নয়াদিল্লি (পিটিআই): জাতি হিংসায় জ্বলছে মণিপুর। বহু চেষ্টার পরেও এখনও স্বাভাবিক হয়নি উত্তর-পূর্বের এই রাজ্য। ইতিমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২০০ জন। ঘরছাড়া কয়েক হাজার মানুষ। কিন্তু প্রায় দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই হিংসার নেপথ্যে কি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়েরও ভূমিকা ছিল? সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা একটি অডিও টেপ ঘিরে তুঙ্গে উঠেছে এমনই জল্পনা। সেই ঘটনায় এবার বিতর্কিত ওই অডিও টেপের বিশ্বাসযোগ্যতা খতিয়ে দেখতে সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির রিপোর্ট তলব করল সুপ্রিম কোর্ট।
Advertisement
সোমবার প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ কুকি অর্গানাইজেশন ফর হিউম্যান রাইটস ট্রাস্টের (কোহুর) আনা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছ’সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। জানা গিয়েছে, জাতিগত হিংসায় মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা খতিয়ে দেখার জন্য কোহুরের আইনজীবী আদালতের নজরদারিতে সিট তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে এদিন শীর্ষ আদালত এই নির্দেশ দেয়। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী ২৪ মার্চ।
মণিপুর-হিংসা মামলায় শুনানি চলাকালীন বেঞ্চের অপর বিচারপতি সঞ্জয় কুমার বলেন, ‘আমি যখন সুপ্রিম কোর্টে আসার সুযোগ পাই, তখন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী আমার জন্য একটি নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন। তার জন্য এই মামলার শুনানি নিয়ে যদি আপনাদের আপত্তি থাকে, জানাতে পারেন।’ যদিও তা নিয়ে কোনও আপত্তি তোলেননি প্রশান্ত ভূষণ। এর পরেই শুরু হয় অডিও টেপ মামলা নিয়ে শুনানি। কোহুরের আইনজীবীর দাবি, গোটা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ওই অডিও টেপে শোনা যাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংয়ের গলা। মেইতেই সম্প্রদায়ের কাউকে রাজ্যের অস্ত্রভাণ্ডার লুটের পরামর্শ দিতে এবং পরে যাতে পুলিস তাঁদের গ্রেপ্তার না করে, সেই বিষয়েও আশ্বস্ত করতে শোনা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে। আদালতে সেই কথোপকথন লিখিতভাবে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রশান্ত ভূষণ। জবাবে এই আবেদন প্রচ্ছন্নভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে ইঙ্গিত করেন সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি আরও জানান, ইস্যুটি জিইয়ে রাখার চেষ্টা চলছে বলে ইতিমধ্যে রিপোর্ট দিয়েছে হাইকোর্টের তিন বিচারপতির কমিটি। সলিসিটার জেনারেলের দাবি উড়িয়ে প্রশান্ত ভূষণ পাল্টা বলেন, ‘ট্রুথ ল্যাবস ওই অডিও পরীক্ষা করে জানিয়েছে, অডিও টেপের গলার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংয়ের গলার আওয়াজের ৯৩ শতাংশ মিল রয়েছে। ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির তুলনায় ট্রুথ ল্যাবের রিপোর্ট অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য।’ প্রসঙ্গত, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিতর্কিত এই অডিও টেপ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংকে। জবাবে তিনি বলেন, ‘আসলে কয়েকজন আমার পিছনে লেগেছে। এটা একটা ষড়যন্ত্র। এর বেশি কিছু বলব না।’
মণিপুর-হিংসা মামলায় শুনানি চলাকালীন বেঞ্চের অপর বিচারপতি সঞ্জয় কুমার বলেন, ‘আমি যখন সুপ্রিম কোর্টে আসার সুযোগ পাই, তখন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী আমার জন্য একটি নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন। তার জন্য এই মামলার শুনানি নিয়ে যদি আপনাদের আপত্তি থাকে, জানাতে পারেন।’ যদিও তা নিয়ে কোনও আপত্তি তোলেননি প্রশান্ত ভূষণ। এর পরেই শুরু হয় অডিও টেপ মামলা নিয়ে শুনানি। কোহুরের আইনজীবীর দাবি, গোটা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ওই অডিও টেপে শোনা যাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংয়ের গলা। মেইতেই সম্প্রদায়ের কাউকে রাজ্যের অস্ত্রভাণ্ডার লুটের পরামর্শ দিতে এবং পরে যাতে পুলিস তাঁদের গ্রেপ্তার না করে, সেই বিষয়েও আশ্বস্ত করতে শোনা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে। আদালতে সেই কথোপকথন লিখিতভাবে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রশান্ত ভূষণ। জবাবে এই আবেদন প্রচ্ছন্নভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে ইঙ্গিত করেন সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি আরও জানান, ইস্যুটি জিইয়ে রাখার চেষ্টা চলছে বলে ইতিমধ্যে রিপোর্ট দিয়েছে হাইকোর্টের তিন বিচারপতির কমিটি। সলিসিটার জেনারেলের দাবি উড়িয়ে প্রশান্ত ভূষণ পাল্টা বলেন, ‘ট্রুথ ল্যাবস ওই অডিও পরীক্ষা করে জানিয়েছে, অডিও টেপের গলার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংয়ের গলার আওয়াজের ৯৩ শতাংশ মিল রয়েছে। ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির তুলনায় ট্রুথ ল্যাবের রিপোর্ট অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য।’ প্রসঙ্গত, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিতর্কিত এই অডিও টেপ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংকে। জবাবে তিনি বলেন, ‘আসলে কয়েকজন আমার পিছনে লেগেছে। এটা একটা ষড়যন্ত্র। এর বেশি কিছু বলব না।’



