সম্পূর্ণ বিপরীত
‘লাভিয়াপ্পা’ ছবির গল্প শুনে মনে ধরেছিল জুনেইদের। তবে অভিনীত চরিত্রের সঙ্গে নিজের একদমই মিল খুঁজে পাননি বলে জানালেন তিনি। ‘আমি অরিজিনাল ছবি ‘লাভ টুডে’ দেখেছিলাম। খুব ভালো লেগেছিল। আমার গল্পটা পছন্দ হয়েছিল। কিন্তু আমি ছবিটা করলে নিজেকে কাস্ট করতাম না। চরিত্রটি আমার ব্যক্তিত্বের সম্পূর্ণ বিপরীত’, বলেন জুনেইদ।
বাবার পরামর্শ
আমির খান হাজার হাজার তরুণের মেন্টর। বাবার থেকে অভিনয় সংক্রান্ত পরামর্শ নেন কি না জানতে চাইলে জুনেইদ হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমি বাবার কথা শুনি না। ছবির বিষয়ে ওঁর সঙ্গে আলোচনা করি না। আমি পরিচালকের সঙ্গে কথা বলি।’
চাপমুক্ত
তারকা পুত্র হওয়ায় এই ইন্ডাস্ট্রিতে নিশ্চয়ই চাপে রয়েছেন জুনেইদ? তাঁর স্বীকারোক্তি, ‘আমি কোনও চাপ অনুভব করি না। আমার মনে হয়, প্রত্যেকের নিজস্ব জার্নি থাকে। বাবার পরম্পরা বাবাকেই সামলাতে হবে, কারণ এখনও কাজ করছেন বাবা। এটা ওঁর হাতেই সুরক্ষিত। আমি তো সবেমাত্র শুরু করলাম।’
অহেতুক সমালোচনা
কাজ নিয়ে চূড়ান্ত ব্যস্ত থাকতেন আমির খান। তাই নিজের পরিবার আর সন্তানদের সময় দিতে পারেননি বলে অনেক সময় আক্ষেপ শোনা যায় আমিরের গলায়। এই প্রসঙ্গ তুলতেই একটু আপত্তির সুরে জুনেইদ বলেন, ‘না না। বাবা সবসময় আমাদের পাশে ছিলেন। এখন তো দেখছি বাবা নিজের বিষয়ে অহেতুক সমালোচনা করছেন!’
সাধারণ জীবন
আমির খানের ছেলে হয়েও সাধারণ জীবন যাপনে বিশ্বাসী জুনেইদ। সরকারি বাস এবং ট্রেনে চেপে ঘুরতে দেখা যায় তাঁকে। তারকা-পুত্র স্পষ্ট বললেন, ‘আসলে আমি প্রতিটা ক্ষেত্রে অত্যন্ত বাস্তববাদী। আমি নিজের মতো চলতে ভালোবাসি। মুম্বইতে একটা বড় গাড়ি হাঁকিয়ে চলার কোনও মানে হয় না।’
দেবারতি ভট্টাচার্য, মুম্বই