তিনি। বলছিলেন, ‘গত ২০ অক্টোবর সোশ্যাল মিডিয়ায় এক যুবতীর সঙ্গে পরিচয় হয়। তিনি নিজেকে কলকাতার পার্কস্ট্রিটের বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন। বাবা-মা নেই। কাকার কাছে থাকেন। এভাবে এক-দু’দিন কথা বলার পর এসএমএসে চ্যাট শুরু করি। উনি একাধিকবার আমাকে ‘আই লভ ইউ’ বলেছেন। বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছেন। ওঁর কথায় বিশ্বাস করি। আমার বাবা-মা’কেও এই সম্পর্কের কথা জানাই। ওঁর সঙ্গে সম্পর্ক আরও একটু গাঢ়হতেই বাড়িতে বসে কোটি টাকা কামানোর টোপ দেন। তাতে রাজি হয়ে যাই। ওর কথা মতো চারটি অ্যাকাউন্ট থেকে কয়েক ধাপে ২৪লক্ষ ৯৯হাজার টাকা জমা করি। এজন্য ফ্ল্যাটও বিক্রি করেছি। কিন্তু, ব্যবসার লাভের টাকা ফেরত চাইলে ও অন্য গল্প শোনায়। নতুন করে ৮লক্ষ ৪০ হাজার টাকা দিলে আমাকে ৮০ লক্ষ টাকা ফেরত দেবে সে। বিনিয়োগ করা টাকা থেকে সেই টাকা কেটে নেওয়ার প্রস্তাব দিলেও রাজি হয়নি ওই যুবতী। এতেই বুঝতে পারি প্রতারিত হয়েছি। তখন অনেক দের হয়ে গিয়েছে।’
তাতেই প্রেমের ঘোর কেটে গিয়ে হুঁশ ফেরে রাহুলের। বুঝতে পারেন, প্রেম-ফাঁদে প্রতারিত তিনি। ২৫ নভেম্বর দ্বারস্থ হন শিলিগুড়ির সাইবার ক্রাইম থানায়।‘বান্ধবী’র নামে অভিযোগ ঠোকেন। তদন্তকারীরা মনে করছেন ব্যবসায়ী রাহুল অনলাইন ‘হানিট্র্যাপের শিকার’ হয়েছেন। তদন্ত শুরু হয়েছে। শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার(পূর্ব) রাকেশ সিং বলেন, ‘ওই ব্যবসায়ী প্রতারণার একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত চলছে। যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে ব্যবসায়ী টাকা পাঠিয়েছিলেন, সেগুলি ফ্রিজ করা হয়েছে।’
শিলিগুড়ি শহরে বাড়ি রাহুলের। এতগুলি টাকা খুইয়ে স্বভাবতই বিধ্বস্ত তিনি। বলছিলেন, ‘গত ২০ অক্টোবর সোশ্যাল মিডিয়ায় এক যুবতীর সঙ্গে পরিচয় হয়। তিনি নিজেকে কলকাতার পার্কস্ট্রিটের বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন। বাবা-মা নেই। কাকার কাছে থাকেন। এভাবে এক-দু’দিন কথা বলার পর এসএমএসে চ্যাট শুরু করি। উনি একাধিকবার আমাকে ‘আই লভ ইউ’ বলেছেন। বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছেন। ওঁর কথায় বিশ্বাস করি। আমার বাবা-মা’কেও এই সম্পর্কের কথা জানাই। ওঁর সঙ্গে সম্পর্ক আরও একটু গাঢ়হতেই বাড়িতে বসে কোটি টাকা কামানোর টোপ দেন। তাতে রাজি হয়ে যাই। ওর কথা মতো চারটি অ্যাকাউন্ট থেকে কয়েক ধাপে ২৪লক্ষ ৯৯হাজার টাকা জমা করি। এজন্য ফ্ল্যাটও বিক্রি করেছি। কিন্তু, ব্যবসার লাভের টাকা ফেরত চাইলে ও অন্য গল্প শোনায়। নতুন করে ৮লক্ষ ৪০ হাজার টাকা দিলে আমাকে ৮০ লক্ষ টাকা ফেরত দেবে সে। বিনিয়োগ করা টাকা থেকে সেই টাকা কেটে নেওয়ার প্রস্তাব দিলেও রাজি হয়নি ওই যুবতী। এতেই বুঝতে পারি প্রতারিত হয়েছি। তখন অনেক দের হয়ে গিয়েছে।’



