Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

‘হুড়মুড়িয়ে নীচে নেমে আসে বরফের পাহাড়’

‘হুড়মুড়িয়ে নীচে নেমে আসে বরফের পাহাড়’
  • ৩ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
দেরাদুন: বিপর্যয়ের পর ৪৮ ঘণ্টার বেশি কেটে গিয়েছে। কিন্তু, তুষার ধসের আকস্মিকতা থেকে বেরতে পারছেন না বেঁচে ফেরা কর্মীরা। হাসপাতালের বেডে শুয়েও তাঁদের চোখে আতঙ্কের ছাপ। বিআরও’র ওই ক্যাম্পেই ছিলেন যোশি। চামোলি জেলার নারায়ণবাগারের বাসিন্দা। এক্সেলারেটর মেশিন চালানোর কাজ করছিলেন। সেনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বলছিলেন, ‘কয়েকদিন ধরেই আবহাওয়া খারাপ ছিল। শুক্রবার ভোরেও  বাইরে বরফ পড়ছিল। কন্টেইনার থেকে বেরতেই ঝোড়ো হাওয়ার মতো তীব্র শব্দ শুনতে পেলাম। উপরে তাকাতেই দেখি, পাহাড় থেকে হুড়মুড়িয়ে বরফ নেমে আসছে। চিৎকার করে সহকর্মীদের সতর্ক করেই পালাতে চেষ্টা করি। কিন্তু, বাইরেও কয়েক ফুট বরফ জমে গিয়েছিল। ফলে দৌড়তে খুব কষ্ট হচ্ছিল। ঘণ্টা দু’য়েক পর আইটিবিপির জওয়ানরা এসে উদ্ধার করেন।’ শনিবারই আহত কর্মীদের সেনার হেলিকপ্টারে মানা থেকে যোশীমঠে আনা হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিপিন কুমারও। হিমাচলের বাসিন্দা বিআরও’র এই কর্মী পিঠে চোট পেয়েছেন। আতঙ্ক  নিয়ে সাক্ষাৎ মৃত্যুকে প্রত্যক্ষ করার অভিজ্ঞতা শোনাচ্ছিলেন তিনি। বলেন, ‘প্রায় ১৫ মিনিট বরফের তলায় চাপা পড়েছিলাম।’ বিআরও’র আর এক কর্মী মনোজ ভাণ্ডারি জানিয়েছেন, ‘বরফের পাহাড়ে চাপা পড়া থেকে বাঁচতে লোডার মেশিনের পিছনে আশ্রয় নিয়েছিলাম।’
Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ