নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: উদ্যোগ ভালো। কিন্তু বেশ কিছু ক্রুটি রয়েছে। এই ত্রুটি শুধরে না নিলে আদালতে ধাক্কা খেতে পারে কেন্দ্র। ‘এক দেশ এক ভোট’ ব্যবস্থা চালুর জন্য সংবিধান সংশোধন বিল নিয়ে মোদি সরকারকে এভাবেই চাপে ফেললেন দেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি উদয় উমেশ ললিত। মঙ্গলবার সংসদীয় যৌথ কমিটির বৈঠকে এই মন্তব্য করেন তিনি। বিজেপি সাংসদ পি পি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এদিন ছিল কমিটির তৃতীয় বৈঠক।
Advertisement
এই বিল সম্পর্কে মতামত জানতে এদিন ডাকা হয়েছিল সংবিধান বিশেষজ্ঞ প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ললিতকে। এছাড়াও এসেছিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সভাপতিত্বে ‘এক দেশ এক ভোট’ সংক্রান্ত কমিটির সচিব নীতেন চন্দ্র, ২২তম ল’ কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রাক্তন বিচারপতি রিতু রাজ অবস্তিও। সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা চলে বৈঠক। কমিটির সদস্য হওয়া সত্ত্বেও কিছুক্ষণ থেকেই চলে যান প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। প্রশ্ন রাখেন, এক সঙ্গে নির্বাচন করাতে কত খরচ? কতই বা লাগবে ইভিএম? এভাবে সংবিধান বদলে একসঙ্গে লোকসভা-বিধানসভার ভোট করালে সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করা হবে বলেও তাঁর মত।
একমত তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। এদিন সংসদীয় কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির বাঁশরী স্বরাজ, আম আদমি পার্টির সঞ্জয় সিং, সমাজবাদী পার্টির ধর্মেন্দ্র যাদব, কংগ্রেসের রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা, মণীশ তিওয়ারি প্রমুখ। বৈঠক শেষে উদয় উমেশ ললিতের সঙ্গে ছবি তোলার হিড়িক পড়ে যায়। বিশ্বস্ত সূত্রে খবর, বৈঠকে মেয়াদ শেষের আগেই ভোট করানোর বিষয়টির প্রতিবাদে সরব হন কল্যাণবাবু। যা পরোক্ষে সমর্থন করেন দেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি।
সূত্রের খবর, উদয় উমেশ ললিত তাঁর মতামত জানাতে গিয়ে বলেছেন, একসঙ্গে ভোট করানোর ভাবনা ভালো। কিন্তু ত্রুটি মেটাতে হবে। পাঁচ বছরের জন্য সরকার গড়ার অধিকার দিয়েছে সংবিধান। মানুষ সেটা জেনেই ভোট দেয়। কিন্তু এক্ষেত্রে ২০৩৪ সাল থেকে একসঙ্গে ভোট করাতে গেলে অনেক রাজ্য সরকারকেই মেয়াদ শেষের আগে বিধানসভা ভঙ্গ করে দিতে হবে। এটি ত্রুটিপূর্ণ। ফলে বিল পাশের পর আইনটি চ্যালেঞ্জ করে কেউ আদালতে মামলা করলে সরকার সমস্যায় পড়তে পারে।
একইসঙ্গে সংবিধানে নতুন যে অনুচ্ছেদ (৮২ এ) অন্তর্ভূক্ত করার কথা বলা হচ্ছে, সেখানে ভাষার সমস্যা রয়েছে। ‘..প্রেসিডেন্ট মে.. বলা আছে। মানে রাষ্ট্রপতি করতেও পারেন, আবার নাও পারেন। তাই ওটি ‘... প্রেসিডেন্ট শ্যাল..’ হওয়া উচিত বলেই সুপারিশ করেন দেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। কিন্তু কল্যাণবাবুর প্রশ্ন, এই বিল পাশ করাতে দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। বিজেপির তা আছে কি? বিল পেশের সময়ই তো দেখা গিয়েছে নেই। তাহলে কেন অহেতুক অগণতান্ত্রিক উদ্যোগ?
একমত তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। এদিন সংসদীয় কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির বাঁশরী স্বরাজ, আম আদমি পার্টির সঞ্জয় সিং, সমাজবাদী পার্টির ধর্মেন্দ্র যাদব, কংগ্রেসের রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা, মণীশ তিওয়ারি প্রমুখ। বৈঠক শেষে উদয় উমেশ ললিতের সঙ্গে ছবি তোলার হিড়িক পড়ে যায়। বিশ্বস্ত সূত্রে খবর, বৈঠকে মেয়াদ শেষের আগেই ভোট করানোর বিষয়টির প্রতিবাদে সরব হন কল্যাণবাবু। যা পরোক্ষে সমর্থন করেন দেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি।
সূত্রের খবর, উদয় উমেশ ললিত তাঁর মতামত জানাতে গিয়ে বলেছেন, একসঙ্গে ভোট করানোর ভাবনা ভালো। কিন্তু ত্রুটি মেটাতে হবে। পাঁচ বছরের জন্য সরকার গড়ার অধিকার দিয়েছে সংবিধান। মানুষ সেটা জেনেই ভোট দেয়। কিন্তু এক্ষেত্রে ২০৩৪ সাল থেকে একসঙ্গে ভোট করাতে গেলে অনেক রাজ্য সরকারকেই মেয়াদ শেষের আগে বিধানসভা ভঙ্গ করে দিতে হবে। এটি ত্রুটিপূর্ণ। ফলে বিল পাশের পর আইনটি চ্যালেঞ্জ করে কেউ আদালতে মামলা করলে সরকার সমস্যায় পড়তে পারে।
একইসঙ্গে সংবিধানে নতুন যে অনুচ্ছেদ (৮২ এ) অন্তর্ভূক্ত করার কথা বলা হচ্ছে, সেখানে ভাষার সমস্যা রয়েছে। ‘..প্রেসিডেন্ট মে.. বলা আছে। মানে রাষ্ট্রপতি করতেও পারেন, আবার নাও পারেন। তাই ওটি ‘... প্রেসিডেন্ট শ্যাল..’ হওয়া উচিত বলেই সুপারিশ করেন দেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। কিন্তু কল্যাণবাবুর প্রশ্ন, এই বিল পাশ করাতে দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। বিজেপির তা আছে কি? বিল পেশের সময়ই তো দেখা গিয়েছে নেই। তাহলে কেন অহেতুক অগণতান্ত্রিক উদ্যোগ?



