সংবাদদাতা, বেলদাঃ বুধবার দাঁতন-২ ব্লকের সাবড়া রামকৃষ্ণ হাইস্কুলে আয়োজিত ‘দুয়ারে সরকার’ শিবির পরিদর্শন করলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি। সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক বিক্রমচন্দ্র প্রধান, বিডিও অভিরূপ ভট্টাচার্য, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ইফতেখার আলি প্রমুখ। এদিন ওই শিবিরে স্থানীয় মানুষজন বেহাল রাস্তা নিয়ে জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ জানান। তিনি দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। এছাড়া ব্লকের সাউরি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাংলার বাড়ি প্রকল্পের উপভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। এদিন জেলাশাসক সেখান থেকে একটি ভ্রাম্যমাণ ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরের উদ্বোধন করেন। সাবড়া রামকৃষ্ণ হাইস্কুলে আয়োজিত শিবিরে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেতে বাসিন্দারা আবেদন করেন। পাশাপাশি সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। আবদার মেটাতে তাঁদের সঙ্গে সেলফিও তোলেন জেলাশাসক। সেই সময়ই বাসিন্দারা ধনেশ্বরপুর-মোহনপুর ২৪ কিমি বেহাল রাস্তার সংস্কারের বিষয়টি জানান।
Advertisement
পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ইফতেখার আলি বলেন, এক দশকের বেশি সময় ধরে এই রাস্তা বেহাল। এর পাশাপাশি সাবড়া থেকে কাঠপুল বাজার পর্যন্ত প্রায় ন’কিমি রাস্তাও বেহাল হয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ এই সমস্যার কথা জেলাশাসকের কাছে তুলে ধরেছে। বিধায়ক বিক্রমচন্দ্র প্রধান বলেন, সম্প্রতি ওই রাস্তার জন্য অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। সেই কাজ যাতে দ্রুত হয়, সেই বিষয়ে জেলাশাসককে অনুরোধ করা হয়।
জেলাশাসক দুয়ারে সরকার শিবিরে যাওয়ার পাশাপাশি সাউরি গ্রামেও যান। বাংলার বাড়ি প্রাপক কয়েকজন উপভোক্তার সঙ্গে কথা বলেন। জেলাশাসক বলেন, মুখ্যমন্ত্রী চান প্রত্যেকের মাথার উপরে ছাদ হোক। আর তাই সমস্ত উপভোক্তা বাংলার বাড়ি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হবেন। একই সঙ্গে রাজ্য সরকারের যে সমস্ত প্রকল্প রয়েছে, তাতে যাতে কোনও উপভোক্তা বাদ না পড়েন, সেই বিষয়ে নজর রাখা হচ্ছে।
জেলাশাসক দুয়ারে সরকার শিবিরে যাওয়ার পাশাপাশি সাউরি গ্রামেও যান। বাংলার বাড়ি প্রাপক কয়েকজন উপভোক্তার সঙ্গে কথা বলেন। জেলাশাসক বলেন, মুখ্যমন্ত্রী চান প্রত্যেকের মাথার উপরে ছাদ হোক। আর তাই সমস্ত উপভোক্তা বাংলার বাড়ি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হবেন। একই সঙ্গে রাজ্য সরকারের যে সমস্ত প্রকল্প রয়েছে, তাতে যাতে কোনও উপভোক্তা বাদ না পড়েন, সেই বিষয়ে নজর রাখা হচ্ছে।



